প্রাচীন ঐতিহ্যের নিদর্শন : মাটির তৈরি বাড়ি।
বুধবার,
তারিখ -২১ জুন ২০২৩
আসসালামু আলাইকুম,
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, সকলে কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানিতে আপনারা সবাই ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহ তায়ালার রহমতে ভালোই আছি। স্টিম ফর ট্রাডিশন কমিউনিটিতে আজ আমি ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি বাড়ি নিয়ে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি। আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
সাধারণত মাটি দিয়ে তৈরি বাড়িকে বলা হয় মাটির বাড়ি।এঁটেল বা এঁটেল দোআঁশ মাটি দিয়ে এসব মাটির বাড়ি বানানো হয়। আগে গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িই ছিল মাটির। শুধু স্বাভাবিক বাড়িই নয় মাটি দিয়ে বানানো হতো দুইতালা,তিনতাল বাড়ি।এই মাটির বাড়িগুলো দেখতে আসলেই অনেক সুন্দর। মাটির বাড়িতে থাকা খুবেই স্বাচ্ছন্দের।মাটির বাড়ি গরমের সময় ঠান্ডা ও ঠান্ডার সময় গরম অনুভব হয়।মাটির বাড়িগুলো সকল মৌসুমেই আরামদায়ক।
একেকটি মাটির বাড়ি তৈরি করতে অনেক সময় ও পরিশ্রম করতে হয়। কারন একেবারে বেশি উঁচু করে মাটির দেয়াল তৈরি করা যায় না।মাটির দেয়ালের উপরে খড়ের চাল দেওয়া হয়। অনেকে আবার টিন ও দিয়ে থাকে। এই মাটির দেয়ালে কেউ কেউ সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য রঙিন মাটি ও চুন দিয়ে বিভিন্নরকমের নকশা ফুটিয়ে তোলে। সে সময় বিত্তবানরা মাটির দুইতালা বাড়ি তৈরি করতো। একসময় গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িই মাটির তৈরি হলেও বর্তমানে আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রাম ঐতিহ্যবাহী মাটির বাড়ি আজ বিলুপ্তির পথে। এখন মানুষ ইট,সিমেন্ট ও বালু দিয়ে পাকা বাড়ি তৈরি করছে।
ছোট বেলায় দেখতাম আমাদের গ্রামের পাঁচ থেকে ছয়টি বাড়ি ছাড়া সবগুলোই ছিল মাটির বাড়ি।কিন্তু এখন আর একটি মাটির বাড়িও খুঁজে পাওয়া যাবে না।আমাদের ও মাটির বাড়ি ছিল কিন্তু এখন সেগুলো ভেঙে পাকা বাড়ি বানানো হয়েছে।আমার নানির বাসার পাশে এক নানুর দ্বিতলা মাটির বাড়ি ছিল।আমার আন্টি সহ আমি ঐ বাড়ির সিঁড়িতে বসে খেলতাম। আমি আমার ফুপির বাসায় বেড়াতে গিয়ে এই ছবিগুলো তুলেছি।এই বাড়িটি আমার ফুপির বাসার পাশেই অবস্থিত।
আমার লেখা পোস্ট পড়ার জন্য সকলকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ। সকলে সুস্থ ও ভালো থাকবেন।
| মোবাইল | Tecno 9t spark |
|---|---|
| ক্যামেরা | ৩৮ মেগাপিক্সেল |
| পোস্টের ধরণ | মাটির তৈরি বাড়ি। |
| লোকেশন | চিরিরবন্দর, গুড়িয়া পাড়া। |
ধন্যবাদ,
@siza
মাটির তৈরি বাড়ি ঐতিহ্য বহন করে। প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত এই মাটির তৈরি বাড়ি দেখা যায়। তবে বর্তমান সময়ে আধুনিকতার ছোয়ায় মাটির তৈরি বাড়ির সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী মাটির বাড়ি নিয়ে অনেক সুন্দর পোস্ট উপস্থাপন করেছেন।
সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
এখন মাটির বাড়ি খুবই কম দেখা যায়। তবে আমাদের বাড়িটিও মাটির বাড়ি। মাটির বাড়িতে অনেক আরাম আছে। ছোটোবেলায় যেমন দেখতেন যে ৫-৬ টা বাড়ি বাদে বাকি সব মাটির বাড়ি আর এখন ঠিক তার উল্টোটা দেখা যায়। মাটির বাড়ি নিয়ে খুবই চমৎকার একটি পোস্ট করেছেন।
ধন্যবাদ ভাইয়া
মাটির বাড়ি মানে একটি প্রাকৃতিক এয়ার কুলারের ঘর। আগেকার দিনে অনেক মাটির বাড়ি দেখা গেলেও এখন তেমন মাটির বাড়ি দেখতে পাওয়া যায় না। মাটির দুই তলা বিশিষ্ট বাড়ি একেবারেই বিলুপ্ত। আমাদের এলাকায় আদিবাসি গ্রামে মাটির বাড়ি দেখতে পাওয়া যায়।
ধন্যবাদ ভাইয়া
উত্তরবঙ্গে মাটির তৈরি বা কাঁচা বাড়ি বেশি দেখা যায়। দক্ষিণবঙ্গে এই সকল কাঁচা বাড়ি খুব বেশি একটা দেখা যায় না। আপনার শেয়ার করা ছবিগুলোতে যে বাড়িগুলো দেখা যাচ্ছে সেগুলোর ফেটে গিয়েছে। খুব সম্ভবত এবার খুব সূর্যের তাপ বেশি থাকায় এই ফাটল ধরেছে। ধন্যবাদ আপনাকে এই পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু
মাটির তৈরি বাড়ি এখন হারিয়ে গেছে। আগে সব এলাকায় মাটির তৈরি বাড়ি দেখা যেত। মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা পরিবর্তন হয়ে গেছে সবাই ইটের বাড়ি তৈরি করছেন। মাটির তৈরি দোতলা বাড়ি দেখা যেত আগে।
https://twitter.com/siza37854890783/status/1671832586849763329?t=bl-qN2LhetipcKQ0XCGK2w&s=19
আমাদের গ্রামে এখনো মাটির তৈরি বাড়ি রয়েছে। তবে ধীরে ধীরে সেগুলো এখন ধ্বংসের পথে এখন মানুষ ইটের তৈরি বাড়ি করতেছে। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া
মাটির তৈরি বাড়ি নিয়ে অনেক সুন্দর হয়েছে পোস্ট। মাটির তৈরি বাড়ি গ্রামঅঞ্চলে খুব কম এখন দেখা যায়। সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে সেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ
মাটির বাড়ি আমার অনেক ভালো লাগে।গরমের সময় মাটির বাড়ির ভিতরে অনেক ঠান্ডা থাকে আর শীতকালে থাকে গরম। উত্তরাঞ্চলে এখনো অনেক মাটির বাড়ি রয়েছে।আমাদের এলাকায় কোন মাটির বাড়ি নেই। ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ হয়েছে আপু শুভকামনা রইল
সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।