ঈদের আগের দিন হাতে মেহেদী দেওয়ার আনান্দ ও অনুভূতি।
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে রবিবার , ৩০ মার্চ ২০২৫
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ আপনাদের সবাইকে জানাই অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক। কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা করছি আপনারা সবাই সুস্থ ও ভালো আছেন। আমি আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি। আজকে আমার ভীষণ আনন্দ হচ্ছে। কেননা আমরা ২৯ টি রমজান পার করে কাল পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ করব। মুসলমানদের সব থেকে বড় আনন্দ উৎসবের দিন হচ্ছে এই ঈদের দিন। সবাই কত হাসিখুশি ভাবে হাতে মেহেদি দিয়ে আনন্দের সাথে ঘুরে বেড়ায়। আগামীকাল আমাদের বাংলাদেশে ঈদ। আর এই ঈদ উপলক্ষে ছোট বড় সবাই তাদের হাত মেহেদি রঙে রাঙিয়ে তুলবে। সব থেকে বেশি ভালো লাগে যখন সবাই মেহেদী হাতে দিয়ে ঈদের নতুন জামা পরে একসাথে ঘুরে বেড়ায়। তবে ছোটবেলা এবং বড় বেলার ঈদের আনন্দটা একটু ভিন্ন। ছোটবেলায় মেহেদী হাতে দিতে ভালো লাগতো আর এখন মেহেদি হাতে দিয়ে দিতে বেশি ভালো লাগে। প্রতিদিনের মতো আজকে আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব ঈদের আগের দিন হাতে মেহেদি দেওয়ার সুন্দর কিছু অনুভূতি নিয়ে। হাতে মেহেদি দিয়ে দিতে এবং নিজের হাতে দিতে আমার ভীষণ ভালো লাগে।
প্রথম রমজান থেকে অপেক্ষা করি যেন সুষ্ঠুভাবে প্রতিটা রমজানের প্রতিটা দিন সুন্দরভাবে কাটে। আর এই ৩০ টি রমজান অতিক্রম করে আসে আনন্দের এক উৎসব ঈদুল ফিতর। মুসলমানদের জন্য খুবই বড় একটি উৎসব। আজকে সকাল থেকে অধির আগ্রহে ছিলাম কখন হাতে মেহেদী দিব এবং অন্যদের হাতে দিয়ে দিব বলে। সকালে ঘুম থেকে উঠে হাতে মেহেদি দিয়ে দিব বলে আমার চাচাতো বোনদের কে সবাইকে ডেকে নিলাম। তারপর আমরা এক জায়গায় বসে হাতে মেহেদি দেওয়া শুরু করে দিলাম। একে একে সবার হাতে মেহেদী দিতে শুরু করে দিলাম। আবু রায়হান এগুলো দেখে অনেক খুশি হয়েছিল আর ও নিজের হাতেও মেহেদি দেওয়ার জন্য বারবার মেহেদি হাতে নিয়েছে। তাই ওর হাতে মেহেদি দিতে শুরু করে দিলাম। কিন্তু মেহেদী দিতে হয়তো বা ওর একটুও কেমন অসুবিধা লাগছিল তাই বারবার ওর হাত দিয়ে মুছে ফেল ছিল। তাই ভাবলাম ও ঘুমিয়ে গেলে ওর হাতে মেহেদি দিয়ে দিব।
এরপর পাও ঘুমিয়ে গেলে ওর দুই হাতে উপরে এবং নিচে সুন্দর করে মেহেদী দিয়ে ডিজাইন করে দিলাম। আপনারা ওপরে লক্ষ্য করলে ওই হাতের ছবি দেখতে পাবেন। আবু রায়হানের হাতে এই প্রথম মেহেদি দিয়ে আমার বেশ ভালো লাগছিল। আর বাবু তো ভীষণ খুশি। আর ওর খুশি দেখে আমার ঈদের আনন্দটা ও আরো বেড়ে গেল। এরপর একে একে সবার হাতে মেহেদী দিতে থাকলাম। তারপর মনে হলো হাত আমার ব্যথা হয়ে গেল মেহেদি দিতে দিতে। আসলে সবার হাতে মেহেদি দেওয়ার পর দিনশেষে নিজের হাতে মেহেদি দিতেই ভুলে যেতে হয়। তবে আমার যেহেতু মেহেদী দিতে ভীষণ ভালো লাগে তাই ভাবলাম ঈদ উপলক্ষে নিজের ইচ্ছাটা পূরণ করে ফেলি। এদিকে আপনাদের ভাইয়া ফোন দিয়ে বলল তুমি হাতে মেহেদী দিবা। তখন আরো বেশি ইচ্ছা জাগলে ও হাতে মেহেদি দেওয়ার জন্য।
এরপর নিজের হাতে মেহেদি দিতে শুরু করে দিলাম। নিজের হাতে মেহেদী দিতে দিতে অনেক ভাবনা চিন্তা মনে আসছিল বেশ সুন্দর অনুভূতি। তাই ভাবলাম এটা নিয়ে আপনাদের মাঝে একটি ব্লগ শেয়ার করি। তবে আমি এর মধ্যে কয়েকটা মেহেদি ডিজাইন আর্ট হিসেবে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। আবারো সবাইকে জানাচ্ছি ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক। সবার সুস্থতা কামনা করে আজ এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হওয়ার চেষ্টা করব। আল্লাহ হাফেজ।
আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://x.com/MstFatema137069/status/1906357973519126928?t=pFhefQWI_GwIeq70REEbGw&s=19
https://x.com/MstFatema137069/status/1906359301687656664?t=tlZnA-kx860a-44G7x2qYQ&s=19
https://x.com/MstFatema137069/status/1906360209339199604?t=HdC3OWQHWuQZ70neneEoIA&s=19
https://x.com/MstFatema137069/status/1906360799716839659?t=qHhoDqT0hzyunb2_tokzbA&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
সবার হাতেই বেশ সুন্দর মেহেন্দি করেছেন আপনি। এবং প্রত্যেকটা ডিজাইন ভীষণ সুন্দর হয়েছে দেখতে আপু। এটা ঠিকই বলেছেন সবার হাতে মেহেন্দি দিতে দিতে হাত ব্যাথা হয়েছে আর পরে নিজের হাতে দিতে গেলে যেন হাজার ক্লান্তি নেমে আসে। সত্যি বলতে কি আজকে আপনাদের সবার হাতে মেহেন্দি দেখে আমারও ভীষণ লোভ হচ্ছে মেহেন্দি করার জন্য। কিন্তু অনেকদিন হলো আজ মেহেন্দি দেওয়াই হয় না। সুন্দর ভাবে কাটুক আপনাদের ঈদ। ভালো থাকুন সবাইকে নিয়ে আনন্দ করুন।
হ্যাঁ আপু সবার হাতে মেহেদি দিতে দিতে নিজের হাতে আর দিতে ইচ্ছা করে না। তবে আপনি চাইলেও হাতে মেহেদী দিতে পারবেন। আমরা তো যখন তখন হাতে মেহেদি দি।