পুঁইশাক ফুলের সৌন্দর্য ও উপকারিতা।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ।
আমার প্রিয় একটা শাকের নাম হচ্ছে পুঁইশাক। মাছ, আলু, আর এই পুঁইশাক দিয়ে রান্না হলে ওই বেশ মজা করে ভাত খাওয়া হয়। অনেকে আবার ছোলা বুট দিয়ে পুঁইশাক রান্না করে এইভাবে রান্না করলেও অনেক মজ হয়। পুঁইশাক এমনিতে অনেক পুষ্টিজর একটি শাক এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ রয়েছে। আজ আমি পুঁইশাক ফুলের সৌন্দর্য নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো।
পুঁইশাকের ফুল ফোটার সময় সাধারণত হেমন্তের শেষে দেখা মেলে। এই ফুল দেখতে সাদা রঙের হয় তবে এর মুখে হালকা গোলাপি রঙের হয়। ফুল বলল ভুল হবে এটা মূলত পুঁইশাকের ফল এর প্রাথমিক অবস্থা। এই উদ্ভিদ এর ফল কাঁচা অবস্থায় সবুজ থাকে। সবুজ ফল গুলো দেখতে বেশ নজরকাড়া সৌন্দর্য হয়ে থাকে। এই ফল গুলে পাকলে গাড় লাল রঙের হয় দেখতে কালো রঙ মনে হয়। তবে এই ফলকে একটু চাপ দিলে লাল রঙের রস বের হয়।
আগে শৈশবে এই পুঁইশাক এর পাকা ফল গুলো দিয়ে কত খেলা খেলতাম। বিশেষ করে হাতের মধ্যে এই ফলের রঙ দিয়ে আঁকতাম। যখনই ফল গুলো আমার চোখে পড়ে তখনই সেই ছোটবেলার স্মৃতি গুলো মনে পড়ে যায়। কিছু দিন আগে একটা খবর পেয়েছিলাম এই পুঁইশাকের শুকনো বীজ অনেক দামে বিক্রয় হয়ে থাকে। যদিও এই ফল গুলো বেশিরভাগ সময় গৃহস্থালিতে বেশি হয়ে থাকে। তবে আমার মায়ের এই পুঁইশাকের কাঁচা বীজকে রান্না করা বেশ প্রিয় তবে আমি তেমন একটা পছন্দ করি না।
পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি। ভিটামিন বি৬, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ম ও ফাইবার। পুঁইশাক এর মতো পুঁইশাক এর বীজেও রয়েছে প্রচুর পরিমানে ফলিক অ্যাসিড, জিঙ্ক, এন্টি-অক্সিডেন্ট ও আয়রন। যা ত্বকের রোগ জীবানু দূর করে ও মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে, চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চোখের জন্য উপকারী। এই বীজ খাওয়ার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় এবং পাকস্থলী ও কোলন ক্যান্সার এর সাথে লড়াই করতে সক্ষম।
পুঁইশাক নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখলে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। পুঁইশাক নিয়মিত খেলে দেহের শক্তি বৃদ্ধি পায়। বদহজম দুূর করতেও পুঁইশাক সহযোগিতা করে। দেহের কোন অংশ আঘাত পাওয়ার কারনে ফলে গেলে সে স্থানে পুঁইশাকের মূল বেঁটে লাগলে ফুলা কমে যায়। এছাড়াও কাঁটা স্থানে বা খোসপাঁচড়ায় কিংবা ফোঁড়ার ক্ষেত্রে পুঁইশাক বেশ কার্যকরী।
পুঁইশাক চাষ করতে তেমন একটা ঝামেলা করতে হয় না আঁশযুক্ত কাঁদা মাটিতে বেশ ভালে জন্মে পুঁইশাক। বীজ ও মূল থেকে দুইভাবে চাষ করা যায় এই পুঁইশাক। তবে ভালো ফলন পেতে পুঁইশাকের গোড়ায় কচুরিপানা পচা সার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।
I am Bangladeshi. My mother's language is Bengali. I can't write well in English. That's why I prefer to write in Bengali. Hope you will love my writing. Today in my post I have discussed about the Beauty and benefits of Malabar spinach flower.
| Device name: | Vivo Y21 |
|---|---|
| Camera: | 13 megapixels |
| Shot by: | @shasan705 |
| Location: | Bangladesh 🇧🇩 |
পুঁই শাক খুবই পরিচিত একটা শাক। যেটা আমরা সবাই খেয়ে থাকি। কিন্তু এর সৌন্দর্য অনেকেই উপভোগ করে না। আমার কাছে খুব ভালো লাগে বিশেষ করে পুঁই শাকের মধ্যে যে ছোট ছোট বিচি রয়েছে। সেগুলো যখন লাল হয়ে যায়। তখন সেগুলো হাতে নিলে একদম রক্তের মত দেখায়। ছোটবেলায় অনেক খেলেছি সে কথাটা আজকে মনে পড়ে গেল।
আজকে আপনি আমাদের সাথে পুঁই শাকের ফটোগ্রাফি এবং তার উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। আমরা সবাই জানি একটা জিনিসের উপকারিতা থাকলে অবশ্যই তার মধ্যে সামান্য পরিমাণ হলেও অপকারিতা থাকে। আপনি যদি দুইটা জিনিস একসাথে এড করে উপস্থাপন করতেন। তাহলে আরো ভালো হতো অসংখ্য ধন্যবাদ ভাল থাকবেন।
পুইশাক চিনেন এমন বাঙলী খুঁজে পাওয়া কঠিন।আমার বাসায়ও এটা খুব পছন্দ করে সবাই।আমার বারান্দার টবেও লাগানো আছে এই গাছ। চমৎকার খেতে আর পুষ্টিগুনে ভরপুর এই শাক।
চমৎকার এইশাকের ফুলের ফটোগ্রাফি এবং এর গুনাবলী আমাদের মাঝে চমৎকার ভাবে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন সবসময় এই শুভকামনা রইলো আপনার জন্য
শাকের মধ্যে পুই আর মাছের মধ্যে রুই , তাই তো পুইশাক সবার অনেক পছন্দের ৷ আর পুঁইশাকেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে যা আমাদের শরীরের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি ৷
যাই হোক আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ পুঁইশাকের সৌন্দর্য এবং উপকারিতা নিয়ে তথ্য সংক্রান্ত আলোচনা করার জন্য ৷ ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷
আমরাও ছোটোবেলায় পুঁইশাক এর পাকা ফল নিয়ে খেলা করতাম কারণ এই পাকা ফলগুলিতে একটু চাপ দিলেই এর থেকে গাড়ো রং বের হয়। পুঁইশাকের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। কিন্তু যাদের ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা রয়েছে তাদের পুঁইশাক না খাওয়াই উচিত। পুঁইশাক খেলে তাদের শরীরের ব্যথা বেদনা বৃদ্ধি পাবে। আপনাকে ধন্যবাদ এই পোস্টটি শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকবেন।
আমার খুব পছন্দের একটা তরকারি,, পুইশাক আর কচুর মুখী দিয়ে রান্না করলে খেতে অসাধারণ,, পুইশাকের যে এত উপকারীতা আছে আমার জানা ছিলো না,, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা পোস্ট করার জন্য।
পুইশাকের পাকা ফল গুলো সাদা গেঞ্জি তে লাগিয়ে কত যে রক্ত খেলার অভিনয় করে পড়ে বাসায় এসে মায়ের মাইড় খেয়েছি তার হিসেব নেই। বিশেষ করে শুক্রবার বাংলা সিনেমা দেখার পরে এটা বেশি করতাম।
অনেক দিন পর আপনার পুইশাকের পোস্ট দেখে সেই কথা গুলো মনে পড়ে গেল।
আমাদের দেশে পুঁইশাক খুব জনপ্রিয় একটি শাক।আমার কাছে খেতে এতোটা ভালো লাগে না কারণ পুঁইশা খেতে একটু লোড লোড হয়। আর যারা এটাকে পছন্দ করে এবং খায় তাঁরা অনেক উপকার পায়।আর আমি আপনার পোস্টটি পড়ে উপকারিতা গুলো জানতে পারলাম যা আমার জানা ছিলো না। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন
পুঁইশাক অতি পরিচিত ও আমার খুব পছন্দের একটি শাক। মিষ্টি কুমড়ো পুঁই শাক দিয়ে আমার খুবই পছন্দ। এছাড়া বৈশাখের বিচি কাঁচা অবস্থায় রান্না করে খাওয়া যায়। আমি অনেক বছর খাইনি তবে জানি খুব সুস্বাদু হয়। আর পুঁইশাকের পাকা বিচি দিয়ে হাত রাঙিয়ে ছোটবেলায় খেলা করতাম। খুব রঙিন ছিল সেই দিনগুলি। আপনি বৈশাখের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা লিখেছেন এবং চমৎকার ফটোগ্রাফিও করেছেন।
পুই শাক একটি পরিচিত শাক। এই শাকটা আমি বেশ পছন্দ করি খেতে। কিন্তু এই সৌন্দর্য অনেকেই উপভোগ করে না। আর পুঁইশাকের বিচি গুলো খুব ভালো লাগে আমার। পুঁইশাকের বিচিগুলো কিন্তু খাওয়া যায়। যখন ছোট ছোট থাকে মানে সবুজ সবুজ থাকে তখন এগুলো খাওয়া যায় কারণ আমি একবার খেয়েছিলাম। যখন এগুলো পেটে লাল হয়ে যায় তখন তো ধরতে ভালো লাগে কারণ হাতে লাগানো যেন রক্তের মতো দেখা যায়। আপনি পুঁইশাকের উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন এবং তার সাথে অপকারের কথা কিছু বলেছেন। খুব ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি পড়ে থ্যাঙ্ক ইউ।