বিমানে ছিলো আট জন যাএী খুনি ছিলো একজন প্রথম পর্ব
শুরু হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে রওনা হওয়া একটি ছোট যাত্রীবাহী বিমানে। একজন হতবাক যাত্রী ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্ট কে জিজ্ঞাসা করেন কেন হঠাৎ ফ্লাইটের পথ পরিবর্তন করা হলো? ফ্লাইট এটেন্ডেন্ট ব্যাখ্যা করেন যে আগের পথের আবহাওয়া খুব খারাপ। তাই পাইলট পথ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং বিমানটি এখন অ্যামা এর উপর দিয়ে উড়ে যাবে। যেহেতু ফ্লাইটে মাত্র আটজন যাত্রী ছিলেন তাই কেউই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি। কিন্তু কিছুক্ষণ পর পুরো বিমানটি হঠাৎ প্রচন্ডভাবে কাঁপতে শুরু করে। পাইলট লক্ষ্য করেন যে বিমানের জিপিএস সিস্টেম হঠাৎ কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকি কন্ট্রোল প্যানেলও সাড়া দিচ্ছে না। পাইলট সঙ্গে সঙ্গে বেস স্টেশনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। কারণ রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থাও অচল হয়ে পড়েছে। কিন্তু সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো পাইলট যেন আগে থেকেই কোন অমঙ্গলের আভাস পেয়েছিলেন। তিনি বিমানটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন এবং তার ফোনে একটি শেষ ভিডিও রেকর্ড করতে শুরু করেন। ভিডিওতে তিনি বলেন যে বিমানটি বিশাল সাম্রাজ্যের মধ্যে রয়েছে যা তিনি আগেই একটি বড় বিপর্যয় বিপর্যয় বলে সন্দেহ করেছিলেন। এরপর বিমানটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। সামনে ঘন জঙ্গল এবং উঁচু পাহাড় দেখা যাচ্ছিল। পাইলট দুর্ঘটনার প্রভাব কমানোর জন্য গাছের ডালপালা ব্যবহার করে বিমানটির গতি কমিয়ে আনে। কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়ার পর বিমানটি অবশেষে থেমে যায়। প্রায় সব যাত্রী বেঁচে যান কিন্তু সিট-বেল্ট না পরা ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্ট ঘটনাস্থলেই মারা যান। আতঙ্কিত হয়ে যাত্রীরা এরপর কি করবে তা নিয়ে আলোচনা শুরু করে। তারা প্রথমে নিশ্চিত হয় যে ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্ট ছাড়া আর কেউ গুরুতর আহত হয়নি। এরপর দুজন যাত্রী পাইলটের অবস্থা দেখতে দ্রুত ককপিটে প্রবেশ করে কিন্তু সেখানকার দৃশ্য তাদের হতবাক করে দেয়। গাছের বড় বড় ডাল পাইলটের বুকে বৃদ্ধ হয়েছিল। তবুও তিনি কোনমতে বেঁচে ছিলেন। পাইলট যাতে ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারেন, সেজন্য দুজন যাত্রী ধীরে ধীরে সিটটি সরানোর চেষ্টা করে। হঠাৎ তারা বিমানের বাইরে আগুনের শব্দ শুনতে পায়। সব যাত্রী সঙ্গে সঙ্গে বিমান থেকে বেরিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। কারণ পুরো বিমানটি পুড়ে গেলে উদ্ধারকারী দল না আসা পর্যন্ত তারা কোথায় থাকবে? কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হয়। এখন আটজন যাত্রী একসঙ্গে বসে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করে। পথ পরিবর্তনের পর তারা অ্যাজনের কোন অংশে এসে পড়েছে? বিমানের রুট পরিবর্তন, জিপিএস ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিকল। পাইলটের শেষ ভিডিওজন জঙ্গলে জরুরি অবতরণ ফ্লাইট এটেন্ডেন্টের মৃত্যু যাত্রীদের বেঁচে যাওয়া পাইলটের গুরুতর অবস্থা। পাইলট এমন কি গোপন কথা জানতেন যা বলার আগেই তিনি মৃত্যুর মুখে পড়লেন। জানতে হলে অপেক্ষা করুন পর্ব।