গল্পঃ "মা" (ষষ্ঠ পর্ব)
নমস্কার,
| তোমরা সবাই কেমন আছো? আশা করি সবাই অনেক অনেক ভাল আছো । সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে আমিও অনেক ভাল আছি। আজ তোমাদের সাথে পূর্বের শেয়ার করা একটি গল্পের ষষ্ঠতম পর্ব শেয়ার করব । গল্পটির নাম হল "মা"। |
|---|
কম্পাউন্ডার তখনি নাম কেটে দিল। বলল, “হাতুড়ে ডাক্তার দেখাও।” তখন তপুর বাবা কোন কিছু আর না বলে এক প্রকার জোর করেই ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার তখন রোগীকে আনতে বললেন। ডাক্তার অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শেষে বললেন আপনার স্ত্রীর কতদিন এরকম হয়েছে? দীপঙ্কর
তখন জানালো প্রায় ৪/৫ মাস বিছানায় শোয়া থাকে। ভালো করে খেতে পারে না।
ডাক্তার পুনরায় আবার জিজ্ঞেস করল আগে কোন ডাক্তার দেখিয়েছেন? এতটাকা পাব কোথায়? এতবড় ডাক্তার আগে দেখাতে পারিনি দীপঙ্কর জানালো। ডাক্তার আর কিছু বলল না। শুধু বলল, আপনাদের আর কে আছে? দীপঙ্কর বলল একটা ছেলে। ডাক্তার বলল রোগী বাড়ি নিয়ে যান। আপনার ১০০ টাকাও নিয়ে যান। যদি পারেন আপনি সন্ধ্যার পরে একবার আসবেন।
চিন্তার চিতায় পুড়তে পুড়তে তারা বাড়ি এলো। এসে দেখে তপুর স্কুলের এক ঘনিষ্ট বন্ধু বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। তপুর বাবা তাকে ডাক দিল। সে এসে দেখে তপুর মা খুব অসুস্থ। তাড়াতাড়ি রিক্সা থেকে ধরে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিল। কাকির কি হয়েছে? তপুর বন্ধু রামু জিজ্ঞাসা করল। দীপঙ্কর বলল, গত রাতে তপু বাড়ি থেকে কোথায় গেছে, আর ফিরে আসেনি। তারপর থেকে তোমার কাকি অসুস্থ। ডাক্তার সন্ধ্যার সময় একবার যেতে বলেছে। কি রোগ হয়েছে তা আমাকে বলেনি। রামু বলল তপু বাড়ি এলে বলবেন আগামী কাল বৃত্তি পরীক্ষার রেজাল্ট দেবে। আমি ভাবছিলাম খবরটা ওকে জানিয়ে যাবো।
তপু ..ও তপু, বাবা, স্কুলের সময় হয়ে গেছে তাড়াতাড়ি ওঠ- বাবা। তপুর মা প্রচন্ড জ্বরের ঘোরে তপু তপু বলে বারবার ডাকছে। দীপঙ্কর অনেক সান্ত্বনা দিতে লাগল। কিন্তু কিছু হলো না। তার পরদিনও তপুর খোঁজ পেল না। ডাক্তারের রিপোর্ট দীপঙ্কর একাই জেনে এসেছিল। কাউকে বলেনি। তার স্ত্রী মরণ পথযাত্রী।
চলবে...
ভাইয়া আপনার গল্পটার আগের পর্ব গুলোনঅবশ্যই আমার পড়া হয়নি। তবে আজকের পর্ব পরে যতটা বুঝতে পারলাম দীপঙ্করে স্ত্রী মরণ যাত্রী। আর তপুর খোঁজ না পাওয়ায় দীপঙ্করকে একাই সব রিপোর্ট আনতে হয়েছে। দেখা যাক পরবর্তী পর্বে কি হয় ধন্যবাদ।
আপু যদি সম্ভব হয় পূর্বের পর্বগুলোও পড়ে দেখবেন তাহলে গল্পটা খুব ভালোভাবে বুঝতে পারবেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
এই গল্পের আগের পর্ব গুলো পড়া হয়নি ভাই। তবে এই পর্ব পড়ে খুব ভালো লাগলো। আসলে পৃথিবীতে মায়ের মতো আপন আর কেউ নেই। এতোটা অসুস্থ হওয়ার পরও তপুর মা তপুর জন্য অস্থির হয়ে আছে। বারবার তপু তপু বলে ডাকছে। তবে তপুর মা মৃত্যু পথযাত্রী,এটা জেনে খুব খারাপ লাগলো। গল্পটি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
সময় পেলে এই গল্পের আগের পর্ব গুলোও পড়ে দেখবেন ভাই। আশা করি ভালো লাগবে। পরবর্তী পর্ব খুব শীঘ্রই আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আর বেশি অপেক্ষা করতে হবে না।
সময় করে আগের পর্ব গুলো পড়ে নিব ভাই। সুন্দর ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।