রেনডম ফটোগ্রাফি।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি ভালো আছেন। প্রত্যাশা করি সব সময় যেনো ভালো থাকেন। আজ ৩০শে চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,বসন্তকাল, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ১৪ই এপ্রিল ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ।
১৪৩১ বঙ্গাব্দের শেষ দিন। ৩০ শে চৈত্র। চৈত্র সংক্রান্তি। নানা আয়োজনে পালিত হলো বর্ষ বিদায় অনুষ্ঠান। রাত পোহালেই নতুন সূর্য্য উদয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন বর্ষবরণ-১৪৩২ বঙ্গাব্দ। আমার বাংলা ব্লগের সবাইকে আগাম বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। আশাকরি সবার ভালো কাটবে নতুন বছর।বন্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগের নিয়মিত ব্লগিংয়ে আজ হাজির হয়েছি নতুন আর একটি ব্লগ নিয়ে। প্রতি সপ্তাহে একটি করে ফটোগ্রাফি পোস্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেস্টা করি। তারই ধারাবাহিকতায় আজ একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। বিভিন্ন সময় ও বিভিন্ন জায়গা থেকে তোলা রেনডম ফটোগ্রাফি আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আজকের ফটোগ্রাফিতে ভিন্নতা আছে। আয়োজন করে তোলা নয় একটি ফটোগ্রাফিও। প্রতিটি ফটোগ্রাফি গ্রামে চলার পথেই ধারণ করা। আশাকরি ফটোগ্রাফিগুলো আপনাদের ভালো লাগবে।
প্রথম ফটোগ্রাফি
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠালের এর ফটোগ্রাফিটি করেছি আমার শ্বশুরবাড়ির উঠানের গাছ থেকে। এবার কাঁঠালের ফলন বেশ কম দেখলাম। গত বছর একই গাছে প্রচুর পরিমাণে কাঁঠাল ধরেছিল। কাঁঠালে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়া কাঁচা ও পাঁকা কাঠালে রয়েছে ভিটামিন সি ও ভিটামিন এ । যা আমাদের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
দ্বিতীয় ফটোগ্রাফি
শীতকালীন মৌসুমী ফুলের মধ্যে ডলিয়া অন্যতম একটি ফুল। বড় আকারের ফুলগুলির মধে ডালিয়ার অন্যতম। ডালিয়া বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি শীতকালীন বাগানেই দেখা যায়। ডালিয়ার ১১টি শ্রেণীর আওতায় ৪২টির মতো প্রজাতি রয়েছে। ডালিয়া ফুলের পাপড়ির বিন্যাস এর কারনে ফুলটিকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। ডালিয়া ফুল বিভিন্ন আকারের ও রং এর হয়। যেমন লাল, সাদা, কমলা, বেগুনি, হলুদ, ডিপ গোলাপি ইত্যাদি । এছাড়া এ ধরনের মিশ্র রং এরও হয়।
তৃতীয় ফটোগ্রাফি
এই ফটোগ্রাফিটি আশাকরি সবার পরিচিত। হ্যা এটি হলো বাঁশ ঝাড়ের ফটোগ্রাফি। একটু ভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফিগুলো করতে সব সময় বেশ ভালো লাগে। এই ফটোগ্রাফিটিও করেছি শ্বশুর বাড়ির বাঁশ ঝাড় থেকে। তবে বাঁশের নাম জানি না। এই বাশ দিয়ে সাধারনত খুটি বানাতে ব্যবহার করা হয়।
চতুর্থ ফটোগ্রাফি
এখন চলছে সজনের সিজন। বাড়িতে এসেই দেখলাম সজনে গাছগুলো ভরে গেছে ফুলে। আবার কিছু গাছে সজনে বড় হয়েছে। আমার বেশ প্রিয় সজনে। সজনেতে যেমন রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও মিনারেলস তেম্নই সজনে ফুলেও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন্স ও মিনারেলস। যা আমাদের শরীরের জন্য বেশ উপকারী।এই ফুলে আছে ওষুধি গুণ যা ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে। বিশেষ করে ঠান্ডা লেগে বুক জ্বালা পোড়ার সংক্রমণ হলে সজনে ফুল খেলে উপকার পাওয়া যায় অনেকটাই।
পঞ্চম ফটোগ্রাফি
বর্তমানে ইরি ধানের পাশাপাশি লাগান হয়েছে ভুট্টা। কিছু কিছু ক্ষেতের ভুট্টা বেশ বড় হয়েছে আবার কিছু ক্ষেতে মাত্র ভুট্টার এসেছে। ভুট্টার এই ফটোগ্রাফিটি আমি গ্রামে এসেই করেছি। আর এবারই প্রথম কচি ভুট্টা খেলাম। অন্য রকম একটা স্বাদ কচি ভুট্টার। আমার বেশ ভালো লেগেছে। তবে ভুট্টায় রয়েছে বিভন্ন ধরনের ভিটামিন যা আমাদের চুল ,ত্বক ও চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। সেই সাথে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
পোস্ট বিবরণ
শ্রেনী ফটোগ্রাফি
পোস্ট তৈরি @selina 75
তারিখ ১৪ই এপ্রিল ,২০২৫ ইং
লোকেশন ঢাকা,বাংলাদেশ
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্রগ্রাম শহরে। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
সাথে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ
১৪৩১ বঙ্গাব্দের শেষ দিন। ৩০ শে চৈত্র। চৈত্র সংক্রান্তি। নানা আয়োজনে পালিত হলো বর্ষ বিদায় অনুষ্ঠান। রাত পোহালেই নতুন সূর্য্য উদয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন বর্ষবরণ-১৪৩২ বঙ্গাব্দ। আমার বাংলা ব্লগের সবাইকে আগাম বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। আশাকরি সবার ভালো কাটবে নতুন বছর।বন্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগের নিয়মিত ব্লগিংয়ে আজ হাজির হয়েছি নতুন আর একটি ব্লগ নিয়ে। প্রতি সপ্তাহে একটি করে ফটোগ্রাফি পোস্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেস্টা করি। তারই ধারাবাহিকতায় আজ একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। বিভিন্ন সময় ও বিভিন্ন জায়গা থেকে তোলা রেনডম ফটোগ্রাফি আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আজকের ফটোগ্রাফিতে ভিন্নতা আছে। আয়োজন করে তোলা নয় একটি ফটোগ্রাফিও। প্রতিটি ফটোগ্রাফি গ্রামে চলার পথেই ধারণ করা। আশাকরি ফটোগ্রাফিগুলো আপনাদের ভালো লাগবে।
প্রথম ফটোগ্রাফি
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠালের এর ফটোগ্রাফিটি করেছি আমার শ্বশুরবাড়ির উঠানের গাছ থেকে। এবার কাঁঠালের ফলন বেশ কম দেখলাম। গত বছর একই গাছে প্রচুর পরিমাণে কাঁঠাল ধরেছিল। কাঁঠালে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়া কাঁচা ও পাঁকা কাঠালে রয়েছে ভিটামিন সি ও ভিটামিন এ । যা আমাদের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
দ্বিতীয় ফটোগ্রাফি
শীতকালীন মৌসুমী ফুলের মধ্যে ডলিয়া অন্যতম একটি ফুল। বড় আকারের ফুলগুলির মধে ডালিয়ার অন্যতম। ডালিয়া বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি শীতকালীন বাগানেই দেখা যায়। ডালিয়ার ১১টি শ্রেণীর আওতায় ৪২টির মতো প্রজাতি রয়েছে। ডালিয়া ফুলের পাপড়ির বিন্যাস এর কারনে ফুলটিকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। ডালিয়া ফুল বিভিন্ন আকারের ও রং এর হয়। যেমন লাল, সাদা, কমলা, বেগুনি, হলুদ, ডিপ গোলাপি ইত্যাদি । এছাড়া এ ধরনের মিশ্র রং এরও হয়।
তৃতীয় ফটোগ্রাফি
এই ফটোগ্রাফিটি আশাকরি সবার পরিচিত। হ্যা এটি হলো বাঁশ ঝাড়ের ফটোগ্রাফি। একটু ভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফিগুলো করতে সব সময় বেশ ভালো লাগে। এই ফটোগ্রাফিটিও করেছি শ্বশুর বাড়ির বাঁশ ঝাড় থেকে। তবে বাঁশের নাম জানি না। এই বাশ দিয়ে সাধারনত খুটি বানাতে ব্যবহার করা হয়।
চতুর্থ ফটোগ্রাফি
এখন চলছে সজনের সিজন। বাড়িতে এসেই দেখলাম সজনে গাছগুলো ভরে গেছে ফুলে। আবার কিছু গাছে সজনে বড় হয়েছে। আমার বেশ প্রিয় সজনে। সজনেতে যেমন রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও মিনারেলস তেম্নই সজনে ফুলেও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন্স ও মিনারেলস। যা আমাদের শরীরের জন্য বেশ উপকারী।এই ফুলে আছে ওষুধি গুণ যা ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে। বিশেষ করে ঠান্ডা লেগে বুক জ্বালা পোড়ার সংক্রমণ হলে সজনে ফুল খেলে উপকার পাওয়া যায় অনেকটাই।
পঞ্চম ফটোগ্রাফি
বর্তমানে ইরি ধানের পাশাপাশি লাগান হয়েছে ভুট্টা। কিছু কিছু ক্ষেতের ভুট্টা বেশ বড় হয়েছে আবার কিছু ক্ষেতে মাত্র ভুট্টার এসেছে। ভুট্টার এই ফটোগ্রাফিটি আমি গ্রামে এসেই করেছি। আর এবারই প্রথম কচি ভুট্টা খেলাম। অন্য রকম একটা স্বাদ কচি ভুট্টার। আমার বেশ ভালো লেগেছে। তবে ভুট্টায় রয়েছে বিভন্ন ধরনের ভিটামিন যা আমাদের চুল ,ত্বক ও চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। সেই সাথে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ১৪ই এপ্রিল ,২০২৫ ইং |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্রগ্রাম শহরে। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
টুইট এ পুশ প্রমোশন করেছি।কিন্তু হঠাৎ নেট ওয়ার্ক ইস্যুর জন্য লিঙ্ক ও স্কিন শট ড্রপ করতে পারছি না। পরবর্তিতে করে দিবো ।
link
https://x.com/selina_akh/status/1911422387888832716
https://x.com/selina_akh/status/1911420428645523780
https://x.com/selina_akh/status/1911419673238814766
ওয়াও আজকে আপনি চমৎকার কয়েকটি রেনডম ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। আপনার প্রতিটি ফটোগ্ৰাফি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম আপু। আপনার প্রতিটি ফটোগ্ৰাফি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে, বিশেষ করে আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে ভুট্টার ফুল এবং সজনা ফুলের ফটোগ্রাফিটি। এছাড়া বাঁকি সব ফটোগ্রাফি গুলো বেশ দারুন হয়েছে আপু ধন্যবাদ আপনাকে।
আজকে আপনি সুন্দর কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি করছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বেশ ভালো লাগলো। বিশেষ করে ডালিয়া ফুলের ফটোগ্রাফি এবং ভুট্টা এর ফটোগ্রাফি আমার কাছে বেশি ভালো লাগলো। এবং কাঁঠালের ফটোগ্রাফিও চমৎকার হয়েছে। আর অনেক বাড়িতে এরকম উঠানোর উপর কাঁঠাল গাছ আছে। ফটোগ্রাফি গুলো সুন্দর করে শেয়ার করেছেন তাই ধন্যবাদ আপনাকে।
এই সময়ে এটা একেবারে সাধারণ দৃশ্য যে গাছে কাঁঠাল ধরে আছে। অন্য ফটোগ্রাফি গুলো বেশ দারুণ করেছেন আপু। খুবই সুন্দর লাগছে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো। সবমিলিয়ে চমৎকার ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে।।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
খুবই সুন্দর হয়েছে আপনার আজকের এই ফটোগ্রাফি গুলো৷ যেভাবে আপনি এখানে সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো একের পর শেয়ার করেছেন তা দেখে খুব ভালই লাগছে৷ একই সাথে এখানে এই ফটোগ্রাফি গুলোর মধ্যে আপনি খুবই সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন৷ এর মধ্যে দ্বিতীয় নাম্বারে আপনি যে ডালিয়া ফুলের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন সেটি আমার অনেক পছন্দ হয়েছে৷