প্রচন্ড গরমের মধ্য থেকে ঠান্ডা পানি খাওয়ার কিছু মুহূর্ত।

in Incredible Indialast year

বেশ কিছু দিন ধরে প্রচন্ড গরম পড়ছে পাশা পাশি বৃষ্টিও হচ্ছে। তবে গরমের দেখাটা বেশি দেখা যাচ্ছে যার ফলে শরীর অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। বাহিরের এই কঠোর পরিশ্রমের মধ্য যখন প্রচন্ড গরম পড়ে। তখন অনেকটা বেশি শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

1000064058.jpg

মাঝে মাঝে তো এতটাই খারাপ লাগে মনে হয় কাজে না গিয়ে একটু ঘুমিয়ে থাকি। এতটাই খারাপ লাগে মনে হয় এই বাহিরের জীবন শেষ করে নিজের জন্মভূমিতে ফিরে যায়। তবে বাড়ি গিয়ে কি করবো এবং ডিউটি না করেও উপায় নাই কি হবে রুমে বসে থেকে থেকে।

এই সব বাজে চিন্তা মাঝে মধ্য মাথার মধ্যে চলে আসে। তবে আবার কিছু সময় পরে যখন বৃষ্টি হয় তখন অনেকটা ভালো লাগে। দুই দিন আগে এতটাই বেশি গরম পড়ছিল যে সহ্য করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। তাই রেস্ট টাইমের সময় ক্যান্টিনে গিয়ে ছিলাম ঠান্ডা পানি নিয়ে আসতে।

1000063864.jpg

ক্যান্টিনে গিয়ে ঠান্ডা নিয়ে আসার কিছু মুহূর্ত ফটোগ্রাফি ধারণ করেছিলাম। যেগুলো আজ আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। আসলে বাহিরের জীবন অনেক টাই কঠিন এবং পরিশ্রমের জায়গা। এখানে নিজের পরিশ্রম নিজেকেই করতে হয় অন্য কেউ করে দেয় না।

মাঝে মধ্যে খুবই বেশি খারাপ লাগে এবং বিশেষ করে যেখানে আছি পাহাড়ের উপরে। তাই আরো বেশি গরম লাগে। কারণ সূর্যের তাপ সব সময় যেনো মাথার উপরে থাকে। কাজ করি অনেক নিচে সকালে যেতে খুবই আরাম লাগে। তবে সেখান থেকে ক্যান্টিনে বা দুপুরে খাওয়ার জন্য ওপরে আসতে অনেক টাই কষ্ট হয়।

1000063862.jpg

নিচে নামতে মোটেও কষ্ট হয় না কিন্তু ওপরে উঠতে সত্যি অনেক কষ্ট করতে হয়। এটা আমাদের বাস্তব জীবনের সাথে একটি মিল আছে। আমাদের জীবনে নিচে নামার জন্য কোন সময়ের প্রয়োজন হয় না। অল্প ভুলের মধ্যেও আমরা নিচে নামতে পারি। তবে উপরে উঠতে গেলে সত্যিই আমাদের অনেক পরিশ্রম করতে হয়।

যে কোনো জায়গায় পরিশ্রম করলে ওপরে ওঠা যায়। যাই হোক ক্যান্টিন উপরে বলে কেউ কাজের মধ্যে থেকে আসতে চায় না। তবে আমার আর ভালো লাগছিল না পানি সাথে ছিলো যা খেয়ে আমার তৃপ্তি মেটে নাই। তাই আমি ঠান্ডা নেওয়ার জন্য উপরে আসছিলাম। তখন আমার ভাইয়েরা বলছিল তাদের জন্যও ঠান্ডা নিয়ে যাওয়ার কথা।

1000063863.jpg

ক্যান্টিনে এসে ইন্দোনেশিয়ার একটি মহিলা এখানে ক্যান্টিন চালাই তাকে বললাম পাঁচটি ঠান্ডা দিতে। আমরা এখানে তিনটি জুস অর্ডার দিয়েছিলাম। এবং একটি টাইগার ও অন্যটি হান্ড্রেড প্লাস অর্ডার দিয়ে ছিলাম। হান্ড্রেড প্লাস খাওয়া সত্যি শরীরের জন্য অনেক উপকারী রাখে তবে এটা সবাই খেয়ে সহ্য করতে পারে না।

1000063865.jpg

বিশেষ করে আমি তো খেয়ে সহ্য করতে পারি না। যাইহোক অর্ডার দেওয়ার বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়। কারণ সেখানে আরো অনেক মানুষ চলে আসে। তাদের অর্ডার গুলো শেষ করতে করতে আমারটা অনেক দেরি হয়ে যায়। সেখান থেকে ঠান্ডা নিয়ে ভাই এবং আরো যে ভাইয়েরা কাজ করে। এক সাথে সবাই বসে খেয়ে ছিলাম তখন মনে হলো একটু তৃপ্তি পেয়েছি।

1000063896.jpg

সত্যি অনেকটা খারাপ লাগে কোনো কিছু ভালো লাগে না । এবং তার পাশা পাশি আজ কয়েক দিন নিজের মনটা উড়ো উড়ো হয়ে গিয়েছে । কিছুই ভালো লাগছে না তবুও কাটছে জীবনটা সুন্দর ভাবে। যে ভাবে কাটছে আলহামদুলিল্লাহ ভালই কাটছে এটাতেই আমি খুশি আছি । আপনাদের ও সুন্দর ভাবে জীবন কাটুক এই কামনা করে শেষ করলাম আজকের মতো সবাই ভালো থাকবেন।

1000045708.png

1000046883.gif

ধন্যবাদ সবাইকে আমার পোস্টটি পড়ার জন্য।

@baizid123

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

Loading...
 last year 

সত্যি যা গরম পড়েছে বৃষ্টি হলে অন্তত কিছু সময়ের জন্য গরমের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। টাইগার এবং হান্ড্রেড প্লাস ড্রিংক এর ব্যাপারে আমার কোনো আইডিয়া নেই। তাই এই ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে পারলাম না। ভালো লাগলো আপনার পোস্ট পড়ে। এই গরমে ভালো এবং সুস্থ থাকুন এই কামনা করি।

 last year 

এই গরমের মধ্যে ঠান্ডা পানিও আমাদের স্বার্থের জন্য খুবই উপকার তবে আপনি যেই টাইগার এবং অন্য পানীয় অর্ডার করেছেন সেটা কিন্তু আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল কাজ করে না তবে আপনি লিখেছেন আপনি আরো একটা জিনিস অর্ডার করেছেন যেটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারিতা এবং সেটা সবাই খেয়ে সহ্য করতে পারে না আপনি নিজেও পারেন না যাইহোক কাজের মধ্যে ঠান্ডা পানীয় খাওয়ার মুহূর্ত আমাদের সাথে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ। আপনার মনটা কেন উরু উড়ো হয়ে গেছে জানিনা তবে অবশ্যই ধৈর্য ধারণ করুন ইনশাল্লাহ সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.101
BTC 63945.53
ETH 1803.59
USDT 1.00
SBD 0.39