গ্রাম বাংলার কিছু ফটোগ্রাফি
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজকে আপনাদের সঙ্গে গ্রাম বাংলার কিছু চমৎকার ফটোগ্রাফি শেয়ার করবো। গ্রামে গেলে এক এক সময় একেক ধরনের সৌন্দর্য দেখা যায়। গ্রীষ্মকালে একরকম সৌন্দর্য দেখা যায় আবার শীতকালে অন্যরকম সৌন্দর্য দেখা যায়। আমার গ্রামে এই দুই সময়ে যাওয়া হয় বেশি। তাছাড়া খুব একটা যাওয়া হয় না। এই দুই সময় গ্রামে গেলে এই প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখে ছবি না তুলে থাকতে পারি না। এইবার শীতকালে গিয়ে এই ছবিগুলো তুলেছিলাম। প্রকৃতির সৌন্দর্য মুগ্ধ হয়ে দেখার মতো। প্রকৃতির মাঝে সময় কাটাতে যেমন ভালো লাগে তেমনি এই সৌন্দর্য ক্যামেরাবন্দি করতে আরো বেশি ভালো লাগে। এই ব্লগে কাজ করতে করতে ফটোগ্রাফি করা অনেকটা নেশায় পরিণত হয়েছে। সুন্দর কোন প্রকৃতি বা ফুলের ছবি দেখলে ফটোগ্রাফি করতে ইচ্ছা করে। সেগুলো আপনাদের সঙ্গে শেয়ার না করলে কি চলে। যাই হোক আশা করি আজকের ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের ভালো লাগবে।
উপরের পুকুরটি আমার শ্বশুর বাড়ির পুকুর। এটি আমাদের পুকুর। এছাড়াও আরো বেশ কয়েকটি পুকুর রয়েছে। এখানে এর আগে কয়েকবার গিয়ে এই পুকুরে বেশ মজা করে গোসল করেছিলাম। কিন্তু এখন শীতকাল হওয়ার কারণে পানি কমে গিয়েছে। গোসল করার উপায় নেই। কিন্তু এ পুকুর পাড়ে গিয়ে সময় কাটাতে বেশ ভালো লাগে। গরমকালে যখন যাই তখন এই নিচের ক্ষেত ভর্তি ধান থাকে। কখনো কখনো সবুজ কচি ধান আবার কখনো বা পাকা ধান। ওই সময়ের সৌন্দর্য অন্যরকম থাকে। দেখতে খুবই ভালো লাগে।
শীতের সকালের মিষ্টি রোদটা খুব ভালো লাগে আমার কাছে। এই রোদে বসে থাকতেও অনেক ভালো লাগে। বিশেষ করে ভিটামিন ডি খাওয়া হয়ে যায়। ঢাকা শহরে তো ভিটামিন ডি এর খুব অভাব। শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে হাঁটতে হাঁটতে দূরের এই লেকটার পাশে গিয়েছিলাম। এর উপরে আবার ছোট্ট একটি ব্রীজ আছে। অনেক দূর গিয়েছিলাম আমি আর আমার হাসবেন্ড। বেশ ভালোই লাগছিল রোদের মধ্যে হাঁটতে। তখনই এই ছবি তুলেছিলাম। মাত্র কলা ধরেছে। ছোট এখনো। অনেক সময় বাকি কলাগুলো পাকতে।
উপরের এই কলাগুলো অন্য গাছের। ছোট ছেলেকে দেখাচ্ছিলাম কলা কিভাবে গাছে থাকে। ও কলা খেতে খুব পছন্দ করে। দেখে খুবই খুশি হয়েছিল। শহরে থাকলে তো বাচ্চারা এগুলো সম্পর্কে কোন কিছু জানতেই পারে না। গ্রামে গেলে বিভিন্ন ফল গাছ দেখিয়ে তাদেরকে শেখানো যায়। নিচের এগুলো ধান কিছুদিন আগেই কেটে নিয়ে এসেছে। এই ধানগুলো আমার চাচাতো ভাসুরের ধান। এখানে প্রায় ৭/৮ লাখ টাকার ধান রয়েছে। বাড়ির সম্পূর্ণ উঠান এরকম ধান দিয়ে ভর্তি হয়েছে ছিল। তার অনেক জমি জমা। প্রতি সিজনে এরকম ধান বাড়িতে আসে।
উপরের আর নিচের ছবিটির বাড়ির সামনে বসে তুলেছিলাম। সবাই মিলে যখন গল্প করছিলাম তখন দেখলাম সূর্য একেবারে মাথার উপর এসে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের ফাঁকা দিয়ে দেখতে খুব ভালো লাগছিল। তখন এই ফটোগ্রাফিটা করেছিলাম। খুব ভালো লাগছিল দেখতে।
এই ছিল আমার গ্রাম বাংলার কিছু চমৎকার ফটোগ্রাফি। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | I Phone 15 Pro Max |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি অর্থনীতিতে অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা,আর্ট করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে এবং ব্লগিং করতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy

আসলে গ্ৰামের সৌন্দর্য কখনো লিখে প্রকাশ করার মতো নয়। আপনি দেখছি আজকে খুবই সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে বেশ কয়েকটি গ্ৰামীন পরিবেশের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার শেয়ার করা প্রতিটি ফটোগ্ৰাফী খুবই সুন্দর হয়েছে আপু।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া গ্রামের সৌন্দর্য লিখে প্রকাশ করার মত না। যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে।
গ্রাম বাংলার সৌন্দর্য কাছে সব সময় অনেক ভালো লাগে। গ্রামের এরকম প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো দেখলে চোখ ফেরাতে ইচ্ছে করে না। ঠিক তেমনি ভাবে আপনার প্রতিটা ফটোগ্রাফি আমাকে অনেক মুগ্ধ করলো। অনেক সুন্দর ভাবে গ্রামের সৌন্দর্য গুলোকে ক্যামেরা বন্দি করেছেন আপনি। অনেক বেশি সুন্দর হয়েছে আপনার সবগুলো ফটোগ্রাফি।
গ্রাম বাংলার সৌন্দর্য আপনার কাছেও ভালো লাগে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।
গ্রাম বাংলার কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দেখে বেশ ভালো লাগলো। আসলে গ্ৰামের সৌন্দর্যের সাথে শহরের সৌন্দর্যের তুলনা হয় না।গ্ৰামের সৌন্দর্য অনেক বেশি সুন্দর, শহরের সৌন্দর্যের তুলনায়। আপনি অসম্ভব সুন্দর কয়েকটি ফটোগ্ৰাফি শেয়ার করেছেন এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া গ্রামের সৌন্দর্য অনেক বেশি সুন্দর হয়। এজন্যই ভালো লাগে যেতে। ধন্যবাদ আপনাকে।
গ্রামীণ প্রকৃতি সবসময়ই আকর্ষণীয়। আমিও গ্রামে গেলে চেষ্টা করি যতটা সম্ভব ছবি তুলে রাখার। গ্রামীণ পরিবেশ একেক সময় একেক রকম, সত্যিই দারুন লাগে। আপনার প্রতিটি ছবি ভীষণ ভালো লেগেছে। অনেক ধন্যবাদ আপু চমৎকার ছবিগুলো শেয়ার করার জন্য।
আমার কাছে গ্রামের প্রকৃতি খুব আকর্ষণীয় লাগে। এজন্য ফটোগ্রাফি করা হয়। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
গ্রাম বাংলা সৌন্দর্য মানেই নির্মল সৌন্দর্য যা চোখের প্রশান্তি ঘটায়। আমি যখন বাড়ি যাই তখন আমারও এই ধরনের অভিজ্ঞতাগুলো ঘটে৷ পুকুর রাস্তাঘাট অনেক গাছপালার ভেতর দিয়ে সূর্যের আনাগোনা, চমৎকার সব ছবি আপনি শেয়ার করেছেন। তবে একটা কথা না বললেই নয় আমাদের এদিককার গ্রাম গুলো কিন্তু এখন আর এরকমটা নেই। আপনার ছবিগুলোতে অনেকখানি গ্রামের প্রশান্তি রয়েছে।
গ্রামে গিয়ে সময় কাটাতে আমার কাছে খুব ভালো লাগে। যাই হোক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
গ্রাম বাংলার অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ হলাম আপু। আসলেই গ্রামীণ পরিবেশ আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। আপনার তোলা সব গুলো ফটোগ্রাফি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
আমার গ্রাম বাংলার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আপনি মুগ্ধ হয়েছেন জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।
গ্রাম বাংলার অপরূপ সুন্দরময় দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করেছেন, দেখতে পেয়ে ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ ফটোগ্রাফি গুলো দেখে গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.