পুরাতন অ্যালবাম থেকে কিছু ফটোগ্রাফি।।
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
মানুষের জীবনে একটু গুরুত্বপূর্ণ মূহূর্ত থাকে। যে সময় টা মানুষ মনে রাখতে চাই না। কারণ এটা শুধু তাকে ক্রমাগত যন্ত্রণা দিয়ে গিয়েছে। মানুষের উচিত তো সময় টা ভুলে যাওয়া। কিন্তু সেটা সে পারে না। বরং ঐ সময় টা আরও বেশি করে মনে রাখে সে। আরও বেশি করে অনূভব করে। আমরা আমাদের সুখের মূহূর্ত গুলো সহজে ভুলে গেলেও দুঃখের মূহূর্ত গুলো একেবারেই ভুলতে পারি না। এটা আমাদের একটা অভ্যাস। যাইহোক আবার আমি আপনাদের সাথে আমার পুরাতন অ্যালবাম থেকে কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করে নেব। আশাকরি আপনাদের বেশ ভালো লাগবে।
- সময় টা সম্ভবত ২০২৪ এর ডিসেম্বর হবে। শীতের শুরু হয়ে গেলেও কয়েকদিন ধরেই বৃষ্টি হচ্ছিল। আমি তখন টিউশনিতে যেতাম প্রতিদিন বিকেলে। বিকেলের সময় টা হেঁটেই চলে যেতাম আর কী। তো একদিন মেঘাচ্ছন্ন অবস্থায় যাওয়ার সময় এই ফটোগ্রাফি টা আমি করেছিলাম। এ যেন ভয়ংকর সুন্দর একটা পরিবেশ। দেখলেই একটা শিহরণ তৈরি হয়।
- এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে থেকে। এই ফটোগ্রাফি টা প্রায় দুই বছর আগে ধারণ করা। ঘুরতে গিয়ে তুলেছিলাম। ভেতরে জনসাধারণের প্রবেশ একেবারেই নিষেধ। এই জন্য বাইরে থেকেই দৃশ্য টা দেখা লাগে আর কী।
- এটা হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন আসতেন কুষ্টিয়ার শিলাইদহের এই কুঠিবাড়িতেই থাকতেন। উনি এখানে বসে অনেক উল্লেখযোগ্য গান কবিতা লিখেছেন। এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করা প্রায় তিন বছর আগে। জায়গাটা বেশ সুন্দর। আগে প্রায়ই যেতাম।
- ২০২১ সালের কথা। শীতের সময় চলছিল। তখন প্রতিদিন বেশ সকালে উঠে হাঁটতে যেতাম। হাঁটা শেষ করে চা খেয়ে বাসায় ফিরতাম। সকালের মিষ্টি রোদে লেবু চা আহ এর মতো সুন্দর ব্যাপার আর হয় না। এই ফটোগ্রাফি টা ঐসময়ই ধারণ করেছিলাম আমি।
- শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল আমার বেশ পছন্দের। কুয়াশা এমন হবে চারিদিকে কিছু চোখে দেখা যাবে না। অর্থাৎ একটা ভূতুড়ে পরিবেশ থাকবে চারিদিকে। এই কুয়াশাচ্ছন্ন ফটোগ্রাফি টা ধারণ করা আমার এলাকা থেকে। যদিও এমন কুয়াশার দেখা এইবছর আমি একেবারেই পাইনি।
- আমার সবচাইতে পছন্দের ঋতু হচ্ছে বর্ষাকাল। সারাদিন ধরে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হয় যেটা আমার কাছে বেশ চমৎকার লাগে। এক বর্ষাকালের এইরকমই এক বৃষ্টিমূখর দিনে আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম। তখনও আকাশে মেঘ ছিল এবং ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হচ্ছিলো।
- আমার সবচাইতে প্রিয় খেলা ফুটবল। বলতে হয় ফুটবল এখন আমার লাইফের একটা পার্ট। আমার একটা নির্দিষ্ট সময় ফুটবল দেখে ফুটবলের নিউজ দেখেই আমার সময় কাটে। এই ফটোগ্রাফি টা আমি ধারণ করেছিলাম ২০২১ সালের এক বিকেলে। মেঘলা দিনে ফুটবল খেলতে গিয়েই এই ফটোগ্রাফি টা করেছিলাম আমি।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।
https://x.com/Emon423/status/1928375218323493038?t=0bKZ-i-QwaYoJ8NePRrGJw&s=19
https://x.com/Emon423/status/1928375391607259177?t=Z23a1PejQlbjUNieDzWduQ&s=19
https://x.com/Emon423/status/1928375504840610078?t=XY3b9Ch45SSlBXQbUl8GMQ&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
পুরাতন অ্যালবাম সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপনি। প্রতিটি ফটোগ্রাফি সুন্দর ছিল। বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি এবং কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল। এই ফটোগ্রাফি আমার কাছে বেশ ভালই লেগেছে ধন্যবাদ এত সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ওয়াও আপনি পুরাতন এ্যালবাম থেকে দারুন দারুন কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।আপনার তোলা প্রতিটা ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে ভাইয়া।ফটোগ্রাফি গুলো যেমন সুন্দর হয়েছে ঠিক তেমনি সুন্দর বর্ণনা উপস্থাপন করছেন। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
সব সময় আপনি কোয়ালিটি ফুল ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করেন। আজকে আপনার এই ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে অনেক ভালো লাগলো। প্রথম ফটোগ্রাফি গুলো দুর্দান্তভাবে ক্যাপচার করলেন। তাছাড়া প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফির বর্ণনাও খুব সুন্দর করে আমাদের মাঝে ধাপে ধাপে শেয়ার করলেন। ভালো লাগলো আপনার ফটোগ্রাফি পোস্ট।
আপনি দেখতে পুরাতন অ্যালবাম থেকে খুব চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। তবে আপনার এক একটা ফটোগ্রাফি কিন্তু আমার কাছে অসম্ভব খারাপ লাগলো। করে বিশেষ করে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি বেশি ভালো লাগলো। যদিও এই ফটোগ্রাফিটি আপনি তিন বছর আগে করেছেন। তাই ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করেছেন তাই ধন্যবাদ আপনাকে।