ভলিবল খেলা। Sports | @alokroy647
How are you all??? I guess you all are doing well by the grace of Almighty 💝. Today i going to write about a very incredible sport that is Volleyball. This game is not commonly played in our country. I have tried my best to explain about Volleyball below.......
ভলিবল
ভলিবল একটি দলগত খেলা। খোলা জায়গায় কিংবা জিমনেসিয়াম এর সকল বয়সের নারী-পুরুষ ভলিবল খেলতে পারে। এই আনন্দপূর্ণ খেলাটি উদ্ভব ঘটে আমেরিকায়। 1895 সালে হলিউডের ওয়াইএমসিএ কলেজের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক উইলিয়াম জি মর্গ্যান খেলা আবিষ্কার করেন। 1896 সালে আমেরিকার স্প্রিংফিল্ড কলেজের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের শিক্ষকরা এ ধরনের ধরন অনেকটা এর মত দেখে এর নাম ভলিবল রাখেন। 1947 সালের 20 এপ্রিল ফ্রান্সের পরিবারের প্রচেষ্টায় আন্তর্জাতিক ভলিবল ফেডারেশন গঠিত হয় । বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর 1972 সালে বাংলাদেশের ফেডারেশন গঠিত হয়। তখন থেকে বাংলাদেশ ভলিবল খেলার প্রসারে জনপ্রিয় করতে এই ফেডারেশন কাজ করে আসছে।
ভলিবল খেলার আইন কানুন
খেলার কোট
খেলার কোট হবে একটি আয়তক্ষেত্র যার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের মান হবে 18 মিটার × 9 মিটার। কোর্টের মেঝে থেকে 7 মিটার উচ্চতার মধ্যে কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা থাকবে না।
বাউন্ডারি লাইন
কোর্টে চতুর্দিকে সীমানা পার সেন্টিমিটার চওড়া বাউন্ডারি লাইন দ্বারা চিহ্নিত করতে হবে। বাউন্ডারি লাইন থেকে চারিদিকে 2 মিটার বিজড়িত স্থান প্রতিবন্ধকতা মুক্ত থাকতে হবে।
সেন্টার লাইন
কোর্টের পার্শ্ব রেখাকে সমান দুই ভাগে ভাগ করে একটি লাইন ট্রেনের দুইদিকে যুক্ত করতে হবে। এই রেখাটি ফলাফল নেটের সরাসরি নিচে হবে এবং দুই ভাগে বিভক্ত করবে।
এ্যটাক এরিয়া:
মধ্য লাইনের সমান্তরালে মধ্য লাইন থেকে তিন মিটার দূরে একটি লাইন টানতে হবে যার দুই প্রান্ত দুইপাশের লাইনের সাথে গিয়ে মিলবে। মধ্য লাইন বা মধ্য রেখা দ্বারা বিভক্ত 2 টি কোর্টে দুইটি এটাকে রিয়া তৈরি হবে এর দৈর্ঘ্য প্রস্থ হবে যথাক্রমে 9 মিটার × 3 মিটার।
সার্ভিস এরিয়া:
ব্যাক লাইন এর পিছনে পুরো জায়গা এবং ব্যাক লাইন থেকে 20 সেন্টিমিটার থাক রেখে 15 সেন্টিমিটার দিতে হবে। এর ভিতর জায়গাকে সার্ভিস এরিয়া বলে।
তাপমাত্রা
যদি ইন্ডিয়ার কোর্ট হয় তবে কোর্টের তাপমাত্রা 10 ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা 50 ডিগ্রি ফারেনহাইট এর নিচে হবেনা।
বল ,খেলোয়াড় ও খেলোয়াড়দের সরঞ্জাম
বল গোলাকার ও ধরন চামড়া দিয়ে তৈরি হবে। ভিতরের নরম ব্লাডার থাকবে। বলের পরিধি 67 সেন্টিমিটার হবে।
প্রতি দল 12 জন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত হবে। খেলোয়াড়দের মধ্যে থেকে একজন ক্যাপ্টেন নিয়োজিত থাকবে। তার বুকের বাম পাশে একটি প্রতীক চিহ্ন বা ফিতা লাগাতে হবে।
জার্সি, শর্টস এবং হিল ছাড়া হালকা নমনীয় জুতা হচ্ছে খেলার পোশাক। সকল খেলোয়াড়ের একই রঙের পোশাক থাকবে। জার্সির সামনে-পিছনে জার্সি থেকে বিভিন্ন রংয়ের একই নম্বর হবে।
কোর্টে 6 জন খেলোয়াড় অবস্থান নিবে। ইন্ডিয়ান থাকবে অ্যাটাক এরিয়ায়, অপর তিনজন পিছনের কোর্টে। খেলা শুরুর আগে খেলোয়াড়দের অবস্থান ও রোটেশন সম্পর্কে আম্পায়ারকে তথ্য দিতে হবে যাতে এই রটেশন গেম বাসের সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত বজায় থাকে। তবে প্রতি সেট শুরুর আগে রোটেশন অর্ডার পরিবর্তন করা যায়।
কোর্টে খেলার প্রবেশের পূর্বে রেফারি 2 অধিনায়ক এর উপস্থিতিতে টস করবেন এবং টসে বিজয়ী অধিনায়ক সার্ভিস বা কোর্ট পছন্দ করবে। 6 জন খেলোয়াড় ঘড়ির কাঁটার মতো ঘুরে রটেশন করবে। বল যখন বাইরে যায় অর্থাৎ ডেড হয় তখন কষবা ক্যাপ্টেন এ অনুরোধে রেফারি টাইম আউট দিতে পারেন। 6 জন খেলোয়াড় কোর্টে খেলবে এবং অতিরিক্ত 6 জন খেলোয়ার কোচসহ নির্দিষ্ট জায়গায় বসে।
যে দল সার্ভিস করবে সেই দল যদি বলটির রেলের সমাপ্তিতে জিততে পারে তবে একটি পয়েন্ট সংগ্রহীত হবে আর যদি ওই র্যালিতে হেরে যায় তবে বিপক্ষদল সার্ভিস ও পয়েন্ট পাবে। যে দল প্রথম প্রতিষ্ঠিত সংগ্রহ করবে সে দল ওই সেটে বিজয়ী হবে। তবে ওই দলকে বিপক্ষ দল থেকে কমপক্ষে 2 বেশি থাকতে হবে। যদি উভয় দলের পয়েন্ট সমান হয় তবে ওই পয়েন্টের ব্যবধান না হওয়া পর্যন্ত খেলা চলতে থাকবে। 5 সেটের প্রতিযোগিতায় যে দল বিজয়ী হবে সে দল প্রতিযোগিতায় জয় লাভ করবে । চূড়ান্ত সেট 15 পয়েন্টে সম্পন্ন হয়।
ভলিবল খেলার কলাকৌশল
সার্ভিস
একহাতে বল শূন্যে তুলে অপরাধ বা মুষ্টি বদ্ধ অবস্থায় জোরে আঘাত করে বিপক্ষের কোর্টে প্রেরণ করা কে সার্ভিস বলে। যদি সার্ভিস করা বল নেট বা অ্যান্টেনা স্পর্শ না করে, নেটের নিচ দিয়ে না যায় কিংবা বিপক্ষ কোর্টের বাইরে না পড়ে তাহলে সার্ভিস সঠিক বলে গণ্য হবে। সার্ভিস সাধারনত দুই প্রকার - ১. আন্ডার হ্যান্ড সার্ভিস ২. টেনিস সার্ভিস
রোটেশনে দাঁড়ানো
6 জন খেলোয়াড়ের ক্রমিক নম্বর যদি এক থেকে ছয় নম্বর হয় তাহলে কোর্টে তিনজন এবং পিছনের কোর্টে তিনজন দাঁড়াবে। সামনের কোর্টে তিনজনের অবস্থান হবে ডান দিকের দুই নম্বর, মাঝখানে তিন নম্বর এবং সর্ব ডানে এক নম্বর খেলোয়াড় দাঁড়াবে। বিপক্ষ দলের সার্ভিস হারালে ওই দল সার্ভিস করবে। তখন রোটেশন করতে হবে নিয়ম অনুযায়ী এক নম্বর খেলোয়াড় পিছনের কোর্টের 6 নম্বর খেলোয়াড় এর জায়গায় গিয়ে সার্ভিস করবে। এভাবে প্রত্যেক খেলোয়াড় এর অবস্থান পরিবর্তিত হবে। লোকেশন হবে ক্লকওয়াইজ অনুযায়ী, সাজানো হবে এন্টি ক্লক অনুযায়ী।
পাসিং
বল পাস কে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ওভারহেড পাস
২. আন্ডার হ্যান্ড পাস
সেট - আপ
ফোল্ডারের সম্মুখ সারির কোন খেলোয়ার আন্ডার হ্যান্ড পাস বা দিগিং থেকে প্রাপ্ত বল দুই হাতের প্রসারিত তালু ও আংগুল সহযোগে নেটের কাছাকাছি উপরে উঠিয়ে দেবে এবং স্ম্যাশকারী দৌড়ে এসে অথবা নিজ জায়গায় লাফ দিয়ে উঁচুতে উঠে বল স্ম্যাশ করবে। সেট আপ যত সুন্দর হবে স্ম্যাশ ও তত নিখুত হবে।
স্ম্যাশিং
স্ম্যাশিং এর বলটিকে অবশ্যই নেট এর উপরে থাকতে হবে।
বল কে যেখানে স্ম্যাশ করতে হবে সেখান থেকে তিন পা পিছনে খেলোয়াড়দের অবস্থান থাকতে হবে। সেখান থেকে দৌড়ে এসে লাফিয়ে উঠে শরীরকে বলের পিছনে নিয়ে আসতে হবে। এজন্য দুই হাঁটু ভাঁজ করে লাফ দিতে হবে যাতে উঁচুতে উঠে যায়। যে হাতে স্ম্যাশ করতে হবে সেটা পিছন দিকে থেকে ঘুরিয়ে বলের উপর নিতে হবে। স্ম্যাশ করার পর শরীর সোজা নিচে নেমে আসবে। অনেক সময় বিপক্ষ দলকে ভয় বোঝানোর জন্য বিশ্বাস না করে হাতের সাহায্যে বিভিন্ন দিকে ঠেলে দেওয়া হয়।
ব্লকিং
বিপক্ষ দলের স্ম্যাশের প্রতিরক্ষা করার জন্য কোর্টের সামনের সারির এক বা একাধিক খেলোয়াড় পরস্পরের হাত পাশাপাশি রেখে লাফিয়ে উঠে স্ম্যাশ প্রতিরোধ করতে পারে। ব্লক দেওয়ার সময় জোড়া পায়ের লাফিয়ে উঠতে হবে। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন ব্লগিং করার সময় হাত স্পর্শ না করে।
এগুলো হচ্ছে ভলিবল খেলার কলাকৌশল।
Nice post