Humanity's salvation envoy..?

in islamiclecture •  24 days ago

20190130_170911.jpg

In the year 570, in the Holy 12th Rabiul Awal 17th Rabiul Awwal was born in Makkannagar in Arabia, the Prophet Muhammad (peace be upon him), the emancipator of humanity. He is the source of the writings of all the poets, writers, artists, scientists and writers around the world. There is no end to writing, there is no end to writing. In all languages ​​of all countries, the book has been written by the Prophet (pbuh) so much that it is an exceptional record and wonder! But even after this continuous discussion of fourteen hundred years, it seems that this discussion of the Prophet (pbuh) has been a part of the main discussion. Real discussion has not started yet. Actually, the legends of the world are literary writers, historians and authors wondering to count the virtues of the Prophet! Because of such a good quality of human character is absent in the character of Jarsul (Sa). Therefore, George Bernard said, 'The biography of Muhammad (peace be upon him) is like a landless sea and boundless border.' On the other hand, historian Yossef Hall said, "Muhammad He was such a person whom he would not have been incomplete

. His glorious history compiled a pivotal chapter in the history of mankind.

During the advent of Muhammad (pbuh), the whole world was full of war, conflict, fights, filth, etc. For the survivors of this situation, the crazy people waiting for survival were waiting for a great man who would call man to the truth and justice. Finally, the end of human curse, on the day when the child came to the house of Mother Amin, the message of happiness and happiness spread all around the world. Describing that happy moment, Kazi Nazrul Islam wrote in his 'Maroo Vaskar'

Wake up you ray dawn, Nishi is the poet of dawn
Ruling Uleed Arab Renaissance in Red Sea
Get up and tie your shirt
Azan Muazzin in Fuker in the dark darkness
He trembled in the direction of the call of the planets, Robi, Shashi, Bom
Listen to the 'Prayer of the Prayer', 'Khayyarum-Minnoma'.

After the arrival of the Prophet (peace be upon him) in this world, only the oppressed people of Arabia were not happy. Mountains, mountains, deserts, and all kinds of trees were happy. Poetry in Nazrul-

The wind goes down, holding the nako water in the jamjam coupe
Sahara azhi othaliya became the form of the ocean.
The old Ravi did not get up and was ashamed that day
In light of the new Robi, the world woke up on that day.

The poet, Bande Ali Miah, wrote about the situation of the whole world after the arrival of the child Muhammad in the womb of Amina.
Arab flowering of flowers of light on the death of Arabia
Muhammad Rasool came in the house of Amina.

The mission that the Prophet (peace be upon him) had come to the world, will have to be implemented in person, society and state life again. And then in today's troubled and stormy world, peace will again start in the book. Because the Prophet (peace be upon him) came here on earth to take on the responsibility of building a peace and a dream world where there will be no difference between man and man.

This world is full of turmoil due to the fact that people are moving away from Islam, from the example of the Prophet. In this situation there is no alternative to implementing the model of the Prophet. Referring to this issue, US social scientist Thomas Kalathon said: "I firmly believe that peace can be restored on earth in the hands of Muhammad (peace be upon him).

Peace was established in the world due to the arrival of the Prophet and once again if his ideals were to be implemented then this world would be full of peace again. But if Muhammad (peace be upon him) did not come to this world, then Farrukh Ahmad, the poet of the Islamic Renaissance, wrote about the condition of the people of the world:

If you did not come, you would never have been looted,
When you did not come, Nargis never opened the letter
The dazzling hop-a-mask did not open or stopped him
The guard of the day did not remove the black and dark blue

All the world's great historians, researchers, scientists, philosophers, and all the wise people have acknowledged that Muhammad (peace be upon him) is the greatest man of all time. Michael H. Hartz writes about his stirring book, The Hundreds, that many may be surprised to include the name of Muhammad (pbuh) at the top of the list of influential people in the history of the world. But he is the only person in history who has achieved unprecedented and unprecedented success both in religious and material life.
Birthday celebrations of holy Eid will be beneficial only when we can build our own life in the light of the Prophet's ideals.

৫৭০ খ্রিস্টাব্দে পবিত্র ১২ই রবিউল আউয়াল মতান্তরে ১৭ই রবিউল আউয়াল আরবের মক্কানগরীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মানবতার মুক্তির দূত হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)।তিনি হচ্ছেন, বিশ্বের সকল কবি,সাহিত্যিক, শিল্পী, বিজ্ঞানী এবং লেখকদের লেখনীর উৎস। যাকে নিয়ে লেখার অন্ত নেই, রচনার শেষ নেই। সব দেশের সব ভাষাতেই মহানবী (সাঃ) কে নিয়ে এত বিপুল সংখ্যক বই-পুস্তক রচিত হয়েছে যে,এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী রেকর্ড ও বিষ্ময়! কিন্তু চৌদ্দ শতাধিক বছরের এই ক্রমাগত আলোচনার পরও মনে হয়, মহানবী (সাঃ) নিয়ে এতদিনের এই আলোচনা যেন মূল আলোচনার একটি ভুমিকা মাত্র। প্রকৃত আলোচনা এখনও শুরুই হয়নি।সত্যি বলতে কি, পৃথিবীর বাঘা বাঘা কবি সাহিত্যিক, ইতিহাসবিদ ও লেখকরা রাসূলের গুণের হিসাব করতে গিয়ে বিস্মিত! কারণ মানব চরিত্রের এমন কোন ভাল গুণ নেই যারাসুল (সাঃ) এর চরিত্রে অনুপস্থিত।তাই তো জর্জ বার্নাড‘শ বলেছেন‘মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনী হল,এক তলাবিহীন সাগর এবং সীমাবিহীন সীমানার ন্যায়।‘অন্যদিকে ইতিহাসবিদ যোশেফ হল বলেছেন, “মুহাম্মদ (সাঃ) এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যাকে না পেলে বিশ্ব অসম্পূর্ণ থেকে যেত।তিনি নিজেই নিজের তুলনা

। তাঁর কীর্তিময় ইতিহাস মানব জাতির ইতিহাসে এক সমুজ্জ্বল অধ্যায় রচনা করেছে।

মুহাম্মদ (সাঃ) আবির্ভাবের সময় আরবসহ সারা বিশ্ব যুদ্ধ, সংঘাত,মারামারি, অশ্লীলতা ইত্যাদিতে ভরপুর ছিল। এ অবস্থা থেকে বাঁচার জন্য মুক্তি পাগল মানুষরা এমন একজন মহামানবের অপেক্ষা করছিল, যিনি মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের দিকে আহবান করবেন।অবশেষে মানুষের প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে যেদিন মা আমিনার কোল জুড়ে শিশু মুহাম্মদ আগমন করলেন,সেদিন সারা বিশ্বে আনন্দ ও খুশীর বার্তা ছড়িয়ে পড়ল। সেই শুভ ক্ষণটির বর্ণনা দিতে গিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম তার ‘মরু ভাস্কর‘গ্রন্থে লিখেছেন-

জেগে ওঠ্‌ তুই রে ভোরের পাখি, নিশি প্রভাতের কবি
লোহিত সাগরে সিনান করিয়া উদিল আরব রবি।
ওরে ওঠ্‌ তুই নতুন করিয়া বেঁধে তোল তোর বীণ
ঘন আঁধারের মিনারে ফুকারে আজান মুয়াজ্জিন।
কাঁপিয়া উঠিল সে ডাকের ঘোরে গ্রহ,রবি,শশী, ব্যোম
ঐ শোন শোন ‘সালাতের‘ ধ্বনি‘খায়রুম-মিনান্নৌম‘।

রাসূল (সাঃ) এই দুনিয়ায় আগমন করার পর কেবল আরবের নির্যাতিত মানুষরাই খুশী হয় নি। পাহাড়, পর্বত,মরুভূমি, গাছগাছালি সব কিছুই যেন খুশীতে আত্মহারা হয়েছিল। কবি নজরুলের ভাষায়-

বয়ে যায় ঢল, ধরে নাকো জল আজি জমজম কুপে
সাহারা আজিকে উথলিয়া ওঠে অতীত সাগর রূপে।
পুরাতন রবি উঠিল না আর সেদিন লজ্জা পেয়ে
নবীন রবির আলোকে সেদিন বিশ্ব উঠিল ছেয়ে।

মা আমিনার কোল জুড়ে শিশু মুহাম্মদের আগমনের পর আরবসহ সারা জাহানের অবস্থা কেমন হয়েছিল সে সম্পর্কে কবি বন্দে আলী মিয়া একটি নাতে রাসূল লিখেছেন।
আরবের মরুর বুকে ফুটল আলোর ফুল
মা আমিনার কোলে এলেন মুহাম্মদ রাসূল।

রাসূল (সাঃ) যে মিশন নিয়ে দুনিয়ায় এসেছিলেন তা আবারো ব্যক্তি,সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে। আর তাহলেই আজকের এ অশান্তিময় ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ বিশ্বে আবারও শান্তির সুবাতাস বইতে শুরু করবে। কারণ রাসূল ( সাঃ) এ পৃথিবীতে এসেছিলেন একটি শান্তি ও স্বপ্নময় পৃথিবী গড়ার দায়িত্ব নিয়ে যেখানে মানুষে মানুষে কোন ভেদাভেদ থাকবে না।

মানুষ ইসলাম থেকে, রাসূলের আদর্শ থেকে দুরে সরে যাবার কারণে এ পৃথিবী আবারো অশান্তিতে ভরে গেছে। এ অবস্থায় রাসূলের আদর্শ বাস্তবায়নের কোন বিকল্প নেই। আর এ বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করে মার্কিন সমাজ বিজ্ঞানী থমাস কালাথন বলেছেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস,মুহাম্মদ (সাঃ) এর হাতের মুঠোয় যদি পৃথিবীকে তুলে দেয়া হয় তবে এই পৃথিবীতে আবারো শান্তি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

রাসুলের আগমনের কারণে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল এবং আবারো যদি তার আদর্শকে বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে এ পৃথিবী আবারো শান্তিতে পরিপূর্ণ হবে। তবে মুহাম্মদ ( সাঃ) যদি এ পৃথিবীতে না আসতেনতাহলে জগতবাসীর কি অবস্থা হতো সে সম্পর্কে বাংলাদেশের ইসলামী রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ লিখেছেন-

তুমি না আসিলে মধুভান্ডার ধরায় কখনো হত না লুট,
তুমি না আসিলে নার্গিস কভু খুলত না তা পত্রপুট
বিচিত্র আশা-মুখর মাশুক খুলত না তার রুদ্ধ দিল
দিনের প্রহরী দিত না সরায়ে আবছা আঁধার কালো নিখিল।

বিশ্বের বড় বড় ইতিহাসবিদ, গবেষক,বিজ্ঞানী, দার্শনিকসহ সকল জ্ঞানীগুণী মানুষরা স্বীকার করেছেন যে, মুহাম্মদ (সাঃ)ই হচ্ছেন,সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ। মাইকেল এইচ হার্টস তার আলোড়ন সৃষ্টিকারী গ্রন্থ ‘দি হান্ড্রেডস‘–এ সম্পর্কে লিখেছেন, পৃথিবীর ইতিহাসে প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গের তালিকার শীর্ষে মুহাম্মদ (সাঃ) এর নাম অন্তর্ভূক্ত করায় অনেকেই বিষ্মিত হতে পারেন। কিন্তু ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ধর্মীয় ও বৈষয়িক উভয়ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব ও নজিরবিহীন সাফল্য অর্জন করেছেন।
পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী উতযাপন তখনই স্বার্থক হবে যখন আমরা রাসূলের আদর্শের আলোকে নিজেদের জীবন গড়ে তুলতে পারবো ।

Follow me @gentlee-boy

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

Congratulations! This post has been upvoted from the communal account, @minnowsupport, by gentle boy from the Minnow Support Project. It's a witness project run by aggroed, ausbitbank, teamsteem, someguy123, neoxian, followbtcnews, and netuoso. The goal is to help Steemit grow by supporting Minnows. Please find us at the Peace, Abundance, and Liberty Network (PALnet) Discord Channel. It's a completely public and open space to all members of the Steemit community who voluntarily choose to be there.

If you would like to delegate to the Minnow Support Project you can do so by clicking on the following links: 50SP, 100SP, 250SP, 500SP, 1000SP, 5000SP.
Be sure to leave at least 50SP undelegated on your account.