বাংলার উৎসবের এক বিশেষ অংশ নাগর দোলনা
আসসালামু আলাইকুম
বাংলার উৎসবের এক বিশেষ অংশ নাগর দোলনা
- ১০মার্চ ২০২৩
- রোজ শুক্রবার
| আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশাকরি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। আজ আমি আপনাদের সামনে বাংলাদেশের উৎসবের এক বিশেষ অংশ নাগরদোলা সম্পর্কে আপনাদের সামনে আলোচনা করব। আশা করি আপনাদের সবাইকে ভালো লাগবে। |
|---|
যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের উৎসবের এক বিশেষ অংশ হিসেবে রয়েছে এই নাগরদোলা। নাগরদোলা কে না চেনে আমাদের ভিতর অনেকেই নাগরদোলা সম্পর্কে আমরা জানি। বিভিন্ন রকম উৎসব অনুষ্ঠানে এই নাগরদোলা মানুষের বিনোদনের জন্য ব্যবহার করা হয়।শুধু যে বাংলাদেশে এই নাগরদোলা ব্যবহার করা হয় তা না বিদেশেও এই নাগরদোলা বিভিন্ন নামে ব্যবহার করা হয়।নাগরদোলা বলতে গেলে মূলত আমাদের দেশের এক ঐতিহ্য।যার যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন রকম উৎসবের আমাদের বিনোদনের খোরাক মিটিয়ে আসতেছে। বর্তমানে নাগরদোলা সবথেকে বেশি দেখা যায় বিভিন্ন প্রকার মেলায়। মূলত এখন মেলায় সব থেকে বেশি নাগরদোলা দেখা যায়। তারপর বিভিন্ন প্রকার পূজো ও আনন্দ অনুষ্ঠানে নাগরদোলা দেখা যায়।
নাগরদোলা তে চড়তে কাকে না ভালো লাগে। আমাকেও সবথেকে বেশি ভালো লাগে। আমাদের এখানে আগে যখন মেলা হত ছোটবেলায় অনেক চড়েছি নাগরদোলায়।নাগরদোলা হলো মূলত একটি ঘূর্ণন জাতীয় জিনিস যেখানে বসে গোল গোল করে চারদিকে ঘোরা হয়।নাগরদোলার উপরে বসার জন্য বিভিন্ন রকম ছোট ছোট কেবিন থাকে। সেগুলোতে বসা হয় এরপর নাগরদোলা কে বাইরে থেকে ঘোরানো হয়।গোল গোল করে ঘোরানোর ফলে একবার উপরে একবার নিচে নামানো হয়।এতে করে যারা বসে থাকে তারা খুব আনন্দ পায়।
গ্রামীণ মেলায় নাগরদোলা
আমি গত মাসে গ্রামীণ মেলায় গিয়েছিলাম সেখানে আমি এসব নাগরদোলা ছবি গুলো তুলে আনি। নাগরদোলাটি গ্রামীণ মেলার এক পাশে এক কোনায় বসেছিল।ছোট বাচ্চাদের ১০ টাকা এবং বড় মানুষগুলো ২০ টাকা করে টিকিট নিচ্ছিল। যাই হোক তারপর মানুষ নাগরদোলাতে উঠছিল এবং প্রায় ২০ পাক ঘোরা ছিল। নাগরদোলার লোকজন গুলো ২০ পাক দিলে ই শেষ হয়ে যায়।এরপর সবাই নেমে পড়ে।নাগরদোলা এখন সব থেকে বেশি গ্রামীণ মেলাতেই আসলে দেখা যায়। সেখানে মোট দুটি নাগরদোলা ছিল নাগরদোলা নিয়ে ছোট বাচ্চাদের ভেতর সবথেকে বেশি আনন্দ দেখা যায়।কারণ তারা এসব নাগরদোলায় চড়তে খুব ভালোবাসে।
যাইহোক নাগরদোলা আরেকটি জায়গা সব থেকে বেশি দেখা যায় তা হল নববর্ষের উৎসবে। বাংলার প্রথম বছর বা নববর্ষের দিনে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম উৎসব পালন করা হয়।তখন এই নাগরদোলায় মানুষ চড়ে ও আনন্দ মুহূর্ত কাটায়। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন রকম পার্ক গুলোতে এই নাগরদোলা দেখা যায়।যেখানে মূলত ছোট বাচ্চাদের সব থেকে বেশি দেখা যায়। শুধু যে ছোট বাচ্চা বললে ভুল হবে তা না বড়রাও এই নাগরদোলাতে চড়তে অনেক ভালোবাসে। তারা ওই নাগরদোলাতে অনেক বিনোদন পায়।
যাইহোক এখন বর্তমানে নাগরদোলা তেমন দেখা যায় না।যেহেতু গ্রামীণ মেলা তেমন আর গ্রামগুলোতে বসে না তাই নাগরদোলারও তেমন চর্চা নেই।এসব মেলায় শুধু পার্কগুলোতেই সব থেকে বেশি দেখা যায় নাগরদোলা।তবুও সেগুলো স্টিল দিয়ে তৈরি আগের নাগরদোলা গুলো কাঠের তৈরি ছিল।কাঠ দিয়ে কারু কাজ করার মাধ্যমে এসব নাগরদোলা তৈরি করা হতো।কিন্তু বর্তমানে স্টিলে তৈরি নাগরদোলা গুলো ব্যবহার করা হয়।
| আসসালামু আলাইকুম, আমার নাম মোঃ রাহুল কাজী। আমার স্টিমিট ব্যবহারকারীর নাম @রাহুলকাজী। আমি দিনাজপুর জেলার চিরিবন্দর উপজেলার বাসিন্দা। আমি বর্তমানে দিনাজপুর সরকারি কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ছি। আমি আমার পরিবার ও সমাজের মানুষকে খুব ভালোবাসি। আমি খেতে এবং আঁকতে ভালোবাসি। আমি সত্যিই steemit কাজ উপভোগ করি। |
|---|
You can also vote for @bangla.witness witnesses
নাগরদোলা উঠতে আমার খুব ভালো লাগে। ছোট বড় সব মেলাতেই প্রায় নাগরদোলা দেখা যায়। ছোট বড় সকলেই নাটক দিলে উঠতে পারে। আপনি নাগরদোলা নিয়ে অনেক সুন্দরভাবে বলছি একটি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন ।এত সুন্দর পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।আপনার জন্য অনেক শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ আপনাকে
অনেক ছোট বেলায় নাগরদোলায় চড়েছিলাম তারপর আর চড়া হয়নি। নাগরদোলা আমার অনেক ভালো লাগে। নাগরদোলা না আসলে মনেই হয় না যে, গ্রামীন মেলা লেগেছে। আপনি অনেক সুন্দর লিখেছেন এই মেলা নিয়ে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপনাকে
নাগরদোলা নিয়ে আপনি অনেক সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন। সবাই নাগরদোলায় উঠতে পছন্দ করে বিশেষ করে বাচ্চারা অনেক বেশি পছন্দ করে।তবে ভয়ের কারণে আমি শুধুমাত্র একবারই এই নাগর দোলায় উঠেছিলাম।
যেকোনো মেলায় এই নাগরদোলা দেখা যায়। ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের এই নাগরদোলার প্রতি আকর্ষণ অনেক বেশি থাকে। তবে পহেলা বৈশাখের মেলাগুলোতে এই নাগরদোলা বেশি পরিমাণে দেখা যায়। অনেক ভালো লিখেছেন ভাই শুভকামনা রইল
ধন্যবাদ আপনাকে
এই বছরে স্বপ্নপুরী গিয়েছিলাম। তখন বন্ধুদের নিয়ে এই নাগর দোলায় উঠেছিলাম।ছোট্ট বেলায় উঠতে পারি নাই। তবে বড় হয়ে উঠেছে। আর এই নাগর দোলায় ছোট্ট বাচ্চার বেশি উঠে। আপনি খুব সুন্দর একটা পোস্ট করেছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
ধন্যবাদ আপনাকে
নাগরদোলা মানেই শৈশবের বায়না, আর নাগরদোলা মানেই বিনোদন, গত বছর স্বপ্নপুরী গিয়েছিলাম সেখানে দিয়ে এই নাগরদোলা তে ওঠেছিলাম, বেশ ভালো লাগছিলো।নাগরদোলার দোল খেতে বেশ লাগে, যখন উপর থেকে নিচে নামতে হয় তখন গা শিহরণ দিয়ে ওঠে। আপনি চমৎকার উপস্থাপন করছেন ভাই। অনেক ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এতো সুন্দর পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য
ধন্যবাদ আপনাকে
নাগর দোলনা নিয়ে খুব সুন্দর লেখছেন ভাই আমি ছোট বেলায় অনেক নাগর দোলনা উঠছি।আর নাগর দোলনায় উঠেটে ছোট বাচ্চারা অনেক খুশি হয়। তবে মাঝে মাঝে আমি কোথাও ঘুরতে গেলে নাগর দোলনায় উঠি,আপনি অনেক সুন্দর লেখছেন ভাই নাগর দোলনা নিয়ে, আপনার পোস্ট পরে খুব ভালো লাগলো আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটা পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে
নাগর দোলনায় আমি অমি অনেক বার চড়েছি। আমি এখনও কোথাও ঘুরতে গেলে নাগর দোলনা দেখতে পেলে চড়ি। আমার অনেক ভালো লাগে।সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখেছেন ভাই। ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি পোস্ট করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে
আপনার পোস্ট কোয়ালিটি মোটামুটি ভাল আছে। তবে আপনি ঐতিহ্য রিলেটেড পোস্ট শেয়ার করবেন। আপনি ক্লাব৫০৫০ আওতায় নেই তারপর ট্যাগে ক্লাব৫০৫০ ট্যাগ দিছেন। ৩০০ শব্দের বেশি পোস্ট লিখবেন। আর পোস্ট ও কমেন্টে বানান ঠিক রাখবেন। শুভ কামনা রইলো ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপনাকে