ফটোগ্রাফি পোস্টঃ বিভিন্ন ফুলের ফটোগ্রাফি।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি ভালো আছেন।প্রত্যাশা করি সব সময় যেনো ভালো থাকেন। আজ ২৩শে অগ্রহায়ণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,হেমন্তকাল। ৮ই ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ খ্রিষ্টাব্দ । আজ একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
আমার বাংলা ব্লগের নিয়মিত ব্লগিংয়ে আজ হাজির হয়েছি নতুন আর একটি ব্লগ নিয়ে। পোস্টের ভিন্নতা আনার জন্য চেষ্টা করি প্রতি সপ্তাহে একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট শেয়ার করতে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ কয়েকটি ফুলের ফটোগ্রাফি দিয়ে সাজিয়েছি পোস্টটি। ফুলের এই ফটোগ্রাফিগুলো করেছিলাম আমার বান্ধবীর মিরপুর ডি,ও,এইচ এর বাসার ছাঁদ বাগান থেকে। প্রায় ১০০টি টব দিয়ে সাজিয়েছে বাগানটি। দোতলা ছাদের নিচের অংশে বিভিন্ন ফল ও ফুলের গাছ দিয়ে সাজিয়েছে। আর উপরের অংশে বিভিন্ন সব্জির গাছ লাগিয়েছি। কিছুদিন আগে বেড়াতে গিয়ে বিভিন্ন ফুলের ফটোগ্রাফিগুলো করেছিলাম।সেগুলোই আজ শেয়ার করবো। আশাকরি ভালো লাগবে আপনাদের।
প্রথম ফটোগ্রাফি
বাগানবিলাস পুষ্প গুল্মজাতীয় বৃক্ষ। গোলাপী, লাল, হলুদ,সাদা বিভিন্ন রঙের বাগানবিলাস ফুল দেখতে পাওয়া যায়।বান্ধবীর তার ছাঁদ বাগানেও বিভিন্ন ধরনের বাগান বিলাস ফুলের গাছ লাগিয়েছে। তার মধ্য থেকে এই সাদা ফুলের ফটোগ্রাফিটি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আশাকরি ভালো লাগবে আপনাদের।বাগান বিলাস মূলত বিদেশি ফুল। নামের মতোই দেখতেও অনিন্দ্য সুন্দর এই ফুল। পৃথিবী ব্যাপি বাগান বিলাসের ১৮টি পর্যন্ত প্রজাতির সন্ধান মেলে।
দ্বিতীয় ফটোগ্রাফি
ডায়ানথাস ফুল এটি। দু রং এর ফুলটি দেখতে বেশ সুন্দর।এই ফুলের পাতায় অনেকটা নীল-সবুজ আভা রয়েছে।বসন্ত, গ্রীষ্ম এবং শরৎ জুড়ে ফোটে এই ফুল।এই ফুল সুগন্ধি ঘ্রাণের জন্য পরিচিত। এই ফুল বিভিন্ন রং এর দেখা যায়। সেই সাথে এই ফুল ওষুধি গুন সম্পন্ন।
তৃতীয় ফটোগ্রাফি
লাল রং এর কাঁটামুকুটটি সাধারন কাঁটামুকুটের থেকে বেশ বড় ও রংটাও বেশ গাঢ়। তাই দেখতে বেশ সুন্দর লাগছিলো।বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বানিজ্যিক ভবনে সুসজ্জায় এই গাছ এর প্রচুর দেখা যায়।সারা গায়ে কাঁটা ভরা এই গাছটি ধীরে ধীরে বৃক্ষপ্রেমীদের মন কেড়ে নিচ্ছে। ফুল ধরে সারাবছর কাঁটামুকুট গাছে। অনেকেই এই ফুলের গাছকে ক্যাকটাস বলে ভুল করে।কাঁটামুকুট বিরূপ পরিবেশে এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে সক্ষম।এটি বেশ কয়েক রঙের হয়। এর মধ্যে লাল, গোলাপী ও সবুজ রঙের ফুল বেশি দেখা যায়। কমলা ও হলুদ রঙের কাঁটামুকুটও দেখা যায় তবে তা বিরল।
চতুর্থ ফটোগ্রাফি
এই লাল রং এর ফুলটিও দেখতে বেশ সুন্দর। একসাথে অনেকগুলো ফুল ফো্টে বিধায় দেখতে বেশ সুন্দর লাগে। কিন্তু ফুলটির না্ম আমার বান্ধবী বলতে না পারায় আপনাদের সাথে শেয়ার করা সম্ভব হল না। আপনারা কেউ জানলে কমেন্ট করে জানালে খুশি হবো।
পঞ্চম ফটোগ্রাফি
এই ফুলটি হল এ্যারোমিটিক জুঁই ফুল। দেখতে বেশ সুন্দর। গাছ লতানো ধরনের। তাই কোথাও ঝুলিয়ে দিলে দেখতে বেশ সুন্দর লাগে। মিস্টি ঘ্রানের জন্য সারা বিশ্বে এই ফুল বেশ সমাদৃত। আদি নিবাস ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চল ও আফ্রিকার উত্তরাঞ্চল। অ্যারোমেটিক জুঁই ফুলের নামের সাথে জুঁই অংশ থাকলেও বাস্তবে আসল জুঁই/যুথিকার সাথে এর কোনো মিল নেই। যেহেতু এরা আমাদের দেশি গাছ না, তাই বাংলা কোনো নাম এদের নেই। আমাদের দেশে নার্সারী ব্যবসার সাথে যারা জড়িত তারাই এই ফুলের নাম দিয়েছে অ্যারোমেটিক জুঁই। এই নামটাই এখন সবার কাছে পরিচিত হয়ে গিয়েছে।
আশাকরি বান্ধবীর ছাঁদ বাগান থেকে করা আজকের বিভিন্ন ধরনের ফুলের ফটোগ্রাফিগুলো আপনাদের ভালো লেগেছে। আবার দেখা হবে নতুন কোন ব্লগ নিয়ে সেই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন। এই শীতে পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধদের পরি বিশেষ যত্নশীল হোন।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ক্যামেরা | iphone X |
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ৮ই ডিসেম্বর, ২০২৪ ইং |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্রগ্রাম শহরে। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
সাথে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ
Redmi Note A5,
সবকটা ফটোগ্রাফি দেখতে বেশ চমৎকার হয়েছে আপু ৷ বান্ধবীর বাসায় ঘুরতে গিয়ে দারুন সব ফুলের ফটোগ্রাফি করেছেন ৷ ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগলো ৷ প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি অসম্ভব সুন্দর হয়েছে ৷
ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
https://x.com/selina_akh/status/1865802437808083114
আপু আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো। আসলে আপু এই সকল ফুলের তুলনা হয়। ফুল সৌন্দর্যের প্রতীক। তবে এ্যারোমিটিক জুঁই ফুল আমাদের এদিকে তেমন দেখি না বলেই চলে। প্রতিটি ফটোগ্রাফি এর পাশাপাশি সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমিও এ্যারমেটিক জুঁই প্রথম দেখলাম। বেশ সুন্দর দেখতে। ধন্যবাদ আপু।
প্রথমেই বলি আপনি বেশ ভালো একজন ব্লগার হয়ে উঠেছেন। ডাই প্রজেক্টে আপনার বেশ দক্ষতা, তবে আজকে ফটোগ্রাফি দেখে বেশ অবাক হলাম। দারুন তুলেছেন ছবিগুলো।
আপনার বান্ধবীর ছাদ বাগানে দেখছি সুন্দর সুন্দর ফুল গাছ রয়েছে। যাইহোক আপনি দূর্দান্ত ফটোগ্রাফী করেছেন আপু।
আপনাদের দেখে শিখছি ভাইয়া। আর আমি চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ধন্যবাদ ভাইয়া।
ফুলের ফটোগ্রাফি দেখতে পেয়ে অনেক ভালো লাগলো। আপনি খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। এই ফটোগ্রাফির সাথে বর্ণনা পড়ে আরো বেশি ভালো লেগেছে আমার।
আমার চেস্টা আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনি দেখছি আজকে খুবই সুন্দর করে বেশ কয়েকটি ফুলের ফটোগ্রাফী দিয়ে একটি অ্যালবাম সাজিয়েছেন। আপনার শেয়ার করা প্রতিটি ফটোগ্ৰাফী আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। বিশেষ করে আপনার শেয়ার করা এ্যারোমিটিক জুঁই ফুলের ফটোগ্রাফি টি একটু বেশি ভালো লেগেছে। এছাড়াও বাকি সব ফটোগ্রাফী বেশ দারুন হয়েছে আপু।
বেশ সুন্দর এই এ্যারোমেটিক জুঁই ফুলটি। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপু আপনার বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে গিয়ে বেশ চমৎকার কিছু ফুলের ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। ফুলের গাছ গুলো দেখেই বুঝা যাচ্ছে আপনার বান্ধবীর বাসা খুবই পরিপাটি। জুঁই ফুল দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। বাড়ির ছাদ ফুল ফলের গাছ দিয়ে সাজানো থাকলে দেখতে খুব ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপু এত চমৎকার সব ফুলের ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
বান্ধবী আমার বেশ পরিপাটি করে রাখে ছাঁদ বাগানটি। তাই দেখতে বেশ ভালো লাগে। আমার বেশ ভাল লেগেছে জুঁই ফুলের ফটোগ্রাফিটি। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
সাদা রঙের বাগানবিলাস কখনো চোখে পরেনি। এই ফুল গুলো দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে। আপু আপনি অনেক যত্ন সহকারে এই দারুন ফটোগ্রাফি গুলো করেছেন। আর আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে ভালো লাগলো। অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপু।
অনেক রং এর বাগানবিলাস রয়েছে আপু। তবে সাদা বাগানবিলাস ফুল আমারো বেশ ভালো লাগে। আপনার জন্যও অনেক অনেক শুভ কামনা।