তালপাতার পাখার বাতাস যেন শরীরকে শীতল রাখে
স্টিম ফর ট্রেডিশন |
|---|
আসসালামু আলাইকুম বন্ধুগণ। আশা করি সকলে ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আজ আমি তালপাতার পাখা নিয়ে আপনাদের মাঝে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ। আশা করি সবার ভালো লাগবে।
জৈষ্ঠ্য মাস চলছে।আর জৈষ্ঠ্য মাসে প্রচুর গরম হয়। বৈশাখ ও জৈষ্ঠ্য এই দুই মাস গ্রীষ্মকাল। আর এর জৈষ্ঠ্য মাসের গরমেই আম, কাঁঠালসহ সিজনাল ফল গুলো পেঁকে যায়। আমাদের এদিকে একটি কথা আছে "জৈষ্ঠে্য পোড়ে আর আষাঢ়ে ভরে "। এই কথাটির মর্ম এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। বর্তমানে যে পরিমাণে গরম বেড়ে চলছে তাতে জীবন যায় যায়।তার উপর ঘন্টায় ঘন্টায় লোডশেডিং। আর এ লোডশেডিং এর সময় বাতাসের একমাত্র অবলম্বন হল হাতপাখা। আর সেটা যদি তালপাতার পাখা হয় তাহলে তো কোনো কথাই নেই।কারণ তালপাতার বাতাস খুবই ঠান্ডা।আর এগুলো দেখতেও খুবই সুন্দর হয়। এগুলো বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। একধরনের পাখা মুড়িয়ে রাখা যায়। এ পাখাগুলো যেকোন জায়গায় পরিবহন করা যায়। যেমন ব্যগে করে স্কুল কলেজে নিয়ে যাওয়া যায় এবং হাতেও ধরে রাখা যায়। আর এক ধরনের পাখা সাধারণত হাতপাখার মত দেখতে হয়।তবে এগুলোতে কাপড়ের ঝালর লাগালে সুন্দর দেখায়।তালপাতার হাতপাখাগুলোতে বিভিন্ন নকশা আঁকা থাকে।এগুলোতে লাল ও সবুজ রং বেশি ব্যবহার করা হয়। তাতে এগুলো দেখতে সুন্দর লাগে।
তালপাতার পাখাগুলো তালপাতা দিয়ে তৈরি করা হয়। একটি পাতা থেকে ২-৩ টি পাখা তৈরী করা যায়। শুকালে এই পাতাগুলো বেশ শক্ত হয়ে যায়। একারণে তালপাতার পাখাগুলোও টেকসই হয়। তালপাতার পাখাগুলো অনেক হালকা।তাই সহজে হাত দিয়ে বাতাস করা যায়। একারণে হাতে ব্যাথা ধরে না। অনেকেই বংশপরম্পরায় এই তালপাতার পাখা তৈরী করে আসছেন।এগুলো বিক্রি করে তারা তাদের সংসার চালান।এসব বিক্রি করে তাদের কেমন লাভ হয় তা আমার জানা নেই।
আমি এই পাখাটি ভবের বাজারে কিনেছিলাম।ওখানকার বটের মোড়ে একজন হকার দাঁড়িয়ে ছিলেন। পাখাগুলো দেখেই আমার বেশ ভাল লেগেছিল। তাই কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করলাম।আঙ্কেলকে এগুলোর দাম জিজ্ঞেস করলাম।তিনি বললেন ৫০ টাকা।আমি ওনাকে বললাম যে ৩০ টাকা দেব।আর এককথাতে তিনি দিয়ে দিলেন। এমন একটি পাখা আমি রাজশাহী থেকে আসার সময় ট্রনে কিনেছিলাম। কিন্তু আমার মহৎ হৃদয়ের বাবা সেটা বাসায় আনতে দেন নি।তিনি ট্রেনের সিটে যে পকেটগুলো থাকে সেখানে রেখে দিলেন।🙃গরমে নাকি মানুষের উপকার হবে। তাই আর বাসায় আনা হল না।
| ডিভাইস | রেডমি ১০ সি |
|---|---|
| ক্যামরা | ৫০ মেগাপিক্সেল |
| ফটোগ্রাফার | @tamannafariah |
| লোকেশন | ভবের বাজার,পার্বতীপুর |
ঠিক বলেছেন আপু গরমের সময় এই পাখাগুলো অনেকে ব্যাগের মধ্যে নিয়ে যায়। অনেক বছর আগে এরকম পাখা ট্রেন থেকে একবার কিনেছিলাম। ফটোগ্রাফি গুলো অনেক ভালো হয়েছে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য
ধন্যবাদ ভাইয়া।
বাহ হাত পাখা গুলো অনেক সুন্দর দেখতে আপু।আমিও এরকম হাত পাখা খুঁজি,কিন্তু এখনো চোখে পড়েনি কোথাও।এই হাত পাখা বিলুপ্তপ্রায়। সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন আপু। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি কনটেন্ট শেয়ার করার জন্য।
আপু এগুলো হকারদের কাছে পাওয়া যায়। ধন্যবাদ।
https://twitter.com/Tamanna21464/status/1666056017321562112?t=7YhLJLcYxO26HikGM3BLwQ&s=19
অনেকদিন পর তাল পাতার তৈরি পাখা আপনার পোস্টের মাধ্যমে দেখতে পেলাম। আগেরকার যুগে মানুষের গরমের দিনে বাতাস খাওয়ার একমাত্র মাধ্যম ছিল তাল পাতার তৈরি পাখা।
ধন্যবাদ।
হাতপাখা নিয়ে অনেক সুন্দর একটা পোস্ট করেছেন।হাতপাখা আমাদের গ্রাম অঞ্চলের ঐতিহ্য। গ্রামের মানুষ তালপাতা দিয়ে হাতপাখা তৈরি করে থাকে। সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।
তালপাতার পাখা নিয়ে দারুণ লেখছেন আপু। বর্তমান সময় এখন হাত পাখার বেশি প্রয়োজন।হাত পাকার বাতাস খেলে শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। আপনি দারুণ ভাবে ফটোগ্রাফি করছেন আপু আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।
বাহ চমৎকার লাগলো আপনার পোস্টটা আমার কাছে, আপনি তাল পাখার সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন আপু। বিশেষ করে এসব পাখা জার্নিতে বেশি ব্যবহার করা হয়। সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন অনেক ভালো লাগলো অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।
আপনার তোলা তালপাতার ছবিগুলো অসাধারণ হয়েছে। তাল পাতার তৈরি পাখাগুলো দেখতে অনেক আসলেই অনেক সুন্দর। বর্তমানে হাতে তৈরি এই তালপাতার ব্যবহার নেই বললেই চলে। আপনাকে ধন্যবাদ আপু তালপাখা নিয়ে সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য।
ধন্যবাদ।
বাহ্ ফটোগ্রাফি গুলা অনেক সুন্দর ছিল। তাল পাতার তৈরি হাত পাখা গুলা দেখতে অনেক সুন্দর। এই হাত পাখা দিয়ে গরমের সময় গায়ে বাতাস করা হত। বর্তমানে প্রচুর গরম এই সময়ে হাত পাখা বেশি ব্যবহার হচ্ছে। আপনি তাল পাতার হাত পাখা নিয়ে দারুণ লিখেছেন আপু। ধন্যবাদ
ধন্যবাদ।
ঐতিহ্যবাহী তালপাতার পাখা নিয়ে সুন্দর আলোচনা করেছেন। পাখার ফটোগ্রাফি বেশ দারুণ করেছেন যা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট করার জন্য। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
ধন্যবাদ।