স্বরচিত কবিতা: "কতশত মধুমিতা"
নমস্কার
কেমন আছেন বন্ধুরা? আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন ঈশ্বরের কৃপায়।আমিও মোটামুটি ভালো আছি।প্রতিনিয়ত যে অগ্নিঝরা গরম পড়ছে তাতে মনে হচ্ছে প্রাণ বেরিয়ে যায় যায় অবস্থা।তাই সবাই সাবধানে থাকবেন অবশ্যই।যাইহোক আজ চলে আসলাম আপনাদের মাঝে নতুন একটি কবিতা শেয়ার করার জন্য।
@green015
আমি একটি কুড়ানো ফুল
এমন কতশত মধুমিতা পড়ে থাকে রাস্তায়,
অলিতে-গলিতে কিংবা রেললাইনের পাশে
ট্রেনের কামরায় কিংবা ড্রেনের পাশে।
ডুগরে ডুগরে কান্না হয় তাদের সম্বল
সব প্রারম্ভিকতা ছাড়িয়ে তারা পা রাখে প্রাপ্ততায়,
দারিদ্র তাদের পুরো শরীর জুড়ে
চোখের কিনারায় শুধুই মায়া ঝরে।
কতশত মধুমিতা হাত পাতে বাবুদের কাছে
কেউ দেয় কেউবা থুথু ছিটায়,
বকুল কিংবা কৃষ্ণচূড়া ফুলের মতোই
ঝরে পড়ে মধুমিতাদের শৈশব।
ঠোকর খেয়ে খেয়ে এরা শেখে
আসল জীবনের অর্থ,
ছেড়া কাঁথা, ধূলিমাখা জামা
মধুমিতারা করে চরিতার্থ।
লোলুপ দৃষ্টিগুলি কখনো কখনো
হুমড়ি খেয়ে পড়ে মধুমিতাদের উপর,
যেখানে দারিদ্র্য ও অসহায়ত্ব কথা বলে
সেখানে বিচারের প্রশ্ন তুলবে কোন আপামর??
কবিতা হলো মনের খোরাক,অনুভূতির ফসল কিংবা অনুভূতি প্রকাশের একমাত্র মাধ্যম।তাই কবিতা লিখতে আমার বরাবরই খুব ভালো লাগে।কবিতা মানুষের মনের উপলব্ধি,অন্ধকার মনের অনুভূতি দ্বারা ব্যক্ত কিছু বাক্য।একটি ছোট্ট কবিতার মাধ্যমে একটি বৃহৎ বিষয়কে তুলে ধরা যায় সুন্দরভাবে।তাই প্রতি সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও চলে আসলাম সম্পূর্ণ নতুন একটি ছোট্ট কবিতা নিয়ে।
আজকের কবিতাটি লেখা হয়েছে অসহায় শিশুদের জীবনকে কেন্দ্র করে।যারা রাস্তার পাশে মানুষের কাছে হাত পেতে জীবন ধারণ করে, কত কষ্ট আর অপমান বুকে চেপে তাদেরকে সহ্য করতে হয়।তো এই ভাবনাতেই লিখে ফেললাম ছোট্ট একটি কবিতা।আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের সকলের কাছে আমার আজকের লেখা কবিতাটি।তো আর কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক----
কতশত মধুমিতা
এমন কতশত মধুমিতা পড়ে থাকে রাস্তায়,
অলিতে-গলিতে কিংবা রেললাইনের পাশে
ট্রেনের কামরায় কিংবা ড্রেনের পাশে।
ডুগরে ডুগরে কান্না হয় তাদের সম্বল
সব প্রারম্ভিকতা ছাড়িয়ে তারা পা রাখে প্রাপ্ততায়,
দারিদ্র তাদের পুরো শরীর জুড়ে
চোখের কিনারায় শুধুই মায়া ঝরে।
কতশত মধুমিতা হাত পাতে বাবুদের কাছে
কেউ দেয় কেউবা থুথু ছিটায়,
বকুল কিংবা কৃষ্ণচূড়া ফুলের মতোই
ঝরে পড়ে মধুমিতাদের শৈশব।
ঠোকর খেয়ে খেয়ে এরা শেখে
আসল জীবনের অর্থ,
ছেড়া কাঁথা, ধূলিমাখা জামা
মধুমিতারা করে চরিতার্থ।
লোলুপ দৃষ্টিগুলি কখনো কখনো
হুমড়ি খেয়ে পড়ে মধুমিতাদের উপর,
যেখানে দারিদ্র্য ও অসহায়ত্ব কথা বলে
সেখানে বিচারের প্রশ্ন তুলবে কোন আপামর??
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | কবিতা |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|
আমি রিপা রায়।আমার স্টিমিট ইউজার আইডি @green015.আমি একজন ভারতীয়।আমি বর্ধমান ইউনিভার্সিটি থেকে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছি,ইতিহাস বিষয় নিয়ে।বর্তমানে আমি ওখানেই অধ্যয়নরত আছি।এখানে বাংলা ভাষায় মন খুলে লেখালেখি করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।এছাড়া আমি একজন বাঙালি হিসেবে গর্ববোধ করি।
টুইটার লিংক
টাস্ক প্রুফ:
কমেন্টস লিংক--
https://x.com/green0156/status/1934765206464548917
https://x.com/green0156/status/1934765620840538590
https://x.com/green0156/status/1934766934836326881
https://x.com/green0156/status/1934767254039658824
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আমি কবিতা লিখতে খুব ভালোবাসি, আর কবিতা পড়তেও আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। খুব সুন্দর টপিক নিয়ে আজকের কবিতাটা লিখেছেন। এটা দেখেই তো আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। কবিতার প্রতিটা লাইন একেবারে মন ছোঁয়া ছিল। আপনি এভাবে সব সময় কবিতা লেখার চেষ্টা করলে, পরবর্তীতে আরো ভালো কবিতা লিখতে পারবেন।
আপনার সুন্দর মতামত পড়ে অনুপ্রেরণা পেলাম, ধন্যবাদ আপনাকে।
এরকম কবিতা গুলো যতই পড়ি ততই খুব ভালো লাগে। কবিতা লেখার জন্য বিভিন্ন অনুভূতির প্রয়োজন হয়। আর এরকম বিষয়গুলো নিয়ে কবিতা লিখলে অনেক সুন্দর লাগে পড়তে। তেমনই আপনিও অনেক সুন্দর একটা অনুভূতি নিয়ে কবিতাটা লিখেছেন। যা আমার অনেক ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ সুন্দর একটা টপিক নিয়ে কবিতাটি লেখার জন্য।
আপনার কাছে আমার লেখা কবিতাটি ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম, ধন্যবাদ আপনাকে।
এইসব অসহায় শিশুদের কথা ভাবলে সত্যিই অনেক কষ্ট হয়। আপনার কবিতাটি পড়তে পড়তে সামনে যেন সেই অসহায় শিশুদের মুখ ভেসে উঠছিল। আপনি ভীষণ সুন্দর একটি কবিতা লিখেছেন যা পড়ে একদম অন্যরকম কষ্ট মাখা আবেগ অনুভব হলো।
আসলেই খুব কষ্ট হয় কিন্তু আমরা শুধু অনুভূতি প্রকাশ করতে পারি এর থেকে বেশি কিছু করার সামর্থ্য আমাদের নেই তাই আরো বেশি কষ্ট দিদি।ধন্যবাদ আপনাকে।