লাইফ স্টাইল :- চা খেতে যাওয়ার মুহূর্ত।
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি। আমি আজকে একটি লেখার পোস্ট এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে অথবা কোথাও ঘুরতে গেলে ওইসব বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখতে অনেক ভালো লাগে। বেশিরভাগ সুন্দর মুহূর্ত গুলোর পোস্ট পড়তে এবং লিখতে অনেক ভালো লাগে। সব সময় চেষ্টা করি আমার সুন্দর মুহূর্তের অনুভূতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ঘুরতে গেলে নিজে মনটাও ফ্রেশ থাকে। তাই সবসময় চেষ্টা করি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার হাসিখুশির মুহূর্তটা আপনাদের মাঝেও শেয়ার করার জন্য। আশা করি আপনাদেরও পোস্টটি অনেক ভালো লাগবে।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব চা খেতে যাওয়ার মুহূর্ত। রমজানের ঈদের পর আমরা সবাই সন্ধ্যার পর খাওয়া-দাওয়া করার জন্য বাইরে গেলাম। মূলত ওই সময় আমাদের সবার প্রিয় মাকসুদা আপু এসেছিল আমাদের ফেনী জেলাতে। এবং আপু আসার কারণে আমরা সবাই একত্রিত হলাম। এই কারণে সন্ধ্যার পর আমরা ঠিক করলাম সবাই মিলে বাহিরে খাওয়া-দাওয়া করব। এবং সবাই রাজি হয়েছে খাওয়া-দাওয়া কি কি করবে। আর ঈদের পরের দিন কারণে সব রেস্টুরেন্টে জামিলা অনেক ছিল কাস্টমারের। প্রথমে আমরা চলে গেলাম মালাই চা খাওয়ার জন্য। ওইখানে গিয়ে দেখি অনেক কাস্টমার দোকানের ভিতর এবং বাহির অপেক্ষা করতেছে। আমরা ওইখানে আধাঘন্টা অপেক্ষা করলাম টেবিল খালি হলে বসার জন্য।
তবে ওই সময় দেখলাম টেবিলগুলো খালি হলে সাথে সাথে অন্য লোক এসে বসে। এরপর আমরা তাদের সাথে কথা বললাম বসার জায়গা নিয়ে। রেস্টুরেন্ট লোক গুলো বলতেছে এই জায়গাগুলো আগের থেকে বুকিং করা আছে। আপনারা এক ঘণ্টার মধ্যে এইখানে বসার জায়গা পাবেন না। কারণ এই লোকগুলো খাওয়া-দাওয়া করলে এদের পিছনে আরো তিন চার গ্রুপ আছে তারা বসবে নাস্তা খাওয়ার জন্য। তারপর আমরা কি আর করব আমরা ওইখান থেকে রিকশা নিয়ে চলে আসলাম বাংলা হোটেলে। দাগনভূঞা বাংলা হোটেল নামকরা। এইখানে এসে দেখি বাংলা হোটেল ঈদের দিন থেকে বন্ধ। কারণ নাকি সব লোক ঈদের ছুটিতে বাড়িতে গেল। এই কারণে রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখা হয়েছে। সত্যি বলতে মাকসুদা আপু এবং তার হাজবেন্ড আমাদের মেহমান। তাদেরকে নিয়ে দুই জায়গাতে গেলাম কোথাও বসতে পারলাম না।
এরপর আমরা চলে গেলাম হক রেস্টুরেন্টে রিক্সা করে সবাই। এবং হক রেস্টুরেন্টে গিয়ে অবাক হয়ে গেলাম ওই রেস্টুরেন্টটা বন্ধ। ঈদের ছুটিতে ওই রেস্টুরেন্ট বন্ধ আছে। এরপরে আমাদের মেজাজ গরম হয়ে গেল। কারণ দাগন ভূঁইয়া বড় বড় তিনটি রেস্টুরেন্টে গিয়ে দেখি তিনটি রেস্টুরেন্ট বন্ধ আবার বসার জায়গায় নেই। এরপর চিন্তা করলাম বাড়িতে চলে আসবো আর কোথায়ও বসব না। এমন সময় আমাদের আজিম ভাই বলতে লাগলো দাগনভূঞা নিচের বাজারে একটি চায়ের দোকান আছে। এবং ওইখানে চা গুলো ভালো বিভিন্ন আইটেমের চা পাওয়া যায়। এরপর আমরা আবার রিক্সা নিয়ে সবাই এই চা দোকানে আসলাম। তবে এইখানে চা দোকানটি একদম নরমাল।
কারণ তিনটি জায়গায় ঘুরে এখন আমরা এই চা এর দোকানে আসলাম। আর এই চা দোকান ঐতিহ্যবাহী। এবং এই দোকানটি অনেক অনেক বছরের পুরনো। এবং শুনেছি এই দোকান এই লোকের বাবা আগে করত। বাবা মারা যাওয়ার পর এখন এই লোকটি এই চায়ের দোকান করে। তবে এখানে অনেক ধরনের চাওয়া পাওয়া যায়। বিশেষ করে তেতুলের আচারের চা এবং বড়ই এর চা ও মালটা এর চা ও পাওয়া যায়। তবে চা গুলোর দাম 10 টাকা করে তেমন বেশি না। এরপর আমরা সবাই ওইখানে বসে চা এর অর্ডার করলাম। আর সবাই নিজের চা নিজেও অর্ডার করলো। তবে আমি প্রথমে আমার ওয়াইফ কে জিজ্ঞেস করলাম কি চাপ প্রাণ করবে। এবং ওই সময় বেশিরভাগ লোকে বলল রং চা প্রাণ করবে।
তারপর আমরা চা অর্ডার করলাম এবং হালকা নাস্তা অর্ডার করলাম। এরপর আমি একটি তেতুলের চা অর্ডার করলাম। আর সত্যি বলতে তেতুলের চা যে এরকম মনে করলাম তার চেয়ে বেশি স্বাদ হয়েছে। আর তেঁতুলের চা খেয়ে আমার কাছে খুব ভালো লাগলো। আর আমরা অনেকক্ষণ বসে ওইখানে সবাই আড্ডা দিলাম এবং আমাদের এই প্লাটফর্মের অনেকে একসাথে একত্রিত হলাম। এবং মাকসুদা আপু ও তার হাজবেন্ডও এখানে চা গুলো প্রাণ করে অনেক খুশি হয়েছে। আপুর হাজবেন্ড বলতে লাগলো দোকানটি নরমাল হলেও খেতে কিন্তু বেশ মজা লাগলো তার কাছে চা গুলো। সত্যি বলতে ঐদিন আমরা সন্ধ্যার পর ঘুরতে গিয়ে যেমন মেজাজ গরম হলো। তেমনি এই দোকানে চা প্রাণ করার পর আমাদের মাথাটা ঠান্ডা হলো। আশা করি আমার এই পোস্ট পড়ে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/Jamal7183151345/status/1919654849316302979?t=04YCbQ8nb4aSSJqNxl22hw&s=19
https://x.com/Jamal7183151345/status/1919678601206567340?t=aWRDzBX1RXOpGZOqbJO9GA&s=19
এই ঘটনার সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো—চেষ্টা, আন্তরিকতা, এবং একসাথে থাকার মানসিকতা। যদিও আপনারা কাঙ্ক্ষিত জায়গায় বসতে পারেননি, তবুও এই অভিজ্ঞতা আপনাদের বন্ধন আরও দৃঢ় করেছে। অতিথি আপু ও তার হাজবেন্ডের জন্য যত্ন ও সম্মান দেখানো—এটাই সবচেয়ে বড় বিষয়।
আপনার সুন্দর মন্তব্য শুনে খুব ভালো লাগলো তাই ধন্যবাদ আপনাকে।
https://x.com/Jamal7183151345/status/1919762735706906640?t=g-zpvrgdReQPvE_jvRfvSA&s=19