কথাই নয় কাজের মাধ্যমে উপকৃত মুসলিমের পরিচয়
অবশ্যই মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করা কিংবা একজন মুসলিম হিসেবে পরিচয় দেওয়াটা একটা সৌভাগ্যের ব্যাপার।প্রত্যেক ধর্মের মানুষই তার নিজের ধর্ম নিয়ে স্বাচ্ছন্দে রয়েছে এবং তারা নিজেদেরকে সৌভাগ্যবান মনে করে।অবশ্যই প্রত্যেক ধর্মের প্রতি আমাদের সম্মান থাকা উচিত এবং যার যার অবস্থান থেকে প্রত্যেকের আলাদা সম্মান রয়েছে।একজন মুসলিম হিসেবে আপনি যখন জন্মগ্রহণ করেছেন তখন আপনাকে অবশ্যই মুসলিমের কিছু অবধারিত নীতিমালা পালন করা উচিত।মুখে মুসলিম বললেই মানুষ মুসলিম হয়ে যায় না মুসলিম কাজে-কর্মে বাস্তবায়ন করে দেখাতে হয়।
পৃথিবীতে অনেক মানুষ রয়েছে সবাই মুসলিম নয়, মুসলিমের আলাদা যোগ্যতা ও আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে।একজন ব্যক্তির মধ্যে যখন চিহ্নিত কিছু বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যাবে এবং এই বৈশিষ্ট্য গুলো যদি সে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করে তবেই সে প্রকৃত মুসলিম হিসেবে চিহ্নিত হবে।মুসলিম হলো তারাই যারা নিজেদেরকে এক মাত্র আল্লাহর দিকে আর তো সমর্পণ করে দিয়েছে।অর্থাৎ যাদের ধন সম্পদ জীবন জীবিকা শ্রম সবকিছুই শুধু মাত্র এক আল্লাহর জন্য।
যারা আল্লাহর বিধান কুরআনের নিয়ম অনুসরণ করে নিজেদের জীবন অতিক্রম করবে এই শপথে আবদ্ধ তারাই প্রকৃত মুসলিম।
শপথ গ্রহণ করার পর সেই টাকে রক্ষা করার জন্য একজন প্রকৃত মুসলিম দিনরাত পরিশ্রম করে যাবে এবং নিজেকে মুসলিম হিসেবে প্রমাণ করার জন্য চেষ্টা করে যাবে।তাই কেউ মুখে মুসলিম বললেই আল্লাহ তাকে মুসলিম হিসেবে গ্রহণ করবেন না একজন মুসলিমের যে কাজ রয়েছে তাকে অক্ষরে অক্ষরে সে কাজগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।কর্ম বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে একজন মুমিন ঈমানদার কিংবা মুসলিমের পরিচয় পাওয়া যায়।কারো কর্ম যদি ঈমানদার মুমিন কিংবা মুসলিমের মত না হয় তাহলে সে মুখে যতই নিজেকে মুসলিম দাবি করুক না কেন সে মুসলিম হতে পারবেনা।
সুতরাংনিজেকে মুসলিম হিসেবে প্রমাণ করতে চাইলে।আল্লাহর নির্দেশিত পথ অনুসরণ করতে হবে ইসলামের নির্দেশিত প্রত্যেকটা নিদর্শন আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে।তবে আমরা প্রকৃত মুসলিম হতে পারব।
ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে শেষ পর্যন্ত লেখাটি পড়ার জন্য ।
আরও একটি নতুন লেখা নিয়ে পুনরায় আপনাদের সামনে উপস্থিত হব ইনশাল্লাহ।
Thank you for sharing posts, improve the quality of your posts and stay original.
Review |