হঠাৎ একদিন সন্ধ্যা বেলায় ফুচকা খেতে যাওয়ার মুহূর্ত
হ্যালো সবাইকে
কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। ফুচকা খেতে যাওয়ার কিছু মুহূর্ত আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।
আজকে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম। আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব হঠাৎ একদিন বিকেল বেলা ফুচকা খেতে যাওয়ার কিছু মুহূর্ত।ফুচকা খেতে আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে আর আমার কাছে মনে হয় বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মেয়ের ফুচকা অনেক বেশি পছন্দ করে। ফুচকা আমার খুবই পছন্দের একটি খাবার। এই খাবারটা যত বেশি খেয়ে আমাকে দেওয়া হবে আমি তত বেশি খেতে পারবো এত মজা লাগে আমার কাছে। হঠাৎ একদিন বিকেল বেলা আমার ফুচকা খেতে খুব ইচ্ছে করছিল। ফুচকা খাওয়ার জন্য খুব মন চাইছে তাই ভাবলাম বাইরে থেকে ফুচকা খেয়ে আসি। মূলত বাইরে বেরিয়ে ছিলাম তার সাথে হাতে কিছু কাজ ছিল ভাবলাম সেগুলোও করে আসবো। কাজ শেষ করে আসার পথে ফুচকা খাব।
যে কথা সেই কাজ প্রথমে আমরা বেরিয়ে গেলাম বাসা থেকে রেডি করে বিকেল বেলা। বাজার যেহেতু আমাদের বাসা থেকে তেমন একটা দূরে নয় আমরা হেঁটেই চলে গেলাম। তাছাড়া আমরা সব সময় হেঁটেই বাজারে যাতায়াত করি এটা আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আগে বাজারে আসার জন্য অনেকটা সময় হাতে নিয়ে বের হতে হতে এখন আর সেটা করতে হয়। আগে অনেক অনেক রিক্সা ভাড়া যেত এখন আর সেটারও প্রয়োজন হচ্ছে। না যাই হোক রেডি হয়ে আরুশ বাবুকে নিয়ে আমরা বেরিয়ে গেলাম। এরপর আমাদের হাতে কিছু কাজ ছিল সেই কাজগুলোকে আগে করে নিলাম। এরপর একটা ফুচকা দোকানে গেলে আসলে ফুচকা সব জায়গায় খেতে মজা হয় না। এক একজন এক এক রকম ফুচকা বানায়।
বেশিরভাগ ফুচকা বানানোর ফুচকা আমার কাছে একদমই ভালো লাগে না। হাতে গোনা কয়েকটা ফুচকা দোকানদার ফুচকা বানায় আমার কাছে খেতে বেশ ভালো লাগে। ফুচকা যদি মজার না হয় তাহলে সে ফুচকা খেয়েও কোন আনন্দ পাওয়া যায় না। কিছুদিন আগে একটা জায়গায় ঘুরতে গিয়ে ফুচকা খেতে গিয়েছিলাম আর সেই ফুচকাট বাজে ছিল খুবই খারাপ লেগেছিল সেদিন। যাইহোক আমাদের এলাকায় যেখানে ফুচকা দোকানদাররা বসে সেখানে গিয়েছিলাম। মাঝেমধ্যে সেখানে ফুচকা ওয়ালাদের পাওয়া যায় না। কারণ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার কারণে সেখানে ফুচকা ওয়ালারা থাকে না। সেটা খুব কম সময় হয়ে থাকে সমস্যার কারণে হয়তো সব সময় সেখানে কোথাও না থাকে।
সেখানে গিয়ে প্রথমে আমি একটা প্লেট ফুচকা দিতে বললাম। সেই ফুচকাটা এত বেশি মজা ছিল যে এরপর আমি আরো দুই ফুচকা খেয়েছি আমার কাছে এত বেশি মজা লেগেছে। আর অনেকদিন পর এত মজার একটা ফুচকা পেয়েছি হাতছাড়া করলে কি চলে। একেবারে পেট ভরে মন ভরে ফুচকা খেয়েছিলাম। আর রাতের বেলা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে চারপাশের পরিবেশ দেখতে দেখতে খোলা আকাশের নিচে মজাদার ফুচকা খাওয়ার অনুভূতিটা ছিল অন্যরকম। আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। এই ছিল আমার একদিন সন্ধ্যায় ফুচকা মুহূর্ত। আশা করছি আমার আজকের পোস্টটি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
| শ্রেণী | লাইফস্টাইল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @fasoniya |
| ডিভাইস | Vivo Y15s |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপু ফুচকা খেতে কমবেশি সবাই পছন্দ করে। আর মাঝেমধ্যে এসব জিনিস গুলো খেতে অন্যরকম মজা লাগে। আপনি দেখছি বাসা থেকে বাজারে ফুচকা খেতে গেলেন। তবে এটি একদম ঠিক বলেছেন সব সময় ফুচকা দোকানদার গুলো এক জায়গাতে পাওয়া যায় না। কারণ তারা বিভিন্ন জায়গাতে গিয়ে বিক্রি করে। ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি দেখে।