যমুনা নদীর তীরে একদিন
হিমালয়ের পাদদেশ থেকে ভারতের বুক চিরে বয়ে চলা ব্রম্মপুত্র নদী যার অববাহিকা বাংলাদেশে এসে যমুনায় পরিণত হয়েছে।
এই বয়ে চলা নদীর ধারার উপর দিয়ে ১৯৯৮ সালে গড়ে উঠেছে বঙ্গবন্ধু সেতু যা দেশের পূর্ব-পশ্চিমাঞ্চলকে একীভূত করেছে।
প্রতি মৌসুমে এই নদী বিভিন্ন রূপ ধারণ করে। তবে শুকনো মৌসুমে এই নদীর রূপবৈচিত্র আমার বেশী লাগে।
তাই যখন এই নদীর উপর দিয়ে ট্রেনে যাতায়াত করি ভালো কিছু দৃশ্য পেলে ক্যামেরা বন্দী করার চেষ্টা করি। এই ছবিগুলি ঢাকা থেকে বাসায় আসার পথে তুলেছিলাম।
চৈত্র মাসে নদীর বুকে জেঁকে ওঠা চর নদীর সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে দেয়। মনে হয় এই দৃশ্যের দিকে আরো কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকি।
এই চরগুলোর মাঝে স্রোতবিহীন পানির মাঝে দাপিয়ে বেড়ানো ছোট ছোট ডিঙ্গী নৌকোগুলো দেখতে আরো ভালো লাগে। সাধারণত মাছধরার জন্য জেলেরা এই নৌকো বের হয়।
নদীর দুপাশে জমে থাকা এই অল্প পানিতেই তীরবর্তী এলাকার মানুষজন তাদের দৈনন্দিন জীবনের গোসল-কাপড়ধোয়ার কাজকর্ম সেরে নেয়।
সেতুর উপর ট্রেনের গতি খুব স্লো থাকে। যতদূর জানি ঘন্টায় ২০ কি.মি গতিতে চলাচল করে। মূলত সেতু সুরক্ষার জন্য এটা করা হয়।
এই ধীর গতির কারণেই আমার ক্ষুদ্র স্মার্টফোন দিয়ে ছবিগুলি তোলা সম্ভব হয়েছে। যাই হোক আজ এ পর্যন্তই । এরপর হবে হয়তোবা অন্য কোন ভ্রমণের বর্ণনা ।