লাইফস্টাইঃ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করার চেস্টা।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
কেমন আছেন সবাই? আশাকরি ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। প্রত্যাশা করি সবাই সবসময় ভালো থাকেন,নিরাপদে থাকেন। আজ ২৬শে ফাল্গুন বসন্তকাল,১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ১১ই মার্চ, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ।
বেশ কিছুদিন আগে আমার আমার বাংলা ব্লগ কর্তৃক "ফসলের মাঠে কৃষকের হাসি" শিরোনামে একটি ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় । তখন আমি ঢাকায় চলে এসেছি। বাড়িতে থাকাকালীন প্রতিযোগিতার এনাউন্সমেন্ট করলে বেশ ভালোভাবে অংশ গ্রহন করতে পারতাম। যদিও গ্রামের কিছু ফসলের মাঠের ফটোগ্রাফি করা ছিল। কিন্তু পর্যাপ্ত ছিলো না। তাই আর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করা হয়নি। যদিও আমি চেস্টা করি। প্রতিটি প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করার। আমার ভালো লাগে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করতে। তা পুরস্কার পাই আর না পাই।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়ায় যখন আরও এক সপ্তাহ সময় বৃদ্ধি করল। তখন সিদ্ধান্ত নিলাম প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করবো। কিন্তু ঢাকা শহরে ফসলের মাঠ পাব কোথায়। ভাবতে মনে পরে গেলো আমার বাসার পাশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। সেখানে বিশার এলাকা জুড়ে বিভিন্ন ফসলের চাষ করা হয় গবেষনামূলকভাবে। যদিও রোজা চলে এসেছে তাই ঢাকার বাহিরে যাওয়ার ইচ্ছে হলো না। তাই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলাম ফটোগ্রাফি করতে।
কৃষিবিশ্ববিদ্যালে পৌছে খালি মাঠ দেখে আমি হতাশ। সকল মাঠ খালি পরে আছে। কিছু মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে বিজ বুনবে বলে। যদিও কিছু জায়গায় দু'এক ধরনের সব্জি ও ফসল রয়েছে। কিন্তু ফটোগ্রাফি করার মতো কোন কিছুই পেলাম না।বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে সাথে কিছু ফটোগ্রাফি করলাম। আপনারদের সাথে শেয়ার করবো বলে। আমার আশা কিভাবে ভেঙ্গে গেলো তা শেয়ার করবো বলে । তাই হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে এলাম সেই দিন। আসলে ইট কাঠ পাথরের শহরে ফসলের মাঠ পাওয়া বেশ কঠিন। যদিও আগে কিছু কিছু জায়গা ছিল।যেখানে ধান চাষ হতো। সেই সকল জায়গাও দখল করে নিয়েছি বিভিন্ন ডেভেলোপার কোম্পানীগুলো। তাদের ব্যবসার জন্য। শহরের ক্রমবর্ধমান জনগনের আবাসনের ব্যবস্থা করার জন্য। তাই আর কোন ফটোগ্রাফি করা হলো না প্রতিযোগিতার জন্য। আর সম্ভবও হলো না প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করা।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | লাইফস্টাইল |
|---|---|
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ১১ই মার্চ, ২০২৫ ইং |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্টগ্রাম শহরে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/selina_akh/status/1899491209208553896
এত কষ্ট করে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েও কাঙ্ক্ষিত ফটোগ্রাফি করতে পারলেন না। আপনার ফটোগ্রাফিতে দেখলাম কৃষি মাঠ মরুভূমি হয়ে গেছে। কৃষি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ও তেমন কোন কৃষি দেখতে পেলাম না। যায়হোক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য চেষ্টা করেছেন। ধন্যবাদ।
গিয়েছিলাম ফটোগ্রাফি করতে আর ব্যর্থ হয়ে ফিরে এলাম।
কি একটা অবস্থা আপু! আসলেই ইট পাথরের এই বসবাসের অযোগ্য শহরে শুধুই যান্ত্রিকতা! তাছাড়া এখন রমজান মাসে তো অনেক ভার্সিটি বন্ধই হয়ে গিয়েছে, সেকারণেও হতে পারে আগে আগেই যা ছিলো সেসব তুলে নিয়েছে বা সেকারণেই মনমতো ছবি পান নি। এছাড়া ঢাকা শহরে তো আর সুযোগ ও নেই কৃষকের মুখের হাসির ছবি তোলার!
জি আপু। শহরে কি ফসলের ফটোগ্রাফি করা যায়? তবুও চেস্টা করেছিলাম।
প্রথমে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ নেয়ার জন্য আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। যারা চাষের জমিতে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছে তাদের ছবিগুলো অনন্য হয়েছে তবে আপনি যে চেষ্টা করেছেন এটাই দারুন বিষয়। তবে কৃষিবিদ্যালয় চাষাবাদ না হয়ে জমি ফাঁকা পড়ে রয়েছে তা দেখেও যেমন খারাপ লাগলো তেমনি ভাবতেও ভালো লাগছে না। আসলে আমি তো ভাবে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় মানে সেখানে চাষবাস তো থাকবেই।।
আমিও তাই ভেবেই গিয়াছিল। কিন্তু হতাশ হয়ে বাসায় ফিরে এলাম।