"প্রথমবার দমদম উৎসবে বিখ্যাত সংগীতকার অনু মালিককে দেখার সুযোগ হয়েছিলো"
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন। আর আপনাদের আজকের দিনটি খুব ভালো কেটেছে।
আমার সারাদিন আজ খুব ভালো কেটেছে। কিভাবে দিনটি পার হয়েছে সে গল্প আগামীদিন আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আজকে দমদম উৎসবে কাটানো বাকি মুহূর্তগুলো এই অন্তিম পর্বে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি।
এর আগে আপনাদের সাথে প্রথম পর্ব ও দ্বিতীয় পর্ব শেয়ার করেছি। যেগুলো পড়লে আপনারা বুঝতে পারবেন যে, বাড়ি থেকে যাওয়ার পর থেকে মেলার মধ্যে আমরা সকলে মিলে অনেকক্ষণ ঘুরে বেড়িয়েছিলাম।
সুতরাং এরপর কিছু খেতেই হতো। যেহেতু শীতকাল ছিলো। আর শীতকালে গরম কিছু খাওয়ার মজাই সবথেকে বেশি। প্রসঙ্গত আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি আমার দিদি রীতিমতো চা পাগল। দিনের মধ্যে কমপক্ষে ২ থেকে ৩ কাপ দুধ চা ওর লাগবেই।
|
|---|
অফিসে ওর নিজস্ব চেম্বারেও আলাদা করে দুধ, চা, কফি সমস্ত কিছু রাখা থাকে। শুধু নিজে খায় এমনটা নয়, ওর কলিগদেরও ডেকে একসাথে সকলে মিলেই চা পান করে। আসলে বাড়ির বাইরে ওটা ওর আরও একটা পরিবার। যেখানে দিনের অনেকটা সময় ওকে কাটাতে হয়। আর একসাথে যখন অনেকগুলো বছর আমরা কারোর সাথে কাজ করি, তখন সেই মানুষগুলোও আমাদের পরিবার হয়ে ওঠে।
|
|---|
তাই মেলার মধ্যে ঘুরতে ঘুরতে যখন এমন সুন্দর একটা চায়ের দোকান চোখে পড়লো, তখন ওখান থেকে আমার দিদিকে আর সরানো গেলো না। দোকানের নাম ছিলো- "চায়-WALA"।
এতো বছর পর্যন্ত আমি জানতাম চা দুই রকমের হয়,- এক দুধ চা আর এক লিকার চা। আর হয় ব্যাল্ক কফি, মিল্ক কফি,কোল্ড কফি। তবে এই দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে রীতিমতো চায়ের মেনু কার্ড পড়লাম। তার মধ্যে অন্যতম হলো তন্দুর চা, মালাই চা, তন্দুর কফি, মালাই কফি, এলআইচি চা।
|
|---|
তবে দোকানটা এতো আকর্ষণীয় করে সাজানো ছিলো, যেটা দেখতে বেশ ভালো লাগছিলো। একপাশে গ্যাস জ্বালিয়ে তার ওপরে রীতিমত চায়ের ভাড় গুলো পোড়ানো হচ্ছিলো। অন্যদিকে বড় একটা কড়াইতে চায়ে জ্বাল হচ্ছিলো অনবরত।
|
|---|
সেখান থেকেই কিছুটা চা ধুনুচিতে নিয়ে বিভিন্ন প্রকারের চা তৈরি করছিলো দোকানের দাদাটা। আজ পর্যন্ত ধুনুচি আমি শুধুমাত্র পুজোর পর আরতির ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে দেখেছি, এই প্রথম চা বানানোর জন্য ধুনুচির ব্যবহার দেখে বেশ অবাক হয়েছিলাম।
দিদি, দাদা, আর দিদির প্রতিবেশী ওই কাকীমা এই তিনজন চা খেয়েছিলেন। তন্দুর চা প্রতি কাপ ৫০ টাকা নিয়েছিলো। বাকি আমরা কেউ আর চা খাইনি।
|
|---|
|
|---|
তবে বাচ্চারা আইসক্রিম খাওয়ার বায়না করেছিলো। শীতের মধ্যে আইসক্রিম খেতে দেওয়ার খুব একটা ইচ্ছে না থাকলেও, গোটা মেলার মধ্যে তারা আর কোনো কিছু খাওয়ার বায়না করেনি ভেবেই, তিনজনকে তিনটে সফটি আইসক্রিম কিনে দেওয়া হয়েছিলো। দাম নিয়েছিলো ১০০ টাকা করে। ওগুলো পেয়ে কি যে খুশি ছিলো তিনজন, আশাকরছি উপরের ছবি দেখে বুঝতে পারবেন।
|
|---|
বাকি রইলাম আমি আর বৌদি, কি খাবো সেটা ভেবে না পেয়ে পাশে একটা মিও আমোরের দোকান চোখে পড়তেই আমরা দুজন দুটো রেড ভেটভেট কেক নিলাম। এরপর আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করবো এমনটাই ঠিক হয়েছিলো।
|
|---|
তখনই ওখানে অ্যানাউন্সমেন্ট শুনলাম কিছুক্ষণের মধ্যে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত সংগীতকার ও গায়ক অনু মালিক সেখানে উপস্থিত হতে চলেছেন। এই অ্যানাউন্সমেন্ট শোনার পর ওনাকে এক ঝলক দেখার লোভ আর সামলাতে পারলাম না।
|
|---|
তাই অডিটোরিয়ামের দিকে এগিয়ে গেলাম। সেখানে গিয়ে যথেষ্ট লোকের ভিড় চোখে পড়লো। তাই একটু দূরেই দাঁড়িয়ে পরলাম সকলে মিলে। ভিতরে গেলে বেরিয়ে আসাটা কঠিন হবে ভেবে দূর থেকে এক ঝলক দেখে বেরিয়ে যাবো, এমনটাই ঠিক হলো।
স্টেজটা আমাদের থেকে অনেকটা দূরে ছিলো ঠিকই। তবে বড় প্রোজেক্টর লাগানো ছিলো, যেখানে অনু মালিককে দেখতে পাবো এই বিশ্বাস নিয়েই দাঁড়িয়ে ছিলাম।
|
|---|
অনেকটা সময় পার হয়ে গিয়েছিলো। এমনটা আসলে সব অনুষ্ঠানেই হয়, কোনো বিখ্যাত ব্যক্তিকে স্টেজে তোলার আগে অনেকটা সময় নিয়ে তার সম্পর্কে অ্যানাউন্স করে। যাইহোক শেষ পর্যন্ত অনু মালিক স্টেজে উঠলেন। দূর থেকে ওনাকে এক ঝলক দেখলাম।
যদিও উনি কোনো গান পারফর্ম করেননি। গান গাওয়ার জন্য আলাদা করে ওনার সাথে অন্য গায়কেরা এসেছিলেন। তবে অনু মালিকের সব বিখ্যাত গানই সেদিন গাইছিলো। পথে আসতে আসতে অনেকগুলো গান শুনতে পেয়েছিলাম।
|
|---|
বাচ্চাদের আইসক্রিম শেষ হওয়া পর্যন্তই আমরা ওখানে অপেক্ষা করেছিলাম। তারপর সকলেই আস্তে আস্তে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। হঠাৎ করে প্ল্যানটা হয়েছিলো, কিন্তু সময়টা আমরা সকলে মিলে দারুন ভাবে উপভোগ করেছিলাম। আর উপরি পাওনা ছিলো, অনু মালিকের মতোন এমন বড় একজন সংগীতকারকে এক ঝলক দেখা।
সবকিছু মিলিয়ে মুহূর্ত গুলো আনন্দে কেটেছিলো। তারপর দিদি বাড়িতে ফিরে রাতে খাওয়া দাওয়া, গল্প সমস্তটা করে পরদিন বাড়ি ফিরেছিলাম আমরা। যাইহোক অন্তিম পর্বে আপনাদের সাথে মেলায় ঘোরার বাকি অভিজ্ঞতাও শেয়ার করলাম। আশাকরি আপনাদের এই অভিজ্ঞতা পড়ে ভালো লাগলো।
সকলে ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আজকের দিনটা আপনাদের খুব ভালো কাটুক, এই প্রার্থনা করে আজকের লেখা শেষ করলাম।
I had a lot of fun reading the final part of the Dum Dum fair experience you had. What I find amazing was how simple moments with family turned out to be unforgettable. You all went to the tea store and you know the kids always love to have some ice cream. It's good to see how curious you are about the different kinds of tea available Your post let me remember that happiness doesn't just come from experiencing life all alone but with spending quality time with family and those who matter it's also good to appreciate every single moment we share with loved ones.
Bravo amigo 👏🏿 &
Steem on!!!
0.00 SBD,
5.71 STEEM,
5.71 SP