ফটোগ্রাফি // কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি নিয়ে একটি অ্যালবাম।।
আস্সালামু আলাইকুম /আদাব 🤝
আমার প্রাণ প্রিয় বন্ধুরা, কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা এবং বিশ্বাস করি আপনারা সবাই আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো ও সুস্থ আছি ।আমি @mahfuzur888, বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগ থেকে আপনাদের সাথে আছি ।
আমার বাংলা ব্লগের প্রাণপ্রিয় বন্ধুরা, প্রতিদিনের মতো আজকে নতুন আরো একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সবার মাঝে। আজকের পোস্টটি সাজিয়েছিলাম কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি নিয়ে। আজকে যদিও একটি ডাই পোস্ট করার ইচ্ছে ছিল কিন্তু হঠাৎ করেই ব্যস্ততার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলাম। তার কারণ হলো আমি গত ১৬ তারিখে যে একটি এয়ারকন্ডিশনার বুকিং করেছিলাম। সেই এয়ারকন্ডিশনটি ২০ তারিখে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোম্পানির কাছ থেকে এয়ারকন্ডিশনার গুলো না পাওয়ার জন্য অন্য আরেকটি এয়ারকন্ডিশন নেওয়ার কথা বলে। আর সেই ঝামেলাটি কাটানোর জন্যই একটু ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। আর তাইতো নিজের ফোন গ্যালারি খুঁজতে খুঁজতে এই ফটোগ্রাফি গুলো বের করে একটি পোস্ট রেডি করলাম। যা এখন আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চলেছি। আমি আশা করি এই ফটোগ্রাফিগুলো দেখার পরে আপনাদের কাছে অনেক ভালো লাগবে। তো বন্ধুরা আর কথা না বাড়িয়ে চলুন তাহলে দেখে নেয়া যাক আমার আজকের রেনডম ফটোগ্রাফিগুলো।
আপনারা এখন যে ফটোগ্রাফিটা দেখতে পাচ্ছেন এটি হচ্ছে আমাদের সংসদ ভবনের একটি ফটোগ্রাফি। আসলে আমি যেদিন এই এয়ারকন্ডিশনার ক্রয় করতে যাই সেদিন সংসদ ভবনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এই ফটোগ্রাফিটা করে রেখেছিলাম। সংসদ ভবনের চতুর্দিকে পানি থাকার জন্য দূর থেকে দেখতে মনে হয় সংসদ ভবন যেন পানির উপরে ভাসছে। আর এই সৌন্দর্য আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্যই ফটোগ্রাফিটি করে রেখেছিলাম ।
আপনারা এখন যে ফটোগ্রাফিটা দেখতে পাচ্ছেন এটি আসলে ছাদ বাগানে একটি টমেটো গাছের ফটোগ্রাফি। টবের মধ্যেও যে এত সুন্দর করে টমেটো ধরতে পারে তা না দেখলে বিশ্বাস হতো না। তাইতো স্মৃতিটা ধরে রাখার জন্য ফটোগ্রাফিটা করে রেখেছিলাম।
আপনারা এখন যে ফটোগ্রাফিটা দেখতে পারছেন এটি হচ্ছে কবুতরের খাবারের ফটোগ্রাফি। আমি ঢাকা আসার পর থেকে মূলত এখান থেকেই আমার কবুতরের জন্য খাবার নিয়ে আমার এলাকায় পাঠিয়ে থাকি। এখানকার কবুতরের খাবার গুলোর গুণগত মান অনেক ভালো এবং দামও অনেকটাই আমার এলাকার থেকে কম। যার ফলে কুরিয়ার সার্ভিস করার পরেও কিছু টাকা লাভে থেকে যায় ।
আপনারা এখন যে ফটোগ্রাফি দেখতে পাচ্ছেন এটি হচ্ছে লেটুস পাতার ফটোগ্রাফি। এই ফটোগ্রাফিটাও আমি করেছিলাম ছাদ বাগান থেকে। একটি টবের মধ্যে লাগানো ছিল এই লেটুস পাতা গুলো। তবে এই লেটুস পাতার গাছ দেখতে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছিল বিধায় ফটোগ্রাফি করে রেখেছিলাম ।
আপনারা এখন যে ফটোগ্রাফিটা দেখতে পারছেন এটি হচ্ছে বাজরিগার পাখির ফটোগ্রাফি। আসলে আমি যেদিন কবুতরের খাবার নিতে গিয়েছিলাম, সেই কবুতরের খাবারের দোকানেই এই বাজরিগার পাখি গুলো ছিল। বাজরিগার পাখিগুলোর কিচিরমিচির শব্দ আমার কাছে অনেক ভালো লাগে তাই তো সেই ভালোলাগা থেকেই ফটোগ্রাফিটা করে রেখেছিলাম। যা এখন আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
আপনারা এখন যে ফুলের ফটোগ্রাফিটা দেখতে পারছেন এই ফটোগ্রাফিটা হচ্ছে আমের ফুলের ফটোগ্রাফি। যদিও এই ফুলের ফটোগ্রাফিটা বেশ কয়দিন আগেই উঠানো ছিল। আর এই আম গাছটি ছিল বারোমাসি আম গাছ। তবে আন সিজনে এরকম বারোমাসি আম গাছের কাঁচা আম দিয়ে জুস খেতে কিন্তু খুবই ভালো লাগে।
আমার প্রত্যেকটা ছবি তোলার লোকেশন এবং ডিভাইসের নামঃ
স্যামসাং গ্যালাক্সি এম ৬২
তো বন্ধুরা আজকের এই ভ্যালেন্টাইনডে তে আপনাদের মাঝে ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগছে। আমার বিশ্বাস এই ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে পেয়ে আপনাদের কাছেও অনেক ভালো লাগবে। তো বন্ধুরা আজকে তাহলে এ পর্য্যন্তই পরবর্তীতে আবারো যে কোন একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হবো সে পর্য্যন্ত পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, এবং নিরাপদে থাকুন আল্লাহ হাফেজ। 💗🙏💗।
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | ফটোগ্রাফি। |
| মডেল | এম ৬২ |
| ক্যাপচার | @mahfuzur888 |
| অবস্থান | রাজশাহী- বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃমাহফুজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে সিরাজগঞ্জ জেলায় বসবাস করি। আমি বাংলাদেশের একজন সুনাগরিক। সর্বদাই নিজেকে দেশের মঙ্গল কামনায় ব্যস্ত রাখি। আমার জন্মভূমিকে আমি মায়ের মতো ভালোবাসি।আমি ভ্রমণ করতে খুবি ভালোবাসি।তাছাড়া ফটোগ্রাফি করতে আমার ভালো লাগে,আর রান্না করা আমার নেশা, এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন কিছু তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। তাই আমি আমার সৃজনশীলতা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে চাই। এই ছিল আমার সংক্ষিপ্ত পরিচয়,ধন্যবাদ সবাইকে।🌹💖🌹।

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
সংসদ ভবনের দিকে ঘুরাঘুরি করতে আমার খুব ভালো লাগে। কয়েক মাস আগে সেখানে ঘুরতে গিয়েছিলাম। যাইহোক সংসদ ভবন এবং বাজরিগার পাখির ফটোগ্রাফি দেখে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। বাজরিগার পাখি আমারও দুটি ছিলো। এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
রেনডম ফটোগ্রাফি নিয়ে একটি অ্যালবাম সাজিয়েছেন দেখে বেশ ভালো লাগলো। আপনার প্রতিটি ফটোগ্ৰাফি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। ফটোগ্ৰাফি করাটা অনেকটা নেশায় পরিনত হয়েছে। আমার বাংলা ব্লগে আসার পর থেকে ফটোগ্রাফি করাটা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে আমের মুকুলের ফটোগ্ৰাফিটি। এছাড়াও বাকি ফটোগ্ৰাফি গুলো বেশ দারুন হয়েছে।
বাজরিগার পাখিগুলো আমার বেশ পছন্দের। রংবেরঙের এই পাখিগুলো দেখতে আসলেই ভালো লাগে। আপনার আজকের ফটোগ্রাফিতে পাখির ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। আমাদের সংসদ ভবনের ফটোগ্রাফি টাও খুব সুন্দরভাবে ক্যাপচার করেছেন। লেটুস পাতার ফটোগ্রাফিও চমৎকার ছিল। মনোমুগ্ধকর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
বেশ সুন্দর কিছু আলোকচিত্র আমাদের মাঝে শেয়ার করলেন। সত্যি আপনার তোলা ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। 1,5 নাম্বার ফটোগ্রাফি বেশি ভালো লেগেছে।আপনাকে অসংখ্যা ধন্যবাদ এতো সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
এলোমেলো ভাবে এরকম সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করলে দেখলেই মুগ্ধ হয়ে যাই। আপনি এত সুন্দর ভাবে ফটোগ্রাফি করেছেন, এটা আমার কাছে অসম্ভব ভালো লেগেছে দেখে। এই ধরনের ফটোগ্রাফি করার জন্য ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। আপনার প্রথম ফটোগ্রাফি টা দেখে আমি রীতিমত মুগ্ধ হলাম। সত্যি এরকম সুন্দর ফটোগ্রাফির প্রশংসা করতেই হয়।
ওয়াও আপনি তো আজকে অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে উপহার দিয়েছেন ভাই। বলতে গেলে সব গুলো ফটোগ্রাফি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। বিশেষ করে প্রথম ও পাখির ফটোগ্রাফি গুলো দারুণ হয়েছে। ফটোগ্রাফির পাশাপাশি সুন্দর বর্ণনা উপস্থাপন করছেন। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
এবারে অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি আপনার কাছ থেকে দেখে খুব ভালো লাগছে৷ এখানে যেভাবে আপনি সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন সেগুলো খুব সুন্দর ভাবে শেয়ার করেছেন৷ একইসাথে এখানে ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার মধ্য দিয়ে আপনার কাছ থেকে এত অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি দেখতে পেলাম৷ এর মধ্যে আপনার দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ খুব ভালোভাবে ঘটিয়েছেন৷ একই সাথে এখানে আপনি পাখির ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন সেটি আমার অনেক পছন্দ হয়েছে৷ কারণ এখানে অনেকগুলো পাখি একসাথে দেখে একেবারে মুগ্ধ হয়ে গেলাম৷
আজকে আপনি চমৎকার কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনার রেনডম ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বেশ ভালো লাগলো। বিশেষ করে বাজরিগার পাখির ফটোগ্রাফিও সংসদ ভবনের ফটোগ্রাফি বেশি ভালো লাগলো। এবং টমেটোর ফটোগ্রাফিও চমৎকার হলো। ফটোগ্রাফি গুলো সুন্দর বর্ণনা দিয়ে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
সংসদ ভবনের ফটোগ্রাফি টা বেশ দারুণ লাগছে। পাখি গুলো দেখতে বেশ সুন্দর। পাশাপাশি অন্য ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ ছিল ভাই। সবমিলিয়ে চমৎকার করেছেন আপনি। ধন্যবাদ আমাদের সাথে ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।