মনসা পূজা
হ্যালো,
পূজার জন্য প্রতিমা আগের দিনে সোলার তৈরি হতো। সোলা হচ্ছে একটি জলজ উদ্ভিদ এলাকা ভিত্তিক আলাদা, আলাদা নাম থাকতে পারে।বিয়ের মুকুট ও না কি বানানো হয় এটি দিয়ে। এখনকার দিনে সেই সোলা খুব কম পাওয়া যায় জন্য এই সোলার ব্যাবহার অল্প করা হয়। কাগজও সোলার মিশ্রিনে তৈরি করা হয় প্রতিমার পট।অনেক জাগ্রত আমাদের বাড়ির মনসা।আমরা খুব মানি এই মনসা মা কে।দুধ কলা,ফল,পায়েস,লুচি,পূজার প্রসাদ হিসেবে দেয়া হয়।মনসা পূজার প্রধান প্রসাদ হচ্ছে দুধও কলা।
পূজায় অনেক রকম ফুলের ব্যাবহার হয় এবং পদ্নফুলকে প্রধান্য দেয়া হয় বেশি। মনসা দেবীর আর এক নাম পদ্মাবতী। পদ্মফুল না পাওয়া গেলে স্থলপদ্ম দিয়েই পূজা করা হয়ে থাকে।
ছোট বেলার মনসা পূজায় খুব আনন্দ হতো কারণ সব আত্নীয়রা আসতো।আমার পিশাত বোনেরা আসতো ওদের সাথে খেলাধুলা ও রাত জেগে পদ্মপুরাণ শোনা হইতো, এখন আর সেই আমেজ নেই কারণ অনেক বড়ো হয়ে গেছি।এখন পূজার আয়োজন প্রসাদ বিতরণ নিয়ে ব্যাস্ততায় সময় কেটে যায়।পূজা শেষ একালার সবার মাঝে খিচুড়ি ও পূজার প্রসাদ বিতরণ হয়।এগুলো ভোগের প্রসাদ।আর ভোগের প্রসাদের স্বাদ অমৃত সমতুল্য হয়ে থাকে।
ভোগের প্রসাদ ছারাও আলাদা করে খিচুড়ি লাবড়া রান্না করা হয়ে থালে। লাবড়া হচ্ছে অনেক প্রকার সবজি দিয়ে তৈরী সবজি তরকারি এটাকে আমরা লাবড়াও বলে থাকি।এই লাবড়াও খিচুড়ি খুব সুস্বাদু হয় পূজার পর এলাকার সবাই খায় এবং বাড়িতেও নিয়ে যায়।
সবাই এই পূজা উপলক্ষে আসে এবং উপোস থাকে, পূজা শেষ প্রসাদ নিয়ে তারা পরিবারের জন্য প্রসাদ নিয়ে চলে যায় আর তাই ভোগের প্রসাধ ছারাও আলাদা করে রান্না করা হয় খিচুড়ি ও লাবড়া,সাথে চিপ্স।রান্না করে কলাপাতা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।
এভাবেই মনসা পূজার দিনটি কেটে যায় ব্যাস্ততার মাঝে সাথে ক্লান্তি পর দিন সকাল বেলা ঠাকুর কে জলে বিসর্জন দিয়ে দেয় আমাদের পুকুরে ভেলায় করে।পূজার দিনে অনেক ব্যাস্ততাও ক্লান্তি থাকলেও আলাদা একটা আমেজ থাকে খুব ভালো কাটে দিনটি। আজ এই পর্যন্তই সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুনও নিরাপদে থাকুন।টাটা
| পোস্ট | বিবরণ |
|---|---|
| পোস্ট | ফটোগ্রাফি |
| ডিভাইস | Oppo A95 |
| লোকেশন | গাইবান্ধা |
আমি হৈমন্তী দত্ত। আমার স্টিমিট আইডিরঃshapladatta. জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। শখঃবাগান করাও নিরবে গান শোনা,শপিং করা। ভালো লাগে নীল দিগন্তে কিংবা জোস্না স্নাত খোলা আকাশের নিচে বসে থাকতে।কেউ কটূক্তি করলে হাসি মুখে উড়িয়ে দেই গায়ে মাখি না।পিছু লোকে কিছু বলে এই কথাটি বিশ্বাস করি ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি।বিপদকে ও অসুস্থতার সাথে মোকাবেলা করার সাহস রাখি সহজে ভেঙ্গে পরি না। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করি আর মনে প্রাণে বিশ্বাস করি পর হিংসা আপন ক্ষয়। ধন্যবাদ ।
আপনাদের মত এইভাবে কখনো পুজো দেখা সরাসরি আমার হয়নি। কিন্তু আমার এক ফ্রেন্ডের বাড়িতে গেলে তার মা পুজো করতো আমি প্রায় দেখতাম। ফ্রেন্ডের মাকেও দেখেছিলাম এই মনসা পুজো করতে। কিন্তু অনেক বছর আগে আপনার বাবার কারণে আপনার দিদু এই পুজো শুরু করেছে জেনে অনেক ভালো লাগলো। আপনারাও এখনো আপনার দিদু বেঁচে না থাকার পরেও এই পুজো করেন দেখে বুঝতে পারলাম তাকে অনেক সম্মান করেন। সবারই ইচ্ছা আছে নিজের ধর্মকে অনেক সম্মান করার। আর আমি সবার ধর্মকে অনেক সম্মান করি। আপনার পোস্টটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো।
আপু সব ধর্মের প্রতি সন্মান করেন জেনে খুব ভালো লাগলো।আসলে সত্যি আমরা সবাই আমাদের তাই সবার সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা আছে আর ভবিষ্যতে ও থাকবে।আমারও অনেক বন্ধু ও বান্ধবী আছে যারা আমাদের ধর্মকে সন্মান করে আমিও তাদের ধর্মকে সন্মান করি।সুন্দর কমেন্ট করেছেন আপু ধন্যবাদ আপনাকে।