নারী উদ্যোক্তা মেলায় ঘুরাঘুরি ও খাওয়া দাওয়া
হ্যালো,
বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? নিশ্চয়ই ভালো আছেন। আমার বাংলা ব্লগ এর সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আজ আমি আমার আজকের ব্লগটি শুরু করছি।আপনারা অনেকেই জানেন গত সপ্তাহে আমি গাইবান্ধায় আমার বাবার বাসায় গিয়েছিলাম।সেখান থেকে সন্ধ্যাবেলা গাইবান্ধা পৌর পার্কে বেড়াতে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি নারী উদ্যোক্তা মেলা-২০২২ তিন দিন ব্যাপী শুরু হয়েছে। সেখানকার কিছু মূহুর্ত আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
মফস্বল শহরে এরকম মেলা খুব কমই দেখা যায়। আমি আগে থেকে মেলার কথা জানতাম না। সন্ধ্যা বেলায় এমনি পার্কে বেড়াতে গিয়ে দেখি মেলা শুরু হয়েছে তো দেখে খুব ভালই লাগলো। খুব আগ্রহ নিয়ে ভিতরে গেলাম। আমি যেদিন গিয়েছি সেদিন প্রথম দিন ছিল তাই আয়োজন একটু কমই ছিল।আমার মেয়ে তো দেখে অনেক খুশি হয়েছে। বাচ্চারা তো এরকম মেলা দেখলে অনেক বেশি আনন্দ পায়।
এখানে তারা স্টল দিয়েছিল বিশেষ করে যেসব নারীরা অনলাইনে ব্যবসা করে তারা। এতে করে অনেক ধরনের স্টল বসেছিল।প্রথমে দেশি ঢেঁকি ছাটা চালের একটি স্টল ছিল। তারপর শাড়ি দেশীয় শাড়ি, চাদর। তারপর রান্না নানা জিনিসপত্র, মালাই চায়ের দোকান,কেক এর স্টল বেশ ভালোই লাগছিল। আমি কিছু ঢেঁকি ছাটা চাল নিয়েছি।সবগুলো স্টল ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম।
যারা স্টল দিয়েছিল তাদের মধ্যে অনেকেই আবার আমার পরিচিত। আর কেউ বড় বোন কেউ স্কুল কলেজের ছোট বোন। এরকম অনেকেই পরিচিত ছিল। তাদের সাথে দেখা হয়ে বেশ ভালই লাগছিল। অনেকদিন পর তাদেরকে দেখলাম। অনেকেই নিজে স্বাবলম্বী হয়েছে নিজেকে নিজের মতো করে স্বাধীন ভাবপ বাঁচতে শিখেছে।
অন্য স্টল গুলোর চেয়ে খাবারের স্টল গুলোতে বেশি ভিড় ছিল। বিশেষ করে মালাই চায়ের দোকানে বেশ ভালই লেগেছিল মালাই চা।আর আমার মেয়ে হাওয়াই মিঠাই নিয়ে মহা খুশি। সে অনেক টা সময় পার্কের দোলনা,স্লিপার এ খেলাধুলা করে একদম ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।তাই ভাবলাম ওকে ভারী কিছু খাওয়ানো দরকার।
আমার মেয়েকে খাওয়ানোর জন্য আর আমাদের নিজেদেরও একটু ক্ষুধা পেয়েছিল এজন্য পার্কের পাশে বিসমিল্লাহ চিকেন কর্নার নামে একটা দোকানে গিয়েছিলাম।এই দোকানের চিকেন এর আইটেমগুলো আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছিল। বিশেষ করে অনেকদিন পর মনে হচ্ছিল আমি মনের মতন খাবার খাচ্ছি। এই দোকানে এর আগেও আমি গিয়েছিলাম। সেটি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। এই দোকানের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় একটি খাবার হচ্ছে চিকেন কাটিং ফ্রাই।
এজন্য আমরা চিকেন কাটিং ফ্রাই আর পুরি অর্ডার করেছিলাম।খাবারের অর্ডার দিয়ে আমরা খাবারের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আর জাহিরার বাবা অফিসের নানা কথা বলায় ব্যস্ত ফোনে।আর আমরা মা মেয়ে সেলফি তুলছিলাম।কিছুক্ষনের মধ্যে গরম গরম খাবার চলে এসেছিল। আর আমরাও দেরি না করে খাবার খাওয়া শুরু করেছিলাম।
এই দোকানের সালাদ টা অনেক মজার। একটু ঝাল ঝাল আমার মনে হয় স্বাদটা মুখে লেগে আছে।খাওয়া শেষে আমার মেয়ে আবার পার্সেল করে নিয়েছে কিছু খাবার।
খাওয়া দাওয়া শেষে আমরা বাড়ির দিকে রওনা হয়েছিলাম।
@tipu curate
Upvoted 👌 (Mana: 6/7) Get profit votes with @tipU :)
সুন্দর ছিল আপনার মুহুর্তটা।পৌরপার্কে আমিও বেশ কয়েকবার গিয়েছিলাম,বিকেলবেলা সময় কাটানোর একটা উপযুক্ত জায়গা।পুকুরের মাছগুলোকে মুড়ি খাইয়েছিলাম বেশ অনেকগুলো😁।
শুভ কামনা রইলো😊
আপনিও পৌর পার্কে গিয়েছিলেন জেনে খুশি হলাম। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
পার্কে ঘুরতে গিয়ে মেলা দেখতে পেলেন জেনে কিন্তু ভালই লাগলো। একেবারে দুটো কাজ হয়ে গেল। নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে এই মেলাটি ভালই লেগেছে আমার। মামনিকে দেখে কিন্তু মনে হচ্ছে সে বেশ খুশি। হাওয়াই মিঠাই পেলে বাচ্চারা সত্যি অনেক খুশি হয়। এছাড়া সে খেলাধুলা করেছে তাই তো খুশির পরিমাণ আরো বেড়ে গেছে। আর মা মেয়ে মিলে সেলফি তুলেছেন দেখে ভালো লাগলো। মামনির বাবাকে কিন্তু বেশ ব্যস্ত মনে হচ্ছে। লোভনীয় খাবার গুলোর ছবি সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন দেখেই তো খেতে ইচ্ছে করছে আপু। আমাদের মামনির জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো।
ঠিক বলেছেন আপু মেয়ে খুশি আর বাবা ব্যস্ত।আপনার মন্তব্য টি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে আপু।ভালো থাকবেন।
আগে জানলে আমিও মেলায় যেতাম।অনেক ধরনের ব্যবসায়িক আইডিয়া পাওয়া যায় মেলায়। মেলা গুলো নতুন অনেক অনেক নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহ যোগায়। অনেক ভাল সময় কাটিয়েছেন পুরো ফ্যামিলি সহ। ধন্যবাদ সুন্দর মুহুর্ত গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
সত্যিই মফস্বলে এধরনের মেলা সহজে দেখা যায় না। বেশ কিছু ভালো স্টল এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের পসরা সাজিয়ে নিয়ে বসেছে দেখলাম। আপনার মেয়ে তো ভীষণ খুশি হয়েছে দেখলাম। সবশেষে ভালোই খাওয়া দাওয়া করলেন দেখলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু চমৎকার সময়টি আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য 🥀
এখন প্রায়ই জায়গায় এই ধরনের মেলার আয়োজন করা হয়। এতে করে নারী উদ্যোক্তারা লাভবান হচ্ছে সেই সাথে সাধারণ মানুষ মেলায় ঘুরে ঘুরে জিনিসপত্র কিনে আনন্দ উপভোগ করছে। মেলার ঘুরতে খুবই ভালো লাগে বিভিন্ন দোকান ঘুরে ঘুরে জিনিস কেনার মধ্যে অনেক ভালোলাগা কাজ করে। যাক আপনি পার্কে ঘুরতে গিয়ে মেলার সন্ধান পেয়ে গেলেন একসাথে দুই কাজ হয়ে গেলো। জাহিরা বেবি ও ভাইয়া সহ আপনি বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছেন তা দেখে বোঝা যাচ্ছে। বিসমিল্লাহ দোকানের চিকেনের গল্প শুনেছি কিন্তু কখনো খাওয়া হয়নি,এবার গাইবান্ধা গেলে খেয়ে দেখবো। ভাবি সুন্দর মুহুর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মফস্বল শহরে নারী উদ্যোক্তা মেলায় ঘুরাঘুরি ও খাওয়া দাওয়া নিয়ে খুব সুন্দর একটি মুহূর্ত অতিক্রম করেছেন। প্রথম ছবি গুলো একটু ঝাপসা ঝাপসা হলেও শেষের ছবি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। আপনার মেয়েটা অনেক কিউট। ধন্যবাদ আপু।