ফটোগ্রাফিঃ গাঁদা ফুলের সৌন্দর্যের সাথে আবু রায়হান
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে সোমবার ,৬ জানুয়ারি ২০২৫
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা করি ভালোই আছেন। আপনাদের মাঝে আজকে আমি আবারও একটা নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। ফুল ভালোবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না। ছোট থেকে বড় সকলেই ফুলকে অনেক বেশি পছন্দ করে। তেমনি আর একটা জিনিস আমি লক্ষ্য করে দেখলাম গতকালে। আপনারা সকলেই জানেন যে আপনাদের ভাইয়াদের স্কুলে অনেক বেশি ফুল গাছ লাগানো হয় প্রতি বছরে। এ বছরে ও তারা ফুলের বাগানটাকে ফুলে ফুলে রঙিন করে ফেলেছে। গতকালকে আপনাদের ভাইয়া আমাকে এবং আবু রায়হানকে নিয়ে তাদের স্কুলে গিয়েছিল। আমি লক্ষ্য করে দেখলাম আবু রায়হান দূর থেকেই ফুল গুলোর সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছে তাই আপনাদের ভাইয়াকে বললাম তাকে ফুলের বাগানের মধ্যে নিয়ে যেতে। আমরা অন্যান্য সময়ে লক্ষ্য করে দেখেছি যে ছোট ছেলে মেয়েদের সামনে কোন কিছু দিলে তারা সেগুলো ছিড়তে শুরু করে কিন্তু গতকালকে তার বিপরীত চিত্র লক্ষ্য করলাম। আবু রায়হানকে নিয়ে যখন আপনাদের ভাইয়া ফুলবাগানের মধ্যে প্রবেশ করল আবু রায়হান ফুল না ছেড়ে ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে শুরু করলো।
আবু রায়হানের ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করা দেখে আমার কাছে খুবই ভালো লাগলো আর সেই সময় আমি কিছু ফটোগ্রাফি ধারণ করে নিলাম আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনারা একটু যদি ভালোভাবে লক্ষ্য করেন তাহলে দেখতে পাবেন আবু রায়হান ফুলের বাগানের মধ্যে কত সুন্দর করে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছে। এত বেশি পরিমাণে গাঁদা ফুল একত্রিতভাবে কোথাও লক্ষ্য করা যায় না। আপনাদের ভাইয়াদের এই স্কুলের ফুলবাগান দেখলে যেন মনে হবে এটা একটা পার্ক অথবা নার্সারি।
আমরা স্কুলে অনেক সময় ছিলাম আর আবু রায়হান অনেক সময় ফুলের বাগানে বসে বসে ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছিল এবং ফুলের গায়ে হাত লাগা ছিল। যদিও সে ফুলের গায়ে হাত লাগা ছিল কিন্তু কোন ভাবেই সে ফুল ছেড়েছিল না। ফুলের বাগান থেকে বের হয়ে আসার সময় আমি লক্ষ্য করে দেখলাম আপনাদের ভাইয়া আবু রায়হানের হাতে একটা ফুল ছেড়ে দিল। সে খুবই যত্ন সহকারে সেই ফুলটাকে নিজের হাতে করে ধরে বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। ছোটদের ফুলের প্রতি ভালোবাসার এই চিত্রটি দেখে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আর এই জন্যই এই বিষয়টা আপনাদের মাঝে আজকে আমি পোষ্টের মাধ্যমে শেয়ার করলাম। আমার শেয়ার করা এই পোস্টটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে সেটা কমেন্ট করে জানাবেন। আজকে এ পর্যন্তই পরবর্তী দিনে আপনাদের মাঝে নতুন কোন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হবার চেষ্টা করব।
| ডিভাইস | walton orbit y21 |
|---|---|
| লোকেশন | https://w3w.co/stepladder.midweek.abacus |
আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আবু রায়হান ,সুন্দর গাঁদা ফুলের বাগানে গিয়ে খুব সুন্দর সময় উপভোগ করেছে। ফটোগ্রাফিতে দেখে বেশ ভালো লাগছে। প্রত্যেকটা ফুলের সৌন্দর্য সত্যি চমৎকার ছিল। অনেক ফুল ফুটেছে দেখছি। সুন্দর মুহূর্তগুলো এবং ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আমিও প্রথম দেখেছিলাম যখন আমার ভীষণ ভালো লাগছিল আপু।
অনেক ভালো লাগলো আপনার বাবুর সুন্দর খেলাধুলার মুহূর্তটা দেখে। বেশ সুন্দরভাবে ফুলের মধ্যে বসে রয়েছে। ফুলগুলো অতি চমৎকার। এত সুন্দর ফুলের ফটোগ্রাফি দেখানোর জন্য ধন্যবাদ।
আবু রায়হান ফুল গুলো দেখে একদম নিচে নেমে ফুলগুলোর পাশে সুন্দর করে বসে পড়ল। যেটা দেখে আমার খুবই ভালো লাগছিল ভাইয়া।
ভাইয়ার স্কুলে দেখছি অনেক ফুল গাছ লাগানো হয়েছে। আপনি এবং আবু রায়হান সেখানে গিয়েছিলেন। ফুলগুলো তো দেখতে খুব সুন্দর লাগছে। শীতের সময় গাঁদা ফুল হয়ে থাকে। গাঁদা ফুলের সৌন্দর্য আসলেই অনেক। আবু রায়হান দেখছি ফুলের বাগানের মধ্যে বেশ ভালো সময় উপভোগ করেছে। সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বেশ ভালো লাগলো আপু।
জি আপু। আমিও যখন প্রথম ফুল গুলো দেখছিলাম আমার কাছে অত্যান্ত ভালো লাগছিল। তাই আবু রায়হানের সাথে কিছু ফটোগ্রাফি ধারণ করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
ফুলগুলো দেখে তো আমারই অনেক ভালো লাগছে আপু। বাবু অনেক খুশি হয়েছিল বোঝা যাচ্ছে ফটোগ্রাফি গুলো দেখে।সত্যি কথা বলতে ফুল ভালোবাসে না এমন মানুষ পাওয়া যাবে না। সেটা ছোট থেকে বড় সবাই। ছেলেকে খুবই কিউট লাগছে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য।
একদম ঠিক ধরেছেন আপু আবু রায়হান অনেক খুশি হয়েছিল ফুল গুলো দেখে।
শীতকালে চমৎকার সব গাঁদা ফুল ফোটে। এবং ভাইয়ার স্কুলের মত নানান জায়গাত এই দুই রংয়ের গাঁদা ফুলের চারা দিয়ে সাজানো হয়। ফলে যখন ফুল ফোটে তখন দূর থেকে বা সামনে থেকে দারুন দেখাচ্ছে। পুঁচকে বাবু কিন্তু বেশ উপভোগ করেছে।
শীতকালে বেশিরভাগ সময়ই এই ফুলগুলো বেশি দেখা যায়। ধন্যবাদ আপু।
আসলে এখানে আমি কিন্তু দুটি ফুল দেখতে পাচ্ছি। একটি হলো গাঁদা ফুল এবং অন্যটি হলো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। আসলে প্রত্যেকটি বাচ্চা কিন্তু ফুলের মত পবিত্র। এছাড়াও আপনি আমাদের মাঝে দারুণ দারুণ ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। এত সুন্দর গাঁদা ফুলের বাগানের ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বাহ ভাইয়া আপনি খুবই সুন্দর মতামত প্রকাশ করেছেন ধন্যবাদ।
দেখতে দেখতে আবু রায়হান হাটা শিখে গেছে। স্কুলের গাদা ফুলের বাগানে দারুন সময় অতিবাহিত করেছে। আবু রায়হান ফুল ছিড়ে হাতে নিয়ে ধরে রেখেছে। খুবই সুন্দর লাগছে। ধন্যবাদ।