লাইফ স্টাইল:অনেকদিন পর দাদাকে দেখতে যাওয়া।
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে মঙ্গলবার ,১৫ অক্টোবর ২০২৪
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করছি আপনারা সবাই সুস্থ ও ভালো আছেন ।আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মতো আজকে আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়েছি। কয়েকদিন আগে আমি আমার মায়ের বাসায় বেড়াতে এসেছি। আর এখানে এসেই শুনতে পেলাম আমার এক দাদা অনেক। এটা আমার আপন দাদা না। আমার দাদা ছয় বছর হলো মারা গেছেন। যে বৃদ্ধ মানুষের ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি এটি হচ্ছে আমার দাদির বড় ভাই ।আমাদের আশেপাশে এমনকি আমাদের আত্মীয়দের মধ্যে অনেক মানুষ আছে বৃদ্ধ। সবাই বলে ওনার বয়স নাকি একশো বছর পার হয়ে গেছে। উনার সাথে আমাদের অনেক শৈশবের স্মৃতি রয়েছে। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন খুব গরমের মধ্যে বাগানে বসে থাকতাম। আর তখন দাদা আমাদের আগেকার পুরনো দিনের বিভিন্ন ধরনের গল্প শোনাতেন। আগে কার গল্পগুলো শুনতে কিন্তু ভীষণ ভালো লাগে।। যত সব আজব আজব ভূতের গল্প। যাইহোক দাদাকে দেখতে যাও নিয়ে আপনাদের সাথে আজকে ব্লগ শেয়ার করব।
আমার দাদির বাবার বাড়ি আর শ্বশুর বাড়ি একই গ্রামে। তাই যখন ইচ্ছা তখনই আমার দাদি তার ভাইকে দেখতে যেতে পারে। কিন্তু আমাদের তো বিয়ে হয়ে ভিন্ন গ্রামে চলে গেছে তাই হুটহাট করেই যেতে পারি না। সেজন্য আমরা বোনেরা মিলে ভাবলাম একদিন দাদাকে দেখতে যাব। তাই আমার বড় আব্বুর মেয়ে এবং আমার মেজ আব্বুর মেয়ে তাদের শ্বশুরবাড়ি ছিল তারা চলে আসলো বাবার বাড়িতে। এরপর আমার ছোট ফুফু কে ফোন দিয়ে আসতে বললাম। আমরা সব সময় চেষ্টা করি একসাথে তিন বোন ও ফুফু একসাথে বেড়াতে আসতে। সবাই মিলে অনেকদিন পর এক জায়গায় একত্রে আসলে অনেক মজা হয়। এরপর আমরা তিন বোন, ফুফু ও আমার দাদি মিলে দেখতে গেলাম দাদাকে। আমরা কিছু ফল ও বিস্কুট কিনে নিয়ে গিয়েছিলাম। আমাদের বাসা থেকে দাদা দের বাসায় যেতে 5 মিনিট সময় লাগে। আমরা সবাই বিকেলের দিকে হেঁটে দেখতে চলে গেলাম দাদাকে।
অনেকদিন পর দাদাকে দেখে তো বেশ ভালোই লাগলো। যদিও আমার আব্বুদের বাসায় আসলে তেমন একটা বাইরে বেড়ানো হয় না। তাই অনেক দিন দাদা কে দেখিনি। আমরা গিয়ে দেখি আরো অনেক মানুষ এসেছিল দেখতে। তিনি অনেক অসুস্থ ছিলেন। তারপর ওনার সঙ্গে যখন আমরা কথা বলি আমাদের কাউকে ঠিকভাবে চিনতে পারছিল না। তারপর আমরা অনেক কথা বলে আমাদের চেনানোর চেষ্টা করলাম। অনেকক্ষণ পর দাদা আমাদের সবাইকেই চিনতে পারল। এত বয়স হওয়ার শর্তে ও উনি আমাদেরকে চিনতে পেরেছে দেখে আমার তো ভীষণ ভালো লাগলো। তারপরে ওনার সাথে কিছু সময় অতিবাহিত করে আমরা সন্ধ্যা পর বাড়িতে চলে এলাম। এই ছিল আমার আজকের আয়োজন। কাউকে দেখতে যাওয়ার অনুভূতি সত্যি অন্যরকম। আর দাদার অনেক বয়স। দোয়া করি দাদা যতদিন বেঁচে থাকবে যেন ভালো অসুস্থ থাকে। আজকে এখানে শেষ করছি। পরবর্তীতে আবারো আপনাদের মাঝে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হওয়ার চেষ্টা করব। আল্লাহ হাফেজ।
আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
প্রিয়জনদের সাথে হঠাৎ করে দেখা হলে বেশ ভালোই হয়।আপনিও আপনার দাদার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন জেনে ভালো লাগলো আপু।নিশ্চই তিনি অনেক খুশি হয়েছেন।পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
জ্বী আপু আমরা যাওয়া তে দাদা অনেক খুশি হয়েছিল।
কোন একদিন আমরা এভাবে বয়স্ক হয়ে যাব। তাই সেই চিন্তাভাবনা করে আমাদের পথচলা প্রয়োজন। আপনার দাদা রয়েছে তাই দেখতে পারছেন। কিন্তু আমাদের নাই তাই দেখতে পারিনা। তাই একটা কথা আছে দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝা উচিত। আপনি ওনার সাথে দেখা করতে গেছেন দেখে ভালো লাগলো।
ঠিক বলেছেন আপু আমাদের সব সময় সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। আর এটা মনে রাখতে হবে আমরা একদিন বৃদ্ধ হয়ে যাব।
আপনার বাসা থেকে মাত্র ৫ মিনিটের পথ হচ্ছে আপনার দাদার বাড়ি আর একটা জিনিস ভেবে ভালো লাগলো যে আপনার দাদু আজ পর্যন্ত বেঁচে রয়েছে। আসলে ছোটবেলায় দাদীর ভালোবাসা পায়নি এবং একটু বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে দাদাকেও হারিয়েছি তাই এনাদেরকে অনেক বেশি মিস করি।
এটা হচ্ছে আমার দাদির বড় ভাই। তবে আমার নিজের দাদা প্রায় ছয় বছর হলো মারা গেছে।
টাইটেলে লাস্ট শব্দটা মিসিং আছে "যাওয়া" হবে। দ্রুত ঠিক করে নেবেন।
প্রার্থনা করি দাদা পৃথিবীর বুকে আরো বহুদিন বেঁচে থাকুন। আপনি সেখানে তাকে দেখতে গেছেন দেখে খুব ভালো লাগলো। মানুষ বয়স্ক হয়ে গেলে আরো শিশু হয়ে যায়। আর তখন আমাদের উচিত তাদের পাশে আরো বেশি করে থাকা। দাদার সঙ্গে আপনার বেশ ভালো সময় কেটেছে বুঝতে পারছি। ঈশ্বরের দয়ায় আরো বহুদিন তিনি আপনাদের সঙ্গে থাকবেন।
ঠিক বলছেন ভাইয়া মানুষের বয়স হয়ে গেলে তারা যেন ছোট মানুষের মতো ব্যবহার করে। ধন্যবাদ ভাইয়া।