পুরাতন অ্যালবাম থেকে কিছু ফটোগ্রাফি!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
প্রকৃতি বরাবরই বেশ রহস্যময়। প্রকৃতি জিনিসটা আমার কাছে বরাবরই বেশ ভালো লাগে। প্রকৃতি জিনিসটা বেশ রহস্যময়। কখনও কখনও এমন সুন্দর দৃশ্যপট ধারণ করে যে আপনি অবাক হয়ে সেটা অবলোকন করতে থাকেন। আবার কখনও কখনও সেটা এমন ভয়ংকর রুপ ধারণ করবে যে আপনি সেটা দেখে ভয় পেয়ে যাবেন। এটাই মূলত পুরো গল্পটা। যাইহোক আজ আমি এইরকমই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে।
- আমাদের এলাকায় বেশ কিছু বড় পুকুর আছে যেগুলো সিড়ি বাঁধানো। তার মধ্যে এইটা একটা। যখন আমি মোটামুটি সাঁতার শিখে গেছি তখন এই পুকুর টা অনেক বার এপার ওপার করেছি। এক বিকেলে এই ফটোগ্রাফি টা আমি ধারণ করেছিলাম। আকাশের সাথে যেন পানির সেই অপরুপ সৃষ্টি গাছপালা মিশে গিয়েছে।
- এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করা কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশন থেকে। তখন কলেজ শেষ করে নিয়মিত চলে যেতাম কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে। লক্ষ্য লোকাল ট্রেন টা ধরতে হবে। একদিন স্টেশনে গিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে এমন সুন্দর দৃশ্য দেখে বেশ ভালো লেগে যায়। ঐসময় আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম।
- এই ফুলটার নাম আমার এখন খেয়াল নেই। তবে এই ফুলটা বেশ সহজলভ্য। মোটামুটি সব জায়গাই দেখা যায়। ২০২২ সালের কথা। আমার কলেজের একাডেমিক ভবনের দুপাশ দিয়ে এই ফুল ছিল। একদিন বৃষ্টির পরে আমি এই ফুলগুলোর ফটোগ্রাফি ধারণ করেছিলাম। বেশ সুন্দর লাগছিল দেখে।
- ২০২২ সালের ঈদের দিনের দৃশ্য এটা। বলতে গেলে বলতে হয় ঈদের সকালে নামাজের দৃশ্য। ঈদের নামাজ শেষ করে ইমাম সাহেব তখন খুতবা দিচ্ছে। ঐসময় সবাই খুতবা শুনছিল। এমন দিন বছরে একটা বা দুইটা আসে। ঐসময় আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম।
- ২০২২ সালের ঈদের দিন সকালের কথা। ঈদের দিন ঘুম থেকে উঠি বেশ ভোরে। সূর্যের প্রথম কিরণ তখন পৃথিবীতে সবেমাএ এসে পড়েছে। ঐসময় আমি হাঁটছি। তখন পর্যাপ্ত আলোতে এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম। প্রকৃতির এক অনন্য সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে এখানে। শুধু আলো না গাছপালা প্রকৃতি সবকিছুই যেন উৎফুল্ল।
- ২০২২ সালেরই কথা। এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করা আমার এলাকার ঈদগাহ ময়দান থেকে। ঈদ উপলক্ষে তখন ঈদগাহ সাজানোর কাজ চলছে। মোটামুটি রঙিন পতাকা দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে। এবং বাকি কাজ চলমান। ঐসময় আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম।
- মাঠের একপ্রান্তে আমি দাঁড়িয়ে। যতদূর চোখ যায় কোন কিছু দেখা যায় না। যদিও এখানে দেখা যাচ্ছে। এক দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ। এবং অসাধারণ সেই সৌন্দর্য। এমনটা হলে যে কারো চোখ আটকে যাবে। সৌন্দর্যের এমন দৃশ্য আমার গ্রামে প্রায়ই দেখা যেত। এখনও দেখা যায় তবে আমি দেখতে পারি না। যাইহোক ঐসময় আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম।।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
পুরাতন অ্যালবাম থেকে কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন।পুরনো ছবিগুলো মানেই এক একটা জীবন্ত স্মৃতি! আপনার ছবিগুলো দেখে নিজের শৈশব বা অতীতের কথা মনে পড়ে গেল।ছবিগুলো শুধু দৃশ্য না, সময়ের অনুভবও—আপনার এই শেয়ার করা মুহূর্তগুলো সত্যিই মন ছুঁয়ে গেল।এমন স্মৃতিময় ছবি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। প্রতিটি ফ্রেম যেন একটা গল্প বলছে।
আজকে আপনি পুরাতন অ্যালবাম থেকে চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনি কিন্তু সব সময় অসাধারণ ফটোগ্রাফি করেন। সত্যি বলতে আপনার সবগুলো ফটোগ্রাফি চমৎকার হয়েছে। আর এই ধরনের ফটোগ্রাফি গুলো দেখলে বারবার দেখতে মন চায়। এবং ফটোগ্রাফি গুলো সুন্দর বর্ণনা দিয়ে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন।
বাহ আপনি তো আজকে দারুন দারুন কিছু এলোমেলো ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।আপনার তোলা বরাবরই ফটোগ্রাফি গুলো আমার অনেক ভালো লাগে।ফটোগ্রাফি গুলো যেমন হয়েছে ঠিক তেমনি সুন্দর বর্ণনা উপস্থাপন করছেন।ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।