লাইফ স্টাইল // নিজেদের ধান মাড়াই করার অনুভূতি
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০৫-০১-২০২৫)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি লাইফ স্টাইল // নিজেদের ধান মাড়াই করার অনুভূতি। আসলে আজকে সকালবেলা থেকেই বেশ ব্যস্ত সময় পার করছি। বেশ কিছুদিন হলো শরীরটা ভালো নেই তাও চেষ্টা করছি আমি আমার জায়গা থেকে আপনাদের সাথে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে রোদে বসে ছিলাম। হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে সকালের নাস্তা খেয়েছি। তারপরে বেশ কিছু সময় পাড়ার ছেলেদের সাথে বাড়ির পাশেই বসে আড্ডা দিয়েছিলাম। দুপুরবেলায় বাড়িতে এসে গোসল শেষ করে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে বাবা মায়ের সাথে গল্পে মেতে উঠেছিলাম। আমার শরীর খারাপ এ বিষয় নিয়ে বেশ কিছু কথা হয়েছিল সেখানে। তারপরে আমি আবারও রুমে চলে আসলাম তখনই বসে গেলাম পোস্ট লেখার জন্য। তবে চলুন আজকের পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করা যাক.......
আমি আজকে আপনাদের মাঝে যে পোস্টটি শেয়ার করতে যাচ্ছি বেশ কিছুদিন আগের একটি ঘটনা। আসলে আমাদের প্রত্যেক বছর মাঠে বিভিন্ন ধরনের ফসল আবাদ করে থাকে। সেই জায়গা থেকে প্রত্যেক বছরের ন্যায় এবারেও ধান চাষ করেছিল। এবার আমাদের মাঠে প্রায় দুই বিঘার উপরে ধান ছিল। যেহেতু আমার আব্বু বাড়িতে থাকে না তাই এগুলো দেখাশোনা টুকটাক আমাকে করা লাগে এবং আমাদের বাড়িতে একটা লোক আছে সব সময় তিনি আমাদের বাড়িতেই থাকেন তাকে মাসিক বেতন দিয়ে রাখা হয়। তিনি সহ আরো কয়েকজন মানুষ নিয়ে আমাদের ধানগুলো দুইদিন ধরে কাটা হয়েছিল। আসলে আমাদের এলাকায় জন পাওয়া যায় না বললেই চলে খুবই কষ্ট করে তিনজন দেখেছিলাম আমরা ধান কাটার জন্য। দুইদিন ধান কাটার পরে দুইদিন ধানগুলো মাঠে রোদে শুকানো হয়েছিল। তারপরে ধানগুলো বেঁধে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছিল। ধানগুলো বাড়িতে নিয়ে আসার পরে আবারও সেই ধানগুলো ঝাড়ার জন্য মানুষ দেখা হয়েছিল। সত্যি ধানের আবাদ খুবই কষ্টকর যখন ধানগুলো কেটে ঘরে তোলা হয় তখন। কিন্তু ধান যখন ঘরে উঠে যায় কৃষকের মুখে তখন হাসি ফোটে এটা সত্যি আমি বেশ কিছু বার লক্ষ্য করেছি আমার নিজেদের বেলায়।
এবার আপনারা উপরে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি আবারও আপনাদের মাঝে চমৎকারভাবে দুটি ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরা বন্দি করে শেয়ার করেছি। পরের দিন সকাল বেলায় ধান ঝাড়ার জন্য আমাদের বাড়িতে তিনজন মানুষ দেখা হয়েছিল এবং মেশিন দেখা হয়েছিল। সকাল বেলায় উঠে ধান গুলো ঝাড়া শুরু করেছিল। তখন আমি খুবই সুন্দর ভাবে আমার মোবাইলের ক্যামেরাবন্দি করে রেখেছিলাম সেই সকল দৃশ্যগুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বলে। ধান ঝাড়ার পরে আমরা মাটিতে যেখানে ফেলে রেখেছিলাম সেখানে নিচে একটি নেট বিছিয়ে রেখেছিলাম যাতে ধানগুলো মাটিতে না পড়ে। এবং ধানগুলো ঝাড়ার পরে বিচিলি একদিকে রেখেছিলাম। এবং বিচিলি গুলো অনেক সুন্দর ভাবে বেঁধে রেখেছিলাম গরু এবং ছাগলে খাবে বলে। আমাদের বাড়িতে প্রত্যেক বছর অনেক বড় বড় গরু পালন করা হয়। আসলে এখন বর্তমান সময়ে বিচিলির অনেক দাম বিচিলি কিনে যদি গরু খাওয়ানো যায় তাহলে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না বললেই চলে। তাই আমি মনে করি গরু পালন করতে হলে প্রথমত নিজেদের জমিতে ধান চাষ করতে হবে এবং সেখান থেকে খড়গুলো নিজের মতো করে সংরক্ষণ করে রাখতে হবে তাহলে সম্ভব গরু পালন করে লাভবান হওয়া।
এবার আপনার উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন ধানগুলো মাড়াই করার পরে ধানের মধ্যে অনেক খড় এসেছিল। খড়গুলো খুবই সুন্দর ভাবে আমরা প্রত্যেকেই হাতে হাতে পরিষ্কার করে এক জায়গায় রেখেছিলাম। আমি তখন পরিষ্কার করার সময় অনেক সুন্দর ভাবে খড় গুলোর ছবি তুলে রেখেছিলাম। আসলে এই খড়গুলো যদি গরুকে দেওয়া যায় বেশ ভাল খায়। এভাবে সেদিন প্রায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আমরা সকলেই পরিশ্রম করেছিলাম । আসলে যেদিন ধান মাড়াই করা হয় সেদিন সত্যি বাড়ির সকলের অনেক পরিশ্রম হয়। তবে ধানগুলো হয় বলে আমরা সারা বছর নিশ্চিন্তে দুমুঠো খেতে পারি। আসলে চাউল কিনে খাওয়া সত্যি অনেক ব্যয়বহুল খরচ সেজন্য চেষ্টা করি মাঠের জমিতে যেকোনো ধরনের ফসল আবাদ করে খাওয়ার জন্য। আশা করি আজকের লেখা পোস্ট আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানা কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি ক্যামেরাবন্দি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করা এবং ফটোগ্রাফি ধারণ করা। আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে যাত্রা শুরু করেছি ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসের ০১ তারিখে । স্টিমিট প্ল্যাটফর্মকে আঁকড়ে ধরে ভবিষ্যতে আরো অনেক দূরে এগিয়ে যেতে চাই এটাই আমার লক্ষ্য। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://x.com/kibreay001/status/1875875872735175092?t=_5vOa81q4ZBV0Lw735ODhA&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আসলে প্রতি আপনাদের মতোই আমরা ও এরকম মেশিনের সাহায্যে ধান মাড়াই করে থাকি। আসলে কৃষি খাতে প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে প্রযুক্তি কিছু টা সহজ হয়ে গিয়েছে। আপনারা দেখছি মেশিনের সাহায্যে খুবই সুন্দর করে ধান মাড়াই করেছেন, দেখে বেশ ভালো লাগলো আমার কাছে। মেশিনের সাহায্যে ধান মাড়াই করতে বেশ সুবিধাজনক।
গ্রাম অঞ্চলে বসবাস করার কারণে এ ধরনের পরিস্থিতির সাথে আমাদের সব সময়ে নিজেদেরকে সংযুক্ত করতে হয়। আপনি নিজেদের ধান মাড়াই এর কাজে সময় অতিবাহিত করেছেন এটা দেখে ভালো লাগলো। আধুনিক পদ্ধতিতে ধান মাড়াই করার কারণে এখন মানুষের কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে গিয়েছে।
আপনাদের ধান মাড়াই করার মুহূর্তগুলো খুব সুন্দর ভাবে ক্যামেরাবন্দি করেছেন। আর সেই মুহূর্তের অনুভূতিগুলো বর্ণনার সাথে উপস্থাপন করে আমাদের জানার সুযোগ করে দিয়েছেন। আধুনিক যন্ত্রপাতির কারণে এখন ধান মাড়াই করা অনেকটা সহজ। একটা সময় মানুষে বেরেলে বাড়িয়ে ধান মাড়াই করতো।
শুনেছি নিজেদের ক্ষেতের ধানের ভাত খাওয়ার মজাই আলাদা। অনেক সুন্দর ঘ্রাণ আসে সেই চাল থেকে। যাইহোক ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুব ভালো লাগলো ভাই। ধান মাড়াই করার অনুভূতি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।