মুরগি ভাজি নিয়ে আসার কিছু মুহূর্ত।
অনেক দিন আগে মুরগি ভাজি খেয়ে ছিলাম তার কয়েকটি ছবি ধারণ করা আছে। যে ছবি গুলো আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য উপস্থিত হয়েছি।
আসলে বেশ কিছু দিন ধরে মুরগি ভাজি খাওয়া হয় না কারণ আগের মতো সেই ভাবে বাহিরে যাওয়া হয় না। বাহিরে তো অনেক যাওয়া হয় কিন্তু সেই ভাবে বাজারে যাওয়া হয় না।
আগে যেখানে কাজ করেছিলাম সেখানে রবিবার আসলেই বিকালে বাহিরে যাওয়া হতো। কিন্তু এখন যেখানে আছি সেখান থেকে বাজার অনেক দূর এবং সেই ভাবে মানুষও পাওয়া যায় না।
তবে আগে যেখানে কাজ করতাম রবিবারে বিকালে সবাই কম বেশি বাজারে যেতো। তার পাশা পাশি বাজার অল্প দূরে ছিলো বলে সবাই কম বেশি যাতায়াত করত। যাইহোক সেই সময় ধারণ করা ছিলো এই ছবি গুলো আমার মোবাইলে।
আজকে কোন বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব খুঁজে পাচ্ছিলাম না। মোবাইলের গ্যালারি দেখতে দেখতে এই ছবি গুলো সামনে চলে আসে। তাই ভাবলাম সেই পুরনো দিনের কথা গুলো আজকে শেয়ার করা যাক।
এটা ছিলো কোনো একটি রবিবার বাজারে যাই এবং বাজারে গেলে কিছু খাওয়া হোক আর না হোক মুরগি ভাজি আমার নিয়ে আসতে হতো। মুরগি ভাজি মালয়েশিয়াতে অনেক জনপ্রিয়তা আছে। তার পাশাপাশি সব মুরগি ভাজি সবাই খেতে পারে না যেমন আমি।
এখানে কিন্তু বিভিন্ন ধরনের মুরগি ভাজি পাওয়া যায় তবে আমি সব ধরনের মুরগি ভাজি খেতে পারি না। এমন কি মুরগি পোড়ানো পাওয়া যায় ছোট ছোট করে কেটে। বাজারে আমাদের সাথে কাজ করে তারা খেয়েছে আমাকে অনেক বার খেতে বলেছে কিন্তু আমার দিয়ে সেটা হয় নাই।
তবে এই যে মহিলাটি মুরগি ভাজি করছে এটা আমার কাছে সব সময় ভালো লাগে। এমন কি যদি আমি বাজারে নাও যেতে পারতাম। এবং পরিচিত মানুষ যদি যেতো তাদেরকে আনতে বলতাম আমার জন্য এই মুরগী ভাজি।
এখানে বেশির ভাগ দেয়া হয় ঝালের গুড়ো এবং তিন থেকে চার পদের লবণ। হালকা টক ঝাল মিষ্টি এমন ধরনের অনেক মসলা এই মুরগি ভাজিতে ব্যবহার হয়। যার জন্য এই মুরগি ভাজি আরো মুখে স্বাদ নিয়ে আসে। এটা প্রত্যেকটি মানুষ খেতে পারে যারা নতুন মালয়েশিয়া এসেছে তারাও এটা খেতে পারে।
আসলে অনেক সময় নতুন যারা মালয়েশিয়াতে আসে তারা সব জিনিস খেতে পারে না। আমি এই তিন বছর হতে গেলো তার মধ্যে থেকে এখনো অনেক কিছুই খেতে পারি না। এটার কারণ আমাদের বাংলাদেশের সাথে এখানের খাদ্যের কোন মিল নাই।
এবং আশা পর্যন্ত ভাইদের হাতে রান্না নিজে রান্না করে খাওয়া দাওয়া করি যার জন্য বাহিরের খাওয়ার খাওয়া হয় না। এই মুরগি ভাজি ১২ রিঙ্গিত এবং ১৪ রিঙ্গিত করে বিক্রি হয়। এবং এটা নিতে হলে সিরিয়াল দিতে হয় কারণ তার দোকানে অনেকটা মানুষ দেখা যায়। সব সময় যে দোকানে মানুষ দেখা যায় তা নয় অনেক সময় অল্প সময়ের মধ্যেও এটা পাওয়া যায়।
মাঝে আমি অন্য আরেকটি দোকানে গিয়ে ছিলাম সেখানে আমার ৩৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে শুধু মানুষের পেছনে। তবে এই যে ছবি গুলো দেখছেন এটা আমার ভালো মনে আছে এখানে আমার খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয় না। বিশেষ করে সন্ধ্যার সময় এই দোকানে মানুষের ভিড় দেখা যায়।
এই মুরগি ভাজি ফুটন্ত তেলের ওপরে ছেড়ে দেয় এবং মেশিনের মাধ্যমে মুরগি গুলো অনেক পাতলা করে নিয়ে আসে। যেগুলো তেলের মধ্যে দিলে খুবই দ্রুত ভাজি হয়ে যায় সেখান থেকে তুলে কেটে সেখানে বিভিন্ন ধরনের মসলা দেওয়া হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যে এটা তৈরি হয়ে যায়।
যাই হোক সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং মালয়েশিয়াতে মুরগি ভাজি খেতে আমার অনেক ভালো লাগে এবং এটা সবার কাছে ভালো লাগবে বলে আমার মনে হয়। যাই হোক নিজের প্রিয়জনের সাথে সুখে থাকুন সুস্থ থাকুন এই কামনা করে বিদায় নিলাম ধন্যবাদ সবাইকে।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.