ধানমন্ডি লেকের কিছু ফটোগ্রাফি
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
বেশ কিছুদিন আগে নিউমার্কেটে গিয়েছিলাম। সেদিন নিউ মার্কেটে শপিং করার পর আরো কিছু জায়গায় গিয়েছিলাম। মাঝখানে অনেকটা সময় ধানমন্ডির লেকে বসে ছিলাম। ধানমন্ডি লেকটি এত সুন্দর যে এখানে চুপচাপ বসে থাকতেও খুব ভালো লাগে। তাছাড়া আমরা দুপুরের দিকে গিয়েছিলাম জন্য খুব একটা ভীড় ছিল না। আবার একদম ফাঁকা ও বলা যাবে না।
ধানমন্ডি লেকের যে বিষয়টি সব থেকে বেশি ভালো লাগে যে এখানকার গাছপালা। এত সবুজ ঢাকা শহরের খুব একটা দেখা যায় না। তাছাড়া লেক তো আছেই।
সবুজ গাছপালার ছায়া লেকের পানিতে যখন পড়ে সেই বিষয়টি দেখতে আরো বেশি ভালো লাগে। ছবিতে নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছেন।
আমরা যেদিন গিয়েছিলাম সেদিন বেশ গরম ছিল। সূর্য মাথার উপরে একদম দাঁড়িয়ে ছিল। তারপরও গাছপালার ফাঁকা দিয়ে খুব একটা গায়ে এসে লাগছিল না। সামনে পানি থাকার কারণে পরিবেশটা বেশ ঠান্ডাই ছিল।
পানির মধ্যে একটা গাছের গুড়ি পরেছিল। কিছু মেয়েকে দেখছিলাম যে সেখানে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে। আবার কোথা থেকে যেন ড্রেস চেঞ্জ করে এসে আবারো ছবি তুলছে।
এখানে মাছ ধরার জন্য খুব সম্ভবত ভাড়া দেয়া হয়। লোকজনকে দেখলাম লাইন ধরে বসে মাছ ধরছে।
লেকের পারে এরকম স্লিপার এবং উপরের ওরকম রডের মত ছিল। কিছু লোকজন আবার এখানে এসে ব্যায়াম করছিল। স্লিপারে উঠে আমার বাচ্চারা খুবই মজা পেয়েছিল। তাছাড়া লেকের পাড়ে নিচের ছবির মত এরকম গোল গোল কি জন্য দেয়া ছিল। এগুলো দেয়ার কারণ দেখতে খুব বেশি চমৎকার লাগছিল জায়গাটি।
এই ছিল আমার আজকের আয়োজন। আশা করি আপনাদের সকলের ভাল লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | i phone11 |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy
আপনি ধানমন্ডি লেক এর খুবই দারুন দারুন ফটোগ্রাফি করেছেন। যেগুলো দেখে আমি তো মুগ্ধ হয়ে গেলাম। দেখে মনে হচ্ছে খুবই ভালো সময় কাটিয়েছেন ধানমন্ডি লেক এ ঘুরতে গিয়ে। গাছের জন্য রোদ এত বেশি লাগে না। লোকেরা টাকা দিয়ে ভাড়া করে মাছ ধরছে এটা আমার কাছে একটু বেশি ভালো লেগেছে। এরকম লেক এ বসে মাছ ধরার মজাটাই আলাদা।
যাদের মাছ ধরা নেশা তারা বিভিন্ন জায়গায় এরকম টাকা দিয়ে মাছ ধরে। আমি এর আগেও অনেক দেখেছি।
ভালো যে দুপুরবেলা গিয়েছিলেন, তাছাড়া জায়গাটা সুন্দর হলেও এত পরিমানে কোলাহলপূর্ণ থাকে যে নিরিবিলিতে সময় কাটানোর কোন উপায় থাকে না। সবুজে ঘেরা এরকম পরিবেশ পাওয়া ঢাকা শহরে খুব দুর্লভ। তবে বিকালবেলা হাঁটাহাঁটি করার জন্য উত্তম একটা জায়গা ধানমন্ডি লেক এবং রবীন্দ্র সরোবর। আমি নিজেও মাঝেমধ্যে যাই ঢাকায় থাকলে। ভালো লাগলো ছবিগুলো এবং তার সাথে ছোট করে দেওয়া বর্ণনা গুলো।
আচ্ছা আপু যে মেয়েটা লেকের পাশে গাছের গুঁড়ির উপরে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছিল তার কি কলিজায় পানিতে পরে যাওয়ার একটুও ভয় ছিল না!!! আমি থাকলে দূর থেকে ছোট্ট একটা ঢিল দিয়ে ভয় দেখিয়ে ফেলে দিতাম 😊।
ওর ভয় লাগছিল না কারণ ওর কাছে এক্সট্রা ড্রেস ছিল। পরে গেলেও আবার ড্রেস চেঞ্জ করে আসতে পারতো। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপু ধানমন্ডি লেকে কখনো যাওয়া হয়নি তবে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মনে হচ্ছে জায়গাটা বেশ সুন্দর। কেননা লেকের পাড়ে এরকম গাছপালা থাকলে সেই জায়গাটা সুন্দর হওয়ারই কথা ।মনে হচ্ছে বেশ ঠান্ডাও জায়গাটি। তাছারা গাছের নীচে রোদের আলো পৌঁছাচ্ছে না জেনে বেশ ভালো লাগলো । বাচ্চারা স্লিপারে উঠে বেশ মজা করেছে মনে হচ্ছে । আপনার ফটোগ্রাফি গুলো বেশ ভালো ছিল ।ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু এরপরে ঢাকায় আসলে ধানমন্ডি লেক থেকে ঘুরে আসবেন । খুব সুন্দর জায়গা। ভালো লাগবে আশা করি। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আমিও আপনার মত আপু ফটোগ্রাফি করতে গেলে তাড়াহুড়ো করে ভালো ফটোগ্রাফি করতে পারি না। কোথাও গেলে ফটোগ্রাফি নিয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে পরি তখন আর বাইরের পরিবেশ খুব ভালো একটা দেখা যায় না। অনেক আগে একবার ধানমন্ডি লেকে গিয়েছিলাম এখন আর মনে নাই সেখানকার কথা। তবে আপনার ছবির মাধ্যমে আবার নতুন করে দেখলাম। গাছ হওয়ার কারণে রোদ থাকলেও অসুবিধা হয় না। এখানে আবার ড্রেস চেঞ্জ করার জায়গা আছে শুনে অবাক লাগলো। নিরিবিলি কোনো লেকের পাশে সবুজ প্রকৃতির মাঝে বসতে ভালোই লাগে। আপনার বাচ্চারা তো দেখছি খুব মজা করছে। ভালো ভালো লাগলো আপু আপনার সুন্দর সময়টুকু।
আমিও তো দেখে খুবই অবাক হয়েছিলাম যে কোথা থেকে ড্রেস চেঞ্জ করে আসছে। আমার সঙ্গে ভাতিজা ছিল ও বলল যে পাশে নাকি জায়গা আছে।
ধানমন্ডি লেকের এই ছবিগুলো আমার কাছে যদিও খুবই পরিচিত আপনার শেয়ার কফরা ছবি দেখে ভাল লাগছে। মনে হচ্ছে নতুন রুপে আবার দেখছি। এই লেক আমার কাছে এত বড় মনে হয় যে যতবার দেখি আমার কাছে ভাল লাগে। এখানে একটি মজার বেপার হচ্ছে টাকা দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা মাছ ধরা যায়। ব্যায়ামের একটি আলাদা জায়গা আছে যেখানে এসে অনেকেই ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করে। ধন্যবাদ আপু।
আসলে জায়গাটা এত সুন্দর যে যতবার দেখবেন ততই ভালো লাগবে। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
ধানমন্ডি লেকের খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন আপনি। ধানমন্ডি লেকে আমি অনেকবার গিয়েছি কিন্তু কখনো ফটোগ্রাফি করা হয়নি। আপনি আপনার ফটোগ্রাফি সম্পর্কে খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন এতে ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে আরও বেশি আকর্ষণীয় লাগছে।
যখন গিয়েছেন তখন হয়তো আপনি এই ব্লগে কাজ করতেন না। তা না হলে এই ব্লগে কাজ করে আবার এত সুন্দর জায়গার ছবি না তুলে থাকা যায়😛। যাই হোক ভাইয়া ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপু আপনার নিউমার্কেটে যাওয়ার পোস্ট টি পড়েছিলাম। ভালো লেগেছিল।তারপর ধানমন্ডি লেকে কিছুক্ষন সময় কাটিয়েছেন এই ফটোগ্রাফি গুলো নিশ্চয়ই তখন করেছেন।ধানমন্ডি লেকের এসব সবুজ গাছপালা আর সুন্দর পরিবেশের জন্য ঘুরতে ভালো লাগে। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ হয়েছে আপু। আপনার জন্য অনেক শুভকামনা রইল আপু।
ঠিক ধরেছেন আপু এই ফটোগ্রাফি গুলো তখনই করেছিলাম। আপনার মনে আছে যেন ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধানমন্ডি লেকে অনেক চমৎকার একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন সেই সাথে কিছু সুন্দর মুহূর্তের ফটোগ্রাফিও আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন দেখছি। যত সময় নিয়ে ধৈর্য সহকারে একটি বিষয়ের উপর ফোকাস করা যায় সেই ফটোগ্রাফিটি তত বেশি চমৎকার হয়, আপনার এই কথার সঙ্গে আমি একমত। আসলে তাড়াহুড়ো করে ফটোগ্রাফি হয় না ফটোগ্রাফি করতে হলে অনেকটা সময়ের প্রয়োজন। যাইহোক সুন্দর ফটোগ্রাফির সাথে সুন্দর কিছু বর্ণনাও আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো।
ফটোগ্রাফি করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন। এই সময়ই তো নেই। এজন্য তেমন ভালো ফটোগ্রাফি করতে পারি না। যাইহোক আমার ফটোগ্রাফি গুলো আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ ভাইয়া।
আমার খুব পছন্দের একটি জায়গা হচ্ছে ধানমন্ডি লেক। মাঝেমধ্যে সময় পেলে এখান থেকে ঘুরে আসি। আসলে ঢাকা শহরের মধ্যে এরকম সবুজ প্রাকৃতিক জায়গা খুব কম আছে। এই জায়গায় গেলে নিশ্বাস নিলে অনেক ভালো লাগে। এ জায়গাতে অনেক স্মৃতি পড়ে আছে। বিশেষ করে সকালের আবহাওয়াটা এই জায়গাটায় অনেক ভালো লাগে। সকালে এত পরিমাণ মানুষ এখানে হাটাহাটি করে যে জায়গা পাওয়া কষ্টকর। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দারুন হয়েছে। ফটোগ্রাফি যত ধীরে ধীরে তুলবেন ততটা সৌন্দর্য ফুটে উঠবে। ধন্যবাদ আপু আপনাকে সুন্দর কিছু প্রাকৃতিক জায়গার সৌন্দর্য ফুটে তোলার জন্য।
এই আমরা দুপুর বেলায় গিয়েছিলাম জন্য অতটা ভিড় ছিল না। এজন্য খুব ভালো সময় কাটিয়েছিলাম। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার মন্তব্যের জন্য।