গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী এক সময়কার হাতে চালিত পাখা ছিল।
আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় মডারেটর, ভাই ও বোনেরা আপনারা সকলে কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি। আজ আমি স্টিম ফর ট্রেডিশন কমিউনিটিতে ঐতিহ্যবাহী হাত পাখা নিয়ে পোস্ট শেয়ার করব আশা সবার ভালো লাগবে ইনশাআল্লাহ।
| ঐতিহ্যবাহী হাত পাখা |
|---|
পাখা একটি প্রাচীন কারু শিল্প। হাত পাখা হচ্ছে গরমে বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে প্রশান্তির জন্য ব্যবহার করা হতো হাতে চালিত পাখা। তালপাতা বা বাঁশ, বাঁশের কনচি, সুইও সুতা হলো হাত পাখার উপকরণ। হাত পাখা বাংলা প্রাচীন ঐতিহ্যের অংশ। প্রাচীন কাল থেকেই বিভিন্ন ধরনের হাত পাখার ব্যবহার হয়ে আসছে এদেশে।
কোনটা নিছকই তালপাতার পাখা যার কাজ শুধু গরম থেকে রক্ষা করা।অনেকে এসব পাখায় রঙিন সুতা দিয়ে এর উপরে বিভিন্ন ধরমারী নকশা ফুটিয়ে তোলে। আঠারো শতকের গোড়ার দিকে ইউরোপে প্রথম পাখার ব্যবহার শুরু হয়।এসব পাখা তারা আমদানি করতো চীন ও জাপান থেকে। ভারতে ও এর আবির্ভাব ইউরোপীয়দের হাত ধরেই।বাঙ্গালির গ্রামীণ জনপদের সাথে হাতপাখার সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। বাঙ্গালীর গ্রামীণ জীবনের সাথে হাতপাখার ব্যবহার গভীর ভাবে মিশে আছে।আঞ্চলিক ভাষায় অনেকে এই হাত পাখাকে বিচুন বলে থাকে।
ছোট বেলায় ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেলে চাঁদের আলোয় ভাইবোন সবাই মিলে কানামাছি খেলতে গিয়ে যখন ঘেমে যেতাম দাদি তখন পাশ থেকে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতো। আগের কার দিনে দেখতাম আমাদের গ্রামের মা ও চাচিরা সবাই অবসর সময়ে হাত পাখা বানিয়ে তার উপর বিভিন্ন ধরনের নকশা ফুটিয়ে তুলতো। বিগত কয়েক বছর আগেও এই হাত পাখার প্রচলন ছিল গ্রাম বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে।
অতিথির আগমনে সর্বপ্রথম হাত পাখার মাধ্যমে স্বাগত জানানো হতো।আগের কার দিনে গরমের সময়ে এই হাত পাখা ছাড়া কারোরেই জীবন চলতো না।তবে এখনো লোডশেডিং এর সময় হাত পাখার কদর কিছুটা হলেও উপলব্ধি করা যায়। কালের বিবর্তনে বিজ্ঞানের উন্নতিতে এখন প্রতিটি ঘরে ঘরে বৈদুতিক পাখার ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে সাথে হাত পাখা ব্যবহার।
| মোবাইল | Tecno 9t spark |
|---|---|
| ক্যামেরা | ৩৮ মেগাপিক্সেল |
| পোস্টের ধরণ | ঐতিহ্যবাহী হাত পাখা |
| লোকেশন | চিরিরবন্দর গুড়িয়া পাড়া |
ধন্যবাদ,
@siza
আগে দেখতাম হাতপাখার উপরে বিভিন্ন ধরনের সুই সুতা দিয়ে নকশা করতো। বর্তমানে এরকম কাপড়ের তৈরি হাতপাখা কম দেখা যায়। এখন হাত পাখার ব্যবহার নেই বললেই চলে কারণ বিদ্যুৎ না থাকলে তারা চার্জার ফ্যান ব্যবহার করে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য
হাত পাখা নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন।আমাদের বাসায় এখনো হাত পাখা আছে।বিদ্যুৎ না থাকলে আমরা হাত পাখা ব্যবহার করে থাকি।সুন্দর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখেছেন আপু। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট করার জন্য।
খুব ভালো হয়েছে আপনারা পোস্ট । হাত পাখা আমাদের ঐতিহ্যবাহী পাখা এটি গ্রীস্মকালে বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে। ধন্যবাদ আপু
হাতে চালিত পাখা ঐতিহ্যের মধ্যে পড়ে। আগে যখন বাসায় বিদ্যুৎ থাকতো না তখন গরমে এই হাত পাখা ব্যবহার করা হতো। সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন।
হাত পাখা নিয়ে খুবই সুন্দর একটা পোস্ট করেছেন। আগে হাত পাখা সবার ঘরে ঘরে পাওয়া যেতো। আগে গরমের সময় এইনহাত পাখ জাত দিয়ে চালিয়ে বাতাস করা হত। এখন কারেন্ট আসার পরে হাত পাখার প্রচলন খুব কম। তবে গ্রামে বেশি আছে হাত পাখার প্রচলন।
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে হাত পাখা। প্রাচীন কাল থেকেই আমরা সকলেই জানি এই হাত পাখা বা পাখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে গরমের সময়ে এই পাখা সকলের বন্ধু স্বরুপ কাজ করে কারন বিদ্যুৎ না থাকায় আমাদের সকলের সমস্যা হয় তাই পাখাকে আমরা ব্যবহার করি। অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে পোস্ট উপস্থাপন করেছেন।
হাত পাখা একসময় এর জনপ্রিয় গরমের বন্ধু বলা চলে। যখন বিদ্যুৎ এর ব্যবহার ছিলো না, তখন এই হাত পাখাই ছিলো গরম এর মোকাবেলা করার জন্য একমাত্র হাতিয়ার । অনেক সুন্দর উপস্থাপনা করছেন হাত পাখা নিয়ে অসাধারণ হয়েছে আপনার পোস্ট। অসংখ্য ধন্যবাদ
সময়ের ব্যবধানে এই হাত পাখা এখন বিলুপ্তির পথে। এখন বাড়িতে বাড়িতে বিদ্যুৎ ইলেকট্রনিক পাখা ঘুরে। বিদ্যুৎ চলে গেলে সৌরশক্তি চলে।এই পাখা আর তেমন দেখতে পাওয়া যায় না। আমাদের নিকট এটি একটি ঐতিহ্য মাত্র। আপনি অনেক সুন্দর লিখেছেন আপু। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে হাত পাখা নিয়ে লেখার জন্য।
হাতে চালিত পাখা আগে সবার ঘরে ঘরে ছিল কিন্তু এখন এই হাতে চালিত পাখা দেখা যায় না খুব কম দেখা যায়, কারন এখন সবার ঘরে ঘরে ইলেক্ট্রনিক আছে যার কারনে এই সব হাতে চালিত পাখা আমাদের মাঝে দেখা যায় না। আগে গ্রাম বাংলার প্রতিটা ঘরে ঘরে এই হাতে চালিত পাখা ডিজাইন করতো।আপনার পোস্ট পরে খুব ভালো লাগলো, আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটা পোস্ট করার জন্য।