লাইফ স্টাইল: আবু রায়হানের দাদা বাড়ি থেকে নানা বাড়ি যাওয়ার মুহূর্ত।
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটি বন্ধুরা
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে মঙ্গলবার ,২৪ জুন ২০২৫
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ আপনাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা করছি আপনারা সবাই সুস্থ ও ভালো আছেন। আমি ও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মতো আজকে আবারো আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব আবু রায়হানের দাদী বাড়ি থেকে নানি বাড়ি যাওয়ার সুন্দর মুহূর্ত। অর্থাৎ আবু রায়হান তার দাদা বাড়ি থেকে যখন তার নানার সাথে নানি বাড়ির যাওয়ার জন্য রওনা দিয়েছিল ঠিক সেই মুহূর্তে অনেক সুন্দর একটি ঘটনা ঘটেছে যেটা এখন আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। আপনাদের মাঝে কিছু শেয়ার করতে পারলে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। তাই আজকে এরকম সুন্দর একটি মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য হাজির হয়ে গেলাম। আমরা প্রায় দুই মাস হয়ে গেছে আবু রায়হানের দাদির বাড়ি অর্থাৎ দাদা বাড়ি গিয়েছি। যদিও এর মধ্যে প্রায় মাঝে মাঝে বেড়াতে আসা হয় আবু রায়হানের নানি বাড়ি। কিন্তু একভাবে আর থাকা হয়নি। ভেবেছিলাম ঈদের পরে গিয়ে থাকবো কিন্তু তেমন পরিস্থিতি হয়নি তারপর আমরা গত চার দিন আগে আবু রায়হানের নানি বাড়ি যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে গেলাম।
আবু রায়হানের দাদা বাড়ি থেকে নানি বাড়ি দূরত্ব মাত্র ২ কিলোমিটার তাই আর আমাদের যাওয়া আসার কোন অসুবিধা হয় না। যেকোনো প্রয়োজন বা দরকার হলে আমরা দশ মিনিটের মধ্যে চলে যায়। তবে এবার যখন অনেক দিন থাকার জন্য যাচ্ছি তাই একটু বেশি গোছ -গাছ করতে হয়েছিল। এই সামনে ২৬ তারিখ থেকে আমার এইচএসসি পরীক্ষা শুরু তাই বই পত্র অনেক তার সাথে আবু রায়হান তো ছোট এখনো ওর জামাকাপড় তাছাড়াও খেলনা সবকিছু মিলে অনেক জিনিসপত্র। আর এগুলো নিয়ে আমি একা অল্প পথ হলেও যাওয়া খুবই কষ্ট হয়ে যায়। এজন্য আবু রায়হানের নামে কে আসতে বলেছিলাম আমাদেরকে যেন এসে নিয়ে যায়। আমার আব্বু দুপুর বেলা চলে আসে এরপর আমরা জামা কাপড় সবকিছু গুছিয়ে রেডি হয়নি। এদিকে আবু রায়হানের আব্বু এটি ভ্যান দেখে রিজার্ভ করে দেয় যেন একদম এখান থেকে আমাদের বাড়িতে নামিয়ে দেয়। আমরা সব ব্যাগ আবু রায়হানের গাড়ি সবকিছু ভালোভাবে ভ্যানের ওপর দড়ি দিয়ে বেঁধে নেই। তারপর বিদায় নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু করি। আবু রায়হানের দাদা বাড়ি থেকে নানার বাড়িতে দুই কিলোমিটার আর এই দুই কিলোমিটার রাস্তা সম্পূর্ণটাই মাঠ। আর এখন মাঠে রয়েছে পাট ক্ষেত।
তাছাড়াও রাস্তায় যাওয়ার পথে ছিল সুন্দর ছোট একটা বিল। আমি যখন ছবি তুলি তখন বিলটা পিছনে ছিল। আবু রায়হান আমার আব্বুর গলা জড়িয়ে ধরে ভ্যানের পিছনে বসে ছিল। আবু রায়হান ভীষণ আনন্দ পাচ্ছিল। আরে আনন্দ মুহূর্তটা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ধরে রাখার জন্য আমি বেশ কয়েকটা ছবি তুলে নিলাম। আপনারা ছবিগুলো দেখলেই বুঝতে পারছেন আবু রায়হান কতটা আনন্দ পাচ্ছিল। দুই হাত মেলে সে বাতাস অনুভব করছিল আর চারিদিকে সুন্দর প্রকৃতি দেখছিল। সব মিলিয়ে খুব সুন্দর একটা মুহূর্ত পার করেছি। যাইহোক আপনাদের মাঝে এই সুন্দর অনুভূতিটা শেয়ার করতে পেরে খুবই ভালো লাগলো । সবার সুস্থতা কামনা করে আজকে এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আবার আপনাদের মাঝে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হওয়ার চেষ্টা করব। আল্লাহ হাফেজ।
আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/MstFatema137069/status/1937468770244788662?t=uASF3ZrA35T14kK46JJFmA&s=19
https://x.com/MstFatema137069/status/1937469309712015762?t=dlytgl4UN7I8f5GQ6J8GPw&s=19
https://x.com/MstFatema137069/status/1937469661433708996?t=kat2BSA09WDiI3CEU6OPhg&s=19
https://x.com/MstFatema137069/status/1937470346128687211?t=3YdStDA9Ji2vOliur_XuqA&s=19