মুস্তাফিজুর মামার পুকুরে মাছ ছাড়ার কিছু মুহূর্ত
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (১৮-০৮-২০২৫)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি মুস্তাফিজুর মামার পুকুরে মাছ ছাড়ার কিছু মুহূর্ত। আজকে সকাল বেলা থেকেই বেশ ব্যস্ত সময় পার করছি। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হওয়ার পরে প্রথমেই মাছের খাবার দেওয়ার জন্য পুকুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। মাছের খাবার দেওয়া শেষ করে বাড়িতে এসে হালকা একটু নাস্তা খেয়ে আবারো আব্বুর সাথে একটু মাঠে গিয়েছিলাম কাজ করার জন্য। দুপুর পর্যন্ত আমি এবং আব্বু দুজন মিলে আমাদের মাঠে কাজ করেছিলাম তারপরে আবারও আমরা বাড়িতে চলে এসেছিলাম। বাড়িতে আসার পরে গোসল শেষ করে দুপুরের খাওয়া-দাওয়া শেষ করে বসে গেলাম আপনাদের মাঝে পোস্ট লেখার জন্য। আসলে দেশে এবং দেশের বাইরে যেখানেই থাকি না কেনো বেশ ব্যস্ততার মধ্যেই সময় অতিবাহিত হয়। এর মাঝেও চেষ্টা করি আপনাদের সাথে প্রতিনিয়ত নিজের মূল্যবান সময় অল্প কিছু হলেও ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য।
আপনারা উপরে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি আপনাদের মাঝে চমৎকার দুটি ছবি তুলে আমার মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। বেশ কিছুদিন আগে আমি মুস্তাফিজের মামাদের ওইখানে বেড়াতে গিয়েছিলাম সেখানে যাওয়ার পরে একদিন সকালবেলায় হঠাৎ মামার সাথে পুকুরে মাছ দিতে গিয়েছিলাম। সেখানে মাছ দিতে যাওয়ার সময় আমি বেশ কিছু ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করে রেখেছিলাম ভেবেছিলাম আপনাদের মাঝে কোন একদিন পোস্ট শেয়ার করব। আমরা শুধুমাত্র জাপানি মাছের বাচ্চা দিতে গিয়েছিলাম। পুকুরে পৌঁছানোর পরে আমি অনেক সুন্দর ভাবে মুস্তাফিজুর মামার পুকুর আমার মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করেছিলাম তারপরে মাছের হাড়ি নামানোর পরে মুস্তাফিজুর মামা যখন মাছগুলো দেখছিল তখন আমি খুবই সুন্দরভাবে একটি ছবি মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করেছিলাম। সব মিলিয়ে খুবই সুন্দর একটা মুহূর্ত ছিল।
আপনারা উপরে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি আবারও খুবই সুন্দর ভাবে দুটি ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করে আপনাদের মাঝে চমৎকারভাবে শেয়ার করার চেষ্টা করছি। আপনারা উপরে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন হাড়িড় মধ্যে ছোট্ট ছোট্ট জাপানি মাছগুলো যখন নড়েচড়ে বেড়াচ্ছিল দেখতে সত্যি বেশ ভালো লাগছিল। তখনই আমি খুবই সুন্দর ভাবে আমার মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করেছিলাম আসলে আমি চেষ্টা করি আমার দৈনন্দিন জীবনে চলার পথে যে সকল কাজকর্মগুলো আমি প্রতিনিয়ত করে থাকি সেই কাজকর্মগুলো এবং ঘুরে বেড়ানো গুলো মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করার। তারপরে মাছ বিক্রেতা খুবই সুন্দর ভাবে পুকুরের মধ্যে নেমে মাছগুলো যখন ছাড়বে তার আগ মুহূর্তে আমি খুবই সুন্দর এবং চমৎকারভাবে বেশ কয়েকটি ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করেছি।
আপনারা উপরে এবার লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি আবারো খুবই সুন্দর ভাবে আপনাদেরকে দেখানোর জন্য দুইটি ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করে শেয়ার করেছি। একটি জাপানি লাল মাছ ছিল আমি হাতে নেওয়ার পরে খুবই সুন্দর ভাবে একটি ছবি তুলেছিলাম এবং সেটিও আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। এবং মোস্তাফিজের মামা যখন পুকুরের উপরে বসে মাছগুলো নেড়েচেড়ে দেখছিল মরে গেছে কিনা সে পর্যায়ে থাকা অবস্থায় আমি দারুণ একটি ছবি তুলেছিলাম। সব মিলিয়ে এরকম অনুভূতির দিনগুলো সত্যি বেশ ভালোভাবে কাটে প্রত্যেকটা মানুষের কাছে। সেখানে আমরা প্রায় অনেক সময় ধরে পুকুরে মাছ ছেড়েছিলাম এবং সময়টা বেশ দারুন ভাবে উপভোগ করেছিলাম। আশা করি আজকের লেখা পোস্ট আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানা কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি ক্যামেরাবন্দি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করা এবং ফটোগ্রাফি ধারণ করা। আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে যাত্রা শুরু করেছি ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসের ০১ তারিখে । স্টিমিট প্ল্যাটফর্মকে আঁকড়ে ধরে ভবিষ্যতে আরো অনেক দূরে এগিয়ে যেতে চাই এটাই আমার লক্ষ্য। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Wow, @kibreay001, what a charming glimpse into rural life in Bangladesh! Your post is a refreshing break, showcasing a day filled with simple pleasures – from feeding the fish to working the fields with your father. The photos of the Japanese carp being released into the pond are truly captivating; you've captured the joy of the moment perfectly.
It's wonderful how you weave your daily activities with sharing on Steemit. Your dedication to the platform is admirable. Thank you for sharing these moments with us. I'm especially curious, what's your favorite part about living in Kamarkhali village? I encourage everyone to share their thoughts and experiences in the comments below! Keep up the great work.
x-promotion
https://x.com/kibreay001/status/1957392811931922600?t=CAPIQEDXnCllzaDlD-2VgA&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1957393224571695444?t=CAPIQEDXnCllzaDlD-2VgA&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1957256273319379436?t=gorT2gsZJ8xjVKzy6vm5ZA&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1957256001419391163?t=gorT2gsZJ8xjVKzy6vm5ZA&s=19
🎉 Congratulations!
Your post has been manually upvoted by the SteemX Team! 🚀
SteemX is a modern, user-friendly and powerful platform built for the Steem ecosystem.
🔗 Visit us: www.steemx.org
✅ Support our work — Vote for our witness: bountyking5