গ্যাংনাম দিয়ে বিশ্বকাঁপানো একজন ‘সাই’ এর গল্প

কেউ বলেন সাই, কেউ বলেন পিএসওয়াই। ডাকনামে একেকজনের কাছে একেকভাবে পরিচিত হলেও সেই ডাকনামের সমার্থক যে শব্দটি, সেটির স্বীকৃতি বিশ্বময়। বলছি, বিশ্বকাঁপানো ‘গ্যাংনাম স্টাইল’ এর গায়কের কথাই। এই এক গান দিয়ে কোরিয়ান তারকার বিশ্বতারকা হবার ও ইউটিউবের রেকর্ডবইয়ে কালবৈশাখী বইয়ে দেবার গল্পটা আজও পুরনো হয়নি খুব একটা। গ্যাংনামের পর ‘জেন্টলম্যান’ দিয়ে কিছুটা সফল হলেও আস্তে আস্তে পূর্বের ক্ষুরধার চমক হারিয়ে ফেলেন সাই। তবু জনপ্রিয় এ গায়ককে ঘিরে ভক্তদের নেই আগ্রহের কমতি।




তবে কি ভাটা পড়লো জনপ্রিয়তায়?
এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালে মার্কিন মিউজিশিয়ান স্নুপ ডগের সাথে মিলে বাজারে আসে সাইয়ের গান ‘হ্যাংওভার’, যা মার্কিন বাজারে সাইয়ের স্থায়ী জনপ্রিয়তা তৈরি করে দেয়। ২০১৫ সালে বের হয় সাইয়ের সপ্তম অ্যালবাম ‘চিলজিপ সাই-দা’। এর মধ্যে ড্যাডি, ন্যাপাল বাজি, আই রিমেম্বার ইউ, ড্যান্স জকি- এর মিউজিক ভিডিওতে উইল আই অ্যাম, ব্লাক আইড পাইয়ের মতো তারকার ক্যামিও উপস্থিতির কারণে সেগুলো বেশ জনপ্রিয় হয়। সর্বশেষ অ্যালবাম ‘ফোর ইন্টু টু ইকুয়ালটু এইট’ এর নিউ ফেইস, আই লাভ ইট, ফ্যাক্ট, লাভ, ল্যাস্ট সীন – এই গানগুলো বাজারে ভালো চললেও ঠিক ‘সাই’সুলভ ‘হিট’ হতে পারেনি। এ কারণে জেন্টলম্যানের পর সাইয়ের প্রায় এক ডজন গান এলেও কোনোটিই আর বিলিয়ন ভিউয়ের গৌরব অর্জন করতে পারেনি!
নিজের জনরা বা পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে জনপ্রিয়তা পুরোদমে ধরে রাখলেও বৈশ্বিক জনপ্রিয়তার দিক থেকে খানিকটা যেন মিইয়ে গেছেন সাই। তারপরও ২৫ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি নিয়ে এশিয়ার ধনাঢ্য সঙ্গীতশিল্পীর তালিকায় এখনো বহাল তবিয়তেই টিকে আছেন এই ‘গ্যাংনাম তারকা’। দুই যমজ কন্যা ও স্ত্রীকে নিয়ে বর্তমানে সিউলেই থাকছেন এই শিল্পী।