গরিমাসি না করে দেদারসে কাজ করুন
কারও কারও বেলাই আবার ব্যাপারটা আবার চরম পর্যায়ে যেয়ে পউছাই। তারা গুরুত্বপূর্ণ কাজ গুলো করেই উঠতে পারেনা। ব্যর্থতা তাদেরকে পেয়ে বসে। এমন হয় তারা জীবনের একটা পর্যায়ে যেয়ে সব আশা ছেড়ে দেয় । শুধু মাত্র বেঁচে থাকার জন্য বেচে থাকে। এমন জীবনে থাকে না কোন আনন্দ, প্রাপ্তি, সম্মান।
কাজ ফেলে রেখে আলসেমি, গড়িমসি করা মারাত্মক খারাপ অভ্যাস।এটা একটা মানসিক ভাইরাসের মত। তাই আমাদের উচিৎ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই ভাইরাস কে আমাদের মন থেকে দূর করে ফেলা।এই পাঠে আমরা সেই লক্ষ্য নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
কাজ ফেলে রাখার এই ভাইরাসটা আমার মাঝেও মারাত্মকভাবে ছিল। এমনকি এখনও কিছুটা আছে তবে এখন আর গুরুত্বপূর্ণ কাজ গুলো ফেলে রাখি না বরং আগে আগেই শেষ করে রাখার চেষ্টা করি। এর পেছনে একটা যুক্তি কাজ করতো।কিন্তু একটা সময় আমারও মনে হত ধুর এখন না একটু পরে করি এখন তো সময় আছে । যে কাজ আছে, তা তো কয়েক ঘন্টার কাজ মাত্র । শুধু শুধুই আগে থেকে কেন পেরা নিব ইত্যাদি।
একদিনের একটা ঘটনা বলি, ফাইনাল এক্সাম গতকাল পরীক্ষা খুব সহজ একটা সাবজেক্ট আগে থেকে পড়ি নাই ভাবছি এতো পরীক্ষার আগের রাতে পড়লেই হবে।তো সন্ধাই আমি পড়তে গেলাম। টেবিলে যেয়ে দেখি বই টা টেবিলে নেই খুব খুজলাম বই টা পেলাম না। খুব টেনশানে পড়ে গেলাম।খুব তাড়াহুড়া করে আম্মুর কাছে গেলাম আম্মুকে জিজ্ঞাসা করলাম আমার বইটা দেখেছ আম্মু বলল কিছুদিন আগে তো ফয়েজ এসে তোর কাছ থেকে একটা বই নিয়ে গেল। তখনি মনে হল ইস বইটা তো ফয়েজের কাছে। এখন কি করি পাশের গ্রামে ওর বাসা। বইটা আনতে আনতে বেশ রাত হয়ে গেল। পড়া গুল খুব তাড়াহুড়া করে কোন মতে শেষ করলাম। পরীক্ষায় ও কোন মতে পাশ করলা। খুবই হতাশা জনক ভাবে।
বাংলাই একটা কথা আছে যে , ওস্তাদের মাইর শেষ রাতে কিন্তু ‘শেষরাতের মাইর’ দিতে গিয়ে আমাদের অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়।তখন কোনো উপায় থাকেনা । তখন অন্য রকম করে ভাবতে হয় কোনোমতে যাতে এবারের মতো পার পাওয়া যায়।এরপর থেকে আগে থেকেই সচেতন থাকব। কিন্তু আবার যখন নতুন কোনো কাজ আসে,আবার সেই একই গড়িমসি।

You have recieved a free upvote from minnowpond, Send 0.1 -> 10 SBD with your post url as the memo to recieve an upvote from up to 100 accounts!