ভালোবাসা ভালোবাসে শুধুই তাকে, ভালোবেসে ভালবাসায় বেঁধে যে রাখে।
আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা। কেমন আছেন সবাই। মার্কেটের এই অতি খারাপ সময়ে আপনাদের জন্য কষ্টই হয়ে যাচ্ছে বুঝতে পারতেছি। আমরা তো ধৈর্য ধারণ করতে বলা ছাড়া আর তেমন কিছু বলতে পারতেছি না। তবে ধৈর্য ধরলে ধৈর্যের ফল মিষ্টি হবে, এটা লিখে রাখুন।
যাহোক আমি আজকে অন্য একটা ব্যাপারে আপনাদের সাথে আলোচনা করব। আমার আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে ভালোবাসা। ভালোবাসার ধরন অনেক। জগতে অনেক রকমের ভালোবাসা আছে। ভালোবাসা সে যে রকমেরই হোক, একটা সহজ সূত্র আছে। আপন, যে রক্তের বাঁধন তাদের বিষয়টা আলাদা হতে পারে। তবে জগতে আপনি একজনের থেকে ভালোবাসা পেতে আশা করলে আপনাকে ভালোবাসা দিতে জানতে হবে। ভালোবাসা দিতে না পারলে ভালোবাসা আশা করাটা বোকামি। তবে কিছু ক্ষেত্রে মানুষ একাকী ভালোবেসে যায়, এটাও সত্য। এ ধরনের ভালোবাসা সত্যিই অনেক জটিল।
শত্রুকেও আপনি বন্ধু বানাতে পারেন যদি আপনি ভালোবাসা দিয়ে তার কাছে যেতে পারেন। শত্রুতা কখনোই শত্রুতা দিয়ে দমন করা সম্ভব নয়। যুগে যুগে বহু ইতিহাস রচিত হয়েছে, সেখানে দেখবেন শত্রুতা দিয়ে কখনোই কোন সুখকর সমাধান পাওয়া যায়নি। শত্রুকে বন্ধু বানাতে হলে তার খারাপ দিকগুলো অবশ্যই ভুলে যেতে হবে। আর ভালো দিকগুলো সব সময় স্মরণে রাখতে হবে। তাহলে কমফোর্ট জোনে থেকেই বন্ধু বানানো সম্ভব। তবে মানুষের ক্ষেত্রে আসলে ব্যাপারগুলো অতটাও সহজ নয়। ক্ষেত্র ভেদে পরিবেশ বিভিন্ন রকম হতে পারে। তবে ইম্পরট্যান্ট থিংক ইজ, নিজের মানসিকতাকে সব সময় পবিত্র রাখতে হবে।
image source & credit: copyright & royalty free PIXABAY
পশু নিয়ে একটি উদাহরণ দেই। একটি বিড়ালের কাছে যাবেন,যে বেড়ালটি আপনাকে কখনো দেখেনি। প্রথমে আপনাকে দেখলে হয়তো ভয় পাবে, ঘাবড়ে যাবে। ভয় পেয়ে দৌড়ে পালাবে। আপনি যদি বিড়ালটিকে দেখে লাঠি তুলে ধরেন তাহলে আপনার কাছে বিড়ালটি কখনো আসতে চাইবে না। কিন্তু আপনি সেটি না করে যদি ঠিক উল্টোটা করেন- বিড়ালটাকে ভালবাসেন, ডেকে আদর করে খাবার খাওয়ান, তাহলে দেখবেন আপনার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু হতে সে হাজির হয়ে যাবে। প্রাণীগুলো এমনই। একটি কুকুরকেও ভালবাসলে তার জন্য জান দিয়ে দিতে পারে।
আসলে ভালোবাসা দিয়ে অনেক কিছুই অর্জন করা সম্ভব। আপনি একটি রমণীকে ভালবাসলেন। সামাজিক স্ট্যাটাসে আপনি তার কাছে কিছুই নন। কিন্তু ভালোবাসা যদি কখনো প্রদর্শনের সুযোগ পান, আর সেটা যদি তাকে বুঝাতে পারেন তাহলে দেখবেন সেই আকাশের চাঁদটিও আপনার জন্য জান দিয়ে দিতে পারবে। তবে কিছু কুৎসিত মানসিকতার মানুষদের থেকে আবার এসব আশা করাটা সত্যিই জটিল ব্যাপার। তবে ভালোবাসার অবশ্যই মূল্য আছে । তবে এটা যে বুঝতে পারে সেই ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য। তবে শুরুটা একজনকে করতে হবে। ভালোবাসা দিতে পারতে হবে। পরিশেষে ভালোবাসার প্রাপ্তি ও ঘটবে।
image source & credit: copyright & royalty free PIXABAY
জানেন তো, ভালোবাসা আর সম্মান মোটামুটি একই ঝরনার ধারা। ভালোবাসা দিয়ে যেমন ভালোবাসা অর্জন করা সম্ভব, ঠিক তেমনি সম্মান করতে পারলেই সম্মান পাওয়া যায়। ভালোবাসার এই আলোচনার মধ্যে সম্মানের ব্যাপারটি আনলাম শুধুমাত্র আমার পাঠকদের একটা ছোট্ট মেসেজ দেওয়ার জন্য। যে সম্মান পাওয়ার যোগ্য তাকে অবশ্যই সম্মান করা উচিত। হিংসা প্রদর্শন করবেন না কখনোই। সম্মান দিয়ে সম্মান বাড়াবেন, হিংসা দিয়ে বন্ধুও হারাবেন। খেয়াল করবেন একজন সম্মানীয় ব্যক্তি সবসময়ই সম্মানিত ব্যক্তিদের সম্মান দিয়ে কথা বলে। এতে তার সম্মান নষ্ট হয় না। বরঞ্চ সম্মান বাড়ে।
যাইহোক, খিচুড়ি মার্কা আলোচনা নিয়ে একটি পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। হেহেহে।। যা মন চায় তাই লিখতে ভাল্লাগে। তবে আজকে আর লিখব না। এখনো অনেক কাজ বাকি আছে, কাজগুলো করে ঘুমোতে যেতে হবে। প্রতিদিনই চাই সকাল সকাল ঘুমোতে কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর হয়ে ওঠে না। আচ্ছা আমি তাহলে এখন যাচ্ছি। সকল প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার জন্য। আল্লাহ্ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আপনার খিচুড়ি মার্কা আলোচনা আমার খুবই ভলো লেগেছে।একেবারেই বাস্তব কথা।অনেক ভালো লাগল লেখাগুলো পড়ে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ফ্রি ডক্টর আপু। 🤭
খিচুড়ি মার্কা কথা লিখছেন যে, তাহলে এখন খিচুড়ি খাওয়াতে হবে,তা না হলে জরিমানা হবে😂😂।চাঁদকে তো ছোটবেলা থেকেই ভালোবাসি,আজও অব্দি চাঁদ আমার জন্য কিছুই করলো না😜😜।যাই হোক
তবে কি ভাই য়া জানেন কিছু মানুষ ভালোবাসা কিংবা সম্মান কোনটারই যোগ্য না।কুকুর বিড়াল কে ভালোবাসলে ঠিকই তারা প্রতিদান দেয় মানুষ দেয় না। তবে কিছু কিছু ব্যাতিক্রম। তবে হ্যা ভালোবাসা দিয়ে যা অর্জন করা যায় তা শএুতা দিয়ে হয় না।ধন্যবাদ
একদম ঠিক বলেছেন আপু।
কিন্তু একটি বিষয় কিন্তু আবার ভুলও বলেছেন ।সেটা হচ্ছে আপনি চাঁদকে ভালবাসেন কিন্তু সেটা পাননি।
ভেবে দেখুন আপনি কিন্তু পেয়েছেন। আমার কিন্তু মনে আছে সেই বৃষ্টির দিনের ঘটনা।
কাল রাতে আমি খেয়েছি। 😂
ভাইয়া কথা কিন্তু সত্যিই ভালবাসা দিয়ে শত্রুকেও বন্ধু বানানো যায়।কিন্তু আমরা করি তার উল্টোটা।আর সম্মান কাউকে করলে সত্যি সম্মান পাওয়া যায়। আর যারা সত্যিই সম্মানীয় ব্যক্তি তারা সবাইকে ঠিক তেমনটাই সম্মান করে কথা বলে।অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া,ব্লগটি শেয়ার করার জন্য।
ভালোবাসা নিয়ে অত্যন্ত সবলের কিছু আলোচনা করলেন। কিন্তু ভাইয়া আজকাল ভালবাসার রং পরিবর্তন হয়ে গেছে। প্রকৃত ভালোবাসা মানুষ পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। চারদিকে শুধু স্বার্থ আর স্বার্থ লীলা খেলা। মানুষ আজ দিশেহারা। শুধুমাত্র এতোটুকু ভালোবাসার জন্য। একতরফা ভালোবাসা তো অনেক কষ্টের। শুধু শত্রুকে ভালবাসলে তো হবে না, দেখা যাবে শত্রুকে ভালবাসতে গিয়ে আবার দ্বিতীয়বার বাঁশ খেতে হল। হাহাহাহাহা
লেখাগুলো তো বেশি ভালো লিখেছেন সুমন ভাই। তবে এখন আমার কাছে মনে হয় সবাই ভালোবাসতে জানে না, আবার সবাই ভালোবাসা ধরে রাখতেও পারে না। ভালোবাসা থিম টা গোলক ধাঁধার মত লাগে আমার কাছে। আমার চিন্তা ধারা অনেক দিক থেকেই পাল্টে গেছে। পশুকে ভালোবাসলেও তার একটা প্রতিদান সে দেবেই কিন্তু মানুষকে ভালবাসলে যে ভালোও বাসতে পারে , আবার পিঠে ছুরিও বসিয়ে দিতে পারে। তবে এত কিছু পরেও পৃথিবীতে সত্যিকারের ভালোবাসা বলতে অবশ্যই কিছু তো আছেই। অনেক ভাগ্য করে হয়তো সেটা পাওয়া যায়, তাকে ধরে রাখা যায়।
আপনি একদম ঠিক কথাই বলেছেন ভাই।শুধু ভালবাসি-ভালবাসি করলাম কিন্তু যাকে ভালোবাসি তাকে সমাজের সম্মান দিলাম না, তাকে শ্রদ্ধা করলাম না,তাহলে সেই ভালোবাসা সত্যিই কোন মূল্য নেই।যাকে ভালবাসব তাকে অবশ্যই সম্মান,শ্রদ্ধা সবটাই করব।এদিকে বলছি তাকে ভালোবাসি কিন্তু সমস্ত হিংসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তার সাথেই চলছে, সেটা মোটেই কোন ভালোবাসা নয়। আপনি একটা পশুকে ভালবাসবেন, দেখবেন সে আপনাকে তার পরিবর্তে ভালোবাসাই দিচ্ছে।আপনি যদি ছোট থেকে একটা সিংহের বাচ্চা বা একটা বাঘের বাচ্চা কে বড় করেন সে কিন্তু বড় হয়ে আপনাকে খাবেনা। কিন্তু মানুষের মধ্যে এই সম্ভবনা ভীষণ।যাকে আজ ভালো করছেন, যাকে আজ পাগলের মত ভালবাসছেন, সেও হয়তো পেছনে ছুরি চালাতে পারে। তাই ভালোবাসার জন্য আগেই নিজেকে উজাড় না করে দিয়ে বরং ভালো করে সামনের মানুষটাকে চেনা উচিত।