বড় বড় কিছু গাছের ফটোগ্রাফি
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজকে আপনাদের সঙ্গে কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করবো। বিভিন্ন জায়গায় গেলে বিভিন্ন ধরনের জিনিস দেখলে ফটোগ্রাফি করতে ইচ্ছা করে। আগে অবশ্য ফটোগ্রাফি করার তেমন একটা শখ ছিল না। এই ব্লগে জয়েন করার পর থেকে টুকটাক ফটোগ্রাফি করার শখ হয়েছে। আমার মত অনেকেই এই ব্লগে জয়েন করার পর থেকে ফটোগ্রাফি করা শিখেছে হয়তো। যাই হোক আজকে আপনাদের সঙ্গে কিছু গাছের ফটোগ্রাফি শেয়ার করবো। যদিও গাছগুলোর নাম আমার জানা নেই কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে গিয়ে এই বড় বড় গাছগুলো দেখেছিলাম। বিশেষ করে এই গাছগুলো ছেলের স্কুলের ওই দিক থেকে তুলেছিলাম। স্কুলের বাচ্চাকে ক্লাসে দিয়ে ঘুরে সময় কাটানোর চেষ্টা করি। বেশ কিছুদিন আগে অনেক গরম ছিল। যদিও গার্ডিয়ানদের বসার জায়গা রয়েছে। কিন্তু সেখানে এত বেশি লোকজন বসে যে একজনের কথার শব্দে আরেকজনের কথা কিছুই শোনা যায় না। এজন্য আমরা বেশিরভাগ সময় বাইরে বিভিন্ন ধরনের বড় বড় গাছের নিচে বসার চেষ্টা করি। গাছের নিচে বসলে কিছুটা বাতাস পাওয়া যায় এবং গরমও কম লাগে। যখনই এই সুন্দর গাছের নিচে বসেছিলাম তখনই এই ফটোগ্রাফিগুলো করে রেখেছিলাম। সেই সবগুলো ফটোগ্রাফি একসঙ্গে আজকে আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করবো। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
এই বড় বড় গাছ দুটির ছবি তুলেছিলাম পূর্বাচলের ওই দিকে। এটি পূর্বাচলের জয় বাংলা চত্বর। এখানে বেশ কিছু রেস্টুরেন্ট রয়েছে। ওই রেস্টুরেন্টগুলোতে নাস্তা করতে গিয়েছিলাম। তখন নাস্তা খাওয়া শেষ হলে পাশে এরকম গাছের নিচে বসে ছিলাম। গাছের নিচে বেশ খানিকটা জায়গা পাকা করা ছিল। ওই জায়গায় বসে আমরা চা খেয়েছিলাম এবং বেশ কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়েছিলাম। তখন গাছের দিকে তাকানোর সঙ্গে সঙ্গে এতো ভালো লাগছিলো দেখতে যে কি আর বলব। এই গাছগুলো আবার শীতকাল আসলে একদম পাতা ঝরে যায়। তখন আবার অন্যরকম সুন্দর লাগে। এখন যেহেতু বর্ষাকাল এজন্য গাছগুলোতে সবুজ পাতা দিয়ে ভর্তি ছিল।
উপরে যে গাছটি দেখতে পাচ্ছেন এটি স্কুলের ঢোকার পরেই রয়েছে। মাঝে মধ্যে এই গাছের নিচে বসে থাকি। এখানে খুব সুন্দর বাতাস লাগে। যদিও সবসময় এখানে বসতে দিতে চায় না। মাঝেমধ্যে বসতে দেয়। অন্যান্য জায়গা থেকে এই জায়গায় বসলে অনেক বাতাস পাওয়া যায়। এজন্য এই জায়গাটা আবার ফাঁকাও পাওয়া যায় না। সবাই বসে থাকে। এই গাছটি কৃষ্ণচূড়া গাছ। আবার যখন গাছটিতে ফুল ফোটে তখন পুরো গাছ লাল হয়ে থাকে। তখন অসম্ভব সুন্দর লাগে দেখতে। নিচের গাছটি পূর্বাচলের ঐদিকে জলসিরি সেন্ট্রাল পার্কের সামনে থেকে তুলেছিলাম। বকুল ফুল গাছ ছিল। বকুল গাছে যে ফল ধরে তা জানা ছিল না। আর বকুল ফুল গাছের পাতা গুলো কেমন সুন্দর লাগছিল। এরকম পাতা আগে কখনো দেখিনি।
এই গাছগুলোর জলসিরি সেন্টার পার্কের সামনে থেকে তুলেছিলাম। অনেকদিন আগে স্কুলের বাসে করে এইখানে নিয়ে গিয়েছিল আমাদেরকে এখানে চা খাওয়ার জন্য। এই গাছগুলোর নিচে বসেছিলাম। সামনে বিশাল বড় একটি লেক ছিল এবং লেকে অনেক পদ্মফুল ফুটেছিল। অনেক বছর পর এরকম সুন্দর পদ্মফুল দেখলাম। তাছাড়া অনেক বেশি গাছ গাছালি ছিল ওই জায়গাটায়। যার জন্য পরিবেশটাও বেশ ঠান্ডা ছিল। বেশ খানিকটা সময় এখানে কাটিয়েছিলাম আমরা।
যাইহোক এই ছিল আমার আজকের সুন্দর কিছু গাছের ফটোগ্রাফি। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | I phone 15 pro max |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি অর্থনীতিতে অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা,আর্ট করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে এবং ব্লগিং করতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy
প্রকৃতি সবসময়ই সুন্দর! এমন বড় বড় গাছের ছায়ায় বসার সুযোগ আমাদের তো সবসময় হয় না, গ্রামে গেলে হয়। বকুল ফুলের গাছের ফল আমারও আগে দেখার সুযোগ হয় নি। অবাক হয়েছি। আর সবগুলো ছবিই বেশ সুন্দর হয়েছে আপু।
ঠিক বলেছেন আপু এরকম বড় গাছের ছায়ায় বসার সুযোগ সবসময় হয় না। যাই হোক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনার হাতে উঠানো বড় বড় কিছু গাছের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন যা দেখে আমার খুবই ভালো লাগলো। আসলে আমরা " আমার বাংলা ব্লগের " যতগুলো ব্লগার আছি প্রত্যেকেই কোথাও গেলে সেইখানকার সৃতিগুলো সবার মাঝে শেয়ার করার জন্য সুন্দর করে ক্যামেরা বন্দি করে নিয়ে আসি। আপনারই এই ফটোগ্রাফি গুলো তারই বাস্তব প্রমাণ। স্কুলে গিয়ে একটু ঠান্ডা শীতল আবহাওয়ায় বসেও থেকেছেন সাথে সাথে ফটোগ্রাফি করেও নিয়ে এসেছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু আপনার সন্তানের স্কুলের পাশে বড় বড় গাছের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া এখন কোথাও ঘুরতে গেলে সেই স্মৃতি এখানে শেয়ার না করলে ভালো লাগে না। যাই হোক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
খুব ভালো লাগলো আপনার আজকের এই গাছের ফটোগ্রাফি মূলক একটি পোস্টে দেখে। অনেক সুন্দর ভাবে আপনি কিন্তু গাছের ফটোগুলো ক্যাপচার করেছেন। তবে একটা গাছের পাশে পুকুরে রঙিন শাপলা ফুটে রয়েছে এটা যদি একটু ভালোভাবে ক্যাপচার করতেন আরো ভালো লাগতো। সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাইয়া আমার গাছের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য।
অনেকগুলো গাছের ফটোগ্রাফি করেছেন দেখে ভালো লাগলো আপু। শীতকাল আসলে সব গাছের পাতা ঝরে যায় আবার বসন্তকালে নতুন পাতা হয়। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট বিস্তারিতভাবে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
গাছে যখন নতুন পাতা গজায় তখন দেখতে আরো বেশি সুন্দর লাগে। যাই হোক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
বাহ আপনি তো দেখতেছি বেশ কয়েকটি আলাদা আলাদা বড় গাছের ফটোগ্রাফি করলেন। আমার কাছে মাঝেমধ্যে রাস্তায় দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু বড় গাছ দেখলে বেশ ভালো লাগে। আপনার করা এই ফটোগ্রাফি গুলো আলাদাই সুন্দর দেখাচ্ছে। যাই হোক এত সুন্দর কয়েকটি গাছের ছবি দেখতে পেরে অনেক ভালো লাগলো।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া অনেক বড় বড় গাছ দেখলে খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
গাছপালার ফটোগ্রাফি গুলো দেখলে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। আপনি আজকে সুন্দর সুন্দর কিছু গাছের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন। আমাদের এইদিকেও অনেক বড় বড় কিছু গাছ রয়েছে। সেগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
ঢাকা শহরে তো এরকম বড় বড় গাছ খুব একটা দেখা যায় না। যাই হোক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
খুব সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। সবুজ প্রকৃতি অসাধারণ লাগে দেখতে। আপনার ক্যাপচার করার প্রতিটা ফটোগ্রাফি বেশ সুন্দর হয়েছে। ফুল থাকলে আরো বেশি সুন্দর লাগতো দেখতে। ধন্যবাদ আপু দারুন কিছু গাছের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমার তোলা প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম আপু। ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে বড় গাছ দেখতে হলে কিন্তু আপনাকে যশোর রোডে আসতে হবে। অর্থাৎ আমাদের এখানেও কিন্তু যশোর রোড রয়েছে এবং বাংলাদেশে তো যশোর অবশ্যই রয়েছে। আসলে এই রাস্তার পাশে যে মোটা মোটা গাছ রয়েছে তা দেখে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। আসলে এই ধরনের মোটা গাছ এর আগে কোথাও আমি দেখিনি। আপনি খুব সুন্দর ভাবে প্রতিটা ছবি আপনার ফোনের ক্যামেরায় বন্দি করেছেন এবং বর্ণনা খুব সুস্পষ্টভাবে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটা ফটোগ্রাফি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
রাস্তার পাশে বড় বড় গাছ থাকলে রাস্তার সৌন্দর্য আরো বেড়ে যায়। যাই হোক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।