স্বরচিত কবিতা: "পরম নিশ্চিন্তপুর"
নমস্কার
কেমন আছেন বন্ধুরা? আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন ঈশ্বরের কৃপায়।আমিও মোটামুটি ভালো আছি।যাইহোক আজ চলে আসলাম আপনাদের মাঝে নতুন একটি কবিতা শেয়ার করার জন্য।
@green015
নীরবতার সাক্ষী হতে চায় কতশত মানুষ
পাওয়া না পাওয়ার যন্ত্রণাকে আগলে ধরে,
মানুষ চায় বিতৃষ্ণার গন্ডি পেরোতে
উন্মুক্ত হাওয়ায় প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিতে।
সমাজ ও পরিবেশের খোলস থেকে বের হতে
একটি জন-মানবহীন প্রশান্তির স্থানে,
যেখানে সমুদ্ররা হাতছানি দিয়ে ডাকবে
বুকের পাঁজরগুলি সজোরে স্পন্দিত হবে।
আর মানুষ দুইহাত মেলে নিঃশ্বাস নেবে
সব গ্লানিগুলি উড়ে যাবে বাতাসে,
যন্ত্রণাগুলি মিশে যাবে সমুদ্রের নোনা জলে
মানুষ দাঁড়িয়ে থাকবে সুউচ্চ পাহাড়ে।
যেখানে গাছেরা হবে জীবন্ত সাক্ষী
ধোঁয়াশারা আরো একবার ঠকবে,
সমুদ্রের আছড়ে পড়া ঢেউগুলিতে
মানুষ বন্দি হতে চায় সমুদ্রের কিনারা জুড়ে।
যেখানে মনের মধ্যে থাকা বিষাক্ত শব্দগুলো
প্রতিধ্বনিত হবে বারে বারে খোলা আকাশে,
আর গাছ ও পাহাড় হবে মানুষের বন্ধু
জলরাশির শীতলতা হবে পরম নিশ্চিন্তপুর।।
কবিতা হলো মনের খোরাক,অনুভূতির ফসল কিংবা অনুভূতি প্রকাশের একমাত্র মাধ্যম।তাই কবিতা লিখতে আমার বরাবরই খুব ভালো লাগে।কবিতা মানুষের মনের উপলব্ধি,অন্ধকার মনের অনুভূতি দ্বারা ব্যক্ত কিছু বাক্য।একটি ছোট্ট কবিতার মাধ্যমে একটি বৃহৎ বিষয়কে তুলে ধরা যায় সুন্দরভাবে।তাই প্রতি সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও চলে আসলাম সম্পূর্ণ নতুন একটি ছোট্ট কবিতা নিয়ে।
আজকের কবিতাটি লেখা হয়েছে নীরবতা খুঁজে পাওয়াকে কেন্দ্র করে।মানুষ যখন সমাজ ও পরিবেশের প্রতি বিরক্ত হয়ে যায় তখন জীবনকে প্রশান্তি দিতে চায়।সেই বিতৃষ্ণার গন্ডি ভেদ করে বাইরে বের হতে চায় উন্মুক্ত হাওয়ায়।তো এই ভাবনাতেই লিখে ফেললাম ছোট্ট একটি কবিতা।আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের সকলের কাছে আমার আজকের লেখা কবিতাটি।তো আর কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক----
পরম নিশ্চিন্তপুর
পাওয়া না পাওয়ার যন্ত্রণাকে আগলে ধরে,
মানুষ চায় বিতৃষ্ণার গন্ডি পেরোতে
উন্মুক্ত হাওয়ায় প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিতে।
সমাজ ও পরিবেশের খোলস থেকে বের হতে
একটি জন-মানবহীন প্রশান্তির স্থানে,
যেখানে সমুদ্ররা হাতছানি দিয়ে ডাকবে
বুকের পাঁজরগুলি সজোরে স্পন্দিত হবে।
আর মানুষ দুইহাত মেলে নিঃশ্বাস নেবে
সব গ্লানিগুলি উড়ে যাবে বাতাসে,
যন্ত্রণাগুলি মিশে যাবে সমুদ্রের নোনা জলে
মানুষ দাঁড়িয়ে থাকবে সুউচ্চ পাহাড়ে।
যেখানে গাছেরা হবে জীবন্ত সাক্ষী
ধোঁয়াশারা আরো একবার ঠকবে,
সমুদ্রের আছড়ে পড়া ঢেউগুলিতে
মানুষ বন্দি হতে চায় সমুদ্রের কিনারা জুড়ে।
যেখানে মনের মধ্যে থাকা বিষাক্ত শব্দগুলো
প্রতিধ্বনিত হবে বারে বারে খোলা আকাশে,
আর গাছ ও পাহাড় হবে মানুষের বন্ধু
জলরাশির শীতলতা হবে পরম নিশ্চিন্তপুর।।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | কবিতা |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|
আমি রিপা রায়।আমার স্টিমিট ইউজার আইডি @green015.আমি একজন ভারতীয়।আমি বর্ধমান ইউনিভার্সিটি থেকে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছি,ইতিহাস বিষয় নিয়ে।বর্তমানে আমি ওখানেই অধ্যয়নরত আছি।এখানে বাংলা ভাষায় মন খুলে লেখালেখি করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।এছাড়া আমি একজন বাঙালি হিসেবে গর্ববোধ করি।
টুইটার লিংক
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
টাস্ক প্রুফ:
কমেন্টস লিংক--
https://x.com/green0156/status/1924976303285141625
https://x.com/green0156/status/1924977244365271495
https://x.com/green0156/status/1924979805025710344
https://x.com/green0156/status/1924980343930835326
ওয়াও অনেক সুন্দর একটি কবিতা আপনি রচনা করেছেন। মনের আবেগ প্রকাশ করার সুন্দর একটি মাধ্যম হলো কবিতা। কবিতার একটি লাইনে অনেক অনুভূতি প্রকাশ করা যায়। আপনি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে মনের আবেগের সুন্দর একটি মিলবন্ধন করেছেন। ভীষণ ভালো লাগলো আপনার কবিতাটি পড়ে ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন দাদা।আপনার কাছে আমার লেখা কবিতাটি ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপনাকে ।
অনেক চমৎকার একটি কবিতা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার লেখা কবিতা গুলো বরাবরই আমার পড়া হয় বেশ দারুন লিখেন আপু।প্রকৃতি এবং আবেগের অনুভূতি নিয়ে কবিতাটি খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ধন্যবাদ দারুন একটি কবিতা শেয়ার করার জন্য।
আপনিও কিন্তু দারুণ লেখেন আপু,অনেক ধন্যবাদ প্রতিনিয়ত এভাবে উৎসাহ দেওয়ার জন্য।
খুবই সুন্দর একটি কবিতা শেয়ার করেছেন আপনি৷ আপনার কাছ থেকে আজকের অসাধারণ কবিতা পড়ে খুব ভালই লাগলো৷ যেভাবে আপনি আজকের সুন্দর কবিতা তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এখানে লাইনের সামজ্ঞস্যতা আপনি খুব সুন্দর ভাবে বজায় রেখেছেন৷ এই কবিতা পড়ে মনের মধ্যে একটি আলাদা অনুভূতি কাজ করছে৷ অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি কবিতা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য৷
আপনার উৎসাহমূলক মন্তব্যগুলি বরাবরই ভালো লাগে, ধন্যবাদ ভাইয়া।