বাগানের জন্য প্রস্তুতি পর্বঃ ২, সাথে কিছু ফটোগ্রাফি
আসসালামুআলাইকুম ,
সবাই কেমন আছেন ? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। খুব ভালো একটা ওয়েদার ছিল আজকে আমাদের এখানে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল 18 ডিগ্রী। বাইরে ঘোরাফেরার জন্য ছিল পারফেক্ট এবং বাগান করার জন্য খুবই উপযুক্ত।ঠিক এক সপ্তাহ আগে বাগানের জন্য প্রস্তুতির ১ম পর্ব আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম আর বলেছিলাম নতুন চারা গজালে আপনাদের সাথে হাজির হয়ে যাব দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে। হ্যাঁ বন্ধুরা দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে আজকে হাজির হয়ে গেলাম, কারণ অনেকগুলো টাইনি টাইনি প্লান্ট এখন আমার ঘরে। চারা গজানো দেখলে মনটা আসলে খুশিতে ভরে ওঠে।ছোট ছোট টাইনি চারাগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। যদিও সবধরনের বিচি থেকে এখনও চারা গজায় নি, যে সকল বিচি থেকে চারা গজিয়েছে সেগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি।যেগুলো গজায়নি সেগুলোও ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই গজিয়ে যাবে।
সর্বপ্রথম মুখ দেখেছি আমার অতি পছন্দের শসার প্লান্টগুলো। অনেকগুলো একসাথে গজিয়েছে।দেখতে কতইনা ভালো লাগছে!এরপর গজিয়েছে সীম, বরবটি, ধনিয়া, টমেটো। এছাড়াও আমার হাজব্যান্ড বাঙালি শপ থেকে একটি লাউয়ের চারা এবং বোম্বাই মরিচের দুটি চারা কিনে এনেছে। দেখতে তার কাছে খুবই ভালো লেগেছে একারণে আর না কিনে থাকতে পারেনি। এর আগে আপনাদেরকে বলেছিলাম বাগানে কিছু কিছু ফুলের চারা নিয়ে আসবো।কিছু নতুন ফুলের চারা আনা হয়েছে।তার মধ্যে আছে জেরানিয়াম, বাংলাদেশি গাঁদা ফুল, বিদেশি ডায়ান্থাস, ইম্পেশেন্স এবং পাতাবাহারের মত একটি প্ল্যান্ট।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে, চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূল পর্বে।
উপরের প্লান্টগুলো আমার সদ্য গজানো নতুন সদস্য। রান্নাঘরের জানালার পাশে রাখা আছে।
উপরের প্লান্টগুলো বোম্বাই মরিচ এবং লাউ যা শপ থেকে কিনে আনা হয়েছে।
এটি সেই বাহারি পাতাবাহার।
এগুলো সেই কিনে আনা ফুলের গাছগুলো।
আর এগুলো আমার বাগানের, আগে থেকেই ছিল।
এটি পিয়ার গাছ, ছোট ছোট পিয়ার দেখতে পাচ্ছেন।
এগুলো আপেল, ছোট ছোট আপেল দেখা যাচ্ছে।
আমার বাগানের একটি সাইড।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 13 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আপনার বাগানের প্রস্তুতি দ্বিতীয় পর্ব দেখতে পেয়ে খুবই ভালোলাগলো। বাগানের পরিবেশ দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগলো, অসাধারণ ভাবে আপনি এই বাগানটি সাজিয়েছেন। ফটোগ্রাফি খুবই ভালো লেগেছে বিশেষ করে বাগানে ছোট ছোট আপেল দেখে আরও বেশি ভালো লেগেছে।
আপু শসার বীজ থেকে গজানো ছাড়া গুলো দেখতে বেশ ভালই লাগে। আপনার বাগান প্রস্তুতির দ্বিতীয় পর্বটি আপনি খুবই চমৎকার ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। একই সাথে অনেক সুন্দর সুন্দর ফুলের ফটোগ্রাফি আপনি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। প্রত্যেকটি ফুলের ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। দারুন একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপু আপনাদের দেশে বর্তমানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা 18 ডিগ্রী আর আমাদের দেশে তো ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রী সেলসিয়াস হয়ে যাচ্ছে। যাইহোক আপু আপনাদের ওখানে বর্তমানে ওয়েদার টা বেশ ভালো বোঝাই যাচ্ছে। আপনার পরিবারের নতুন সদস্যদের দেখে খুবই ভালো লাগলো। যখন বীজ থেকে প্রথম চারা গজায় তখন মন আনন্দে নেচে ওঠে। আসলে নতুন চারা দেখলেই অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে। আর যখন চারাগুলো গজাতে সময় লাগে তখন ভীষণ খারাপ লাগে। অপেক্ষা করতে ভালো লাগেনা। আপু আপনার শখের বাগানটি সত্যিই অনেক সুন্দর।
তাপমাত্রা কম জেনে খুশি হলাম। আপনাদের ওখানে তাপমাত্রা ১৮ আর আমাদের এখানে ১৮ দোকানে ৩৬ কি আনন্দ। যাইহোক খুব সুন্দর একটি পরিকল্পনা দেখে ভালো লাগলো যেখানে অনেক সুন্দর সুন্দর গাছ। প্রাথমিক পর্যায়ে একটা আপনি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন দেখে খুশি হলাম।
আপনাদের ওখানে মাত্র ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর আমাদের এখানে ৪০/৪২ । মন তো চাচ্ছে আপনাদের কাছে চলে যাই । যাই হোক সেটা তার সম্ভব নয় । আপনার বাগানের প্রস্তুতি দেখে বেশ ভালই লাগে। খুব সুন্দর ছোট ছোট গাছ বের হয়েছে। আশা করি এগুলো বড় হলে নিজেদের শাকসবজি খেয়ে শেষ করতে পারবেন না। ফুলের গাছগুলো বেশ সুন্দর হয়েছে। সবথেকে বেশি ভালো লাগে যখন আপেল গাছগুলোতে আপেল বড় হয়। সেই অপেক্ষায় রইলাম।
আহা কত শান্তির একটা তাপমাত্রা আপু আপনাদের। আর আমরা এদিকে পুড়ে যাচ্ছি প্রায়। প্রথম পর্ব টা আমি দেখেছিলাম বাগান প্রস্তুতির। আজ সেখানে এত ছোট্ট ছোট্ট চারা গাছগুলো দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। আমি রীতিমত অবাক। আসলে এমন কখনো দেখি নি তো। আর নতুন ফুল গাছগুলো খুব মিষ্টি হয়েছে। তবে আপেল দেখার অপেক্ষায় রইলাম আপু।
আজকের পর্বে তো দারুন চমক দেখালেন আপু। ছোট ছোট চারা গুলো দেখতে সত্যি খুব মায়া লাগছে। আসলে যারা বাগান করতে খুব পছন্দ করে তাদের কাছে হয়তো বা এটি এক অমূল্য রতন। আমার কাছেও খুব ভালো লাগে বিভিন্ন রকম গাছের চারা লাগাতে। তবে এখন সময় নিয়ে তেমন কাজগুলো করা হয়ে ওঠে না। তবে সত্যি ভালো লাগছে আপনার বাগানের সদ্য জন্মানো ছোট ছোট সদস্য গুলো দেখতে পেরে।
আহা কত বাহারি গাছ রয়েছে আপনার বাগানে দিদি। দেখেই বোঝা যাচ্ছে বাগান করার জন্য আপনার ঝোঁক যথেষ্ট বেশি।বাগান করতে আমারও খুব ভালো লাগে। বিশেষ করে একদম বীজ থেকে চারা গাছ হয়ে সেখান থেকে পরিণত গাছ হতে দেখা, যেন মনে হয় নিজের সন্তানকে লালন পালন করে বড় করছি।আমার বাড়িতে উঠোন বলে কিছুই নেই।যেটুকু আছে পুরোটাই ছাদ। সেই কারণে বিশেষ কিছু গাছ করে উঠতে পারি না। তবে কাউকে করতে দেখলে বেশ ভালো লাগে। কিছুদিন আগে একটা ইনডোর প্লান্ট কিনেছিলাম। যথেষ্ট যত্ন করছিলাম। ঠিক যেমন ভাবে দোকান থেকে বলেছিল।তা সত্ত্বেও গাছটা এত গরমে বাঁচলো না।সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে এত কেঁদেছিলাম গাছটার জন্য বলে বোঝাতে পারবো না।
আপনাদের ওখানে তো বেশ ঠান্ডা তাহলে। আর আমাদের এখানে সবাই গরমে অস্থির। আপনার বাগান তৈরির প্রথম পর্বটি দেখেছিলাম। পরবর্তী পর্ব টি দেখতে পেরে ভালো লাগলো। আসলে বীজ থেকে এরকম ছোট ছোট চারা গজাতে দেখলে খুবই ভালো লাগে। ছোট ছোট চারাগুলোকে খুব সুন্দর লাগছে দেখতে। বিভিন্ন রংবেরঙের ফুলগুলো দেখেও খুবই ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপু, সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
আপু আপনাদের ওখানকার তাপমাত্রা শুনে ছুটে আসতে ইচ্ছে করছে। আপনার আজকের পোস্ট দেখে খুবই ভালো লাগলো। নিজের হাতে লাগানো বীজ থেকে চারা দেখতে পেলে খুবই আনন্দ লাগে আসলে।বোম্বাই মরিচ আর লাউ চারা ও হয়েছে কতো সুন্দর। আপনার বাগানের ফুলের ফটোগ্রাফি তো আরো বেশি সুন্দর লাগলো আপু।এক কথায় অসাধারন। আপনার বাগানের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম।শেয়ার করে দেখার সুযোগ করে দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।