কদর কমছে ঐতিহ্যবাহী বেত ও কুটিরশিল্পের
প্রিয় পাঠকবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম, সকলেই কেমন আছেন? আশা করি সকলেই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি। প্রাচীনকালে কুটির শিল্পের অন্যতম হচ্ছে বেত শিল্প। প্রাচীনকালে বেতের তৈরি জিনিসপত্র গুলো এখন আর তেমন দেখা না গেলেও এর ব্যবহার কমে গেছে।
প্রাচীনকাল থেকেই কুটির শিল্পের অন্যতম হচ্ছে বেতশিল্প।বেতশিল্প বাংলাদেশের অতি পুরনো ও প্রাচীন কাল থেকেই এর আবির্ভাব। প্রাচীনকালে দেখা যেত যারা বেত দিয়ে জিনিসপত্র তৈরি করতেন তার বেশিরভাগই ছিলেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন। বাংলাদেশে জরিপ করে দেখলে জানা যে, সিলেট জেলার অধিকাংশ এলাকাই ভাল জাতে ও ভাল মানের বেত জন্মে। তবে যে অঞ্চলে বেত জন্মে সেই অঞ্চলেই বেতশিল্পের প্রসার ও জনপ্রিয়তা বেশি। বেতগাছ সাধারণত বনজঙ্গল কিংবা পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারনে আমাদের দেশে আবাদী জমি বৃদ্ধি হওয়ায় জঙ্গল কেটে ফলে বেত উৎপাদন কমে যাচ্ছে। তবে বাংলাদেশের বেশ,কিছু জায়গায় বেতশিল্পের ব্যাপক চাহিদা নারায়নগঞ্জ,সোনারগাঁও এবং সুনামগঞ্জে অঞ্চলের কারিগরি প্রচুর পরিমানে শ্রম দিয়ে বেতশিল্প তৈরি করে থাকেন। বেতশিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম।
বেতের তৈরি জিনিসপত্র তৈরি করতে অনেক পরিশ্রম ও ধৈর্য়ের প্রয়োজন। বেতের জিনিসপত্র তৈরি করতে একজন দক্ষ কারিগরির প্রয়োজন। বেতের মোড়া তৈরি করতে ছয় থেকে সাত ঘন্টা সময় লেগে যায় এতে সময়ে মাত্র দুটি মোড়া বানানো সম্ভব। বেত দিয়ে নানা ধরনের ব্যবহার্য আসবাপত্র তৈরি হয় ঠিক তেমনই শৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করা হয়। বেতের তৈরি জিনিসপত্র আমাদের দেশের অপরিসীম ভুমিকা পালন করে আসছে। তবে বর্তমান সময়ে এই বেতের তৈরি জিনিসপত্র গুলো কদর অনেকাংশে কমে গেছে।
বেত তৈরি জিনিসপত্র দেশের আভিজাত্য বলে অনেকেই বেতের তৈরি আসবাবপত্র গুলো দিয়ে ঘর সাজাতে পছন্দ করে।যেমন - সোফাসেট ও চেয়ার বেতের আসবাবের মধ্যে সোফাসেট বেশ জনপ্রিয়। দেখতে আকর্ষণীয়, ওজনে হালকা ও সহজেই পরিষ্কার করা যায় বলে বেতের সোফা সবাই পছন্দ করে। এছাড়াও বসার জন্য ঘরে রাখা যায় বেতের তৈরি চেয়ার। বেতের মোড়া দেখতে যেমন আর্কষণীয় ঠিক তেমনি বসতেও অনেক সুবিধাজনক ও আরামদায়ক। এই মোড়া সাধারণত বারান্দায় কিংবা ঘরের ভিতরে রাখা যায়।
বেতের তৈরি ডাইনিং টেবিল তবে এই বেতের তৈরি ডাইনিং টেবিলের উপর বা ফ্রেমে কাচ লাগিয়ে বেশ সুন্দর করে তৈরি করছেন। দেখতে বেশ চমৎকার বিভিন্নরকম বেতের তৈরি ডাইনিং টেবিল দেখা পাওয়া যায়। বেতের তৈরি ডাইনিং টেবিল খাবার রাখা হয় দেখতে যেমন সুন্দর ঠিক তেমন ঘরের সৌন্দর্য বহুগুণ বেড়ে যায়। বেতের তৈরি দোলনা নানা ধরনের ডিজাইন আর নকশা আকারে স্ট্যান্ড দোলনা এবং ঝুলনা দোলনা। এই দোলনায় বস সময় পাড় করা যায়। ঝুড়ি ও বাক্স বেতের ঝুড়ি ও বাক্স ব্যবহার করা যায় নানান কাজে। এতে পারেন কাপড়, বাচ্চার কাপড়, প্রয়োজনীয় জিনিসসহ নানান কিছু পাওয়া যায়। এক সময়ে এই বেতের তৈরি জিনিসপত্র খুবই জনপ্রিয় ছিল তবে বর্তমান সময়ে এই বেতের তৈরি জিনিসপত্রের ব্যবহার খুবই কম।
| আসসালামুআলাইকুম,আমার নাম মোঃ রাহুল । আমার স্টিমিট ইউজার নেম @rahul989। আমি দিনাজপুর জেলার, পার্বতীপুর উপজেলার একজন বাসিন্দা। আমি পড়াশোনা শেষ করছি এখন ব্যবসার পাশাপাশি স্টিমিট প্লাটফর্মে কাজ করতেছি। আমি ফটোগ্রাফি অনেক ভালবাসি।মাঝে মাঝে সময় পেলে যে কোন ধরনের ফটোগ্রাফি করি। অংকন করতে ভালবাসি এবং তাছাড়া আমি ও নিজেই ভাল ভাল রান্না রেসিপি করি।সকলেই ভাল থাকবেন এবং সুস্থ ও নিরাপদে থাকবেন। |
|---|
You can also vote for @bangla.witness witnesses
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
বেত ও কুটিরশিল্প নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন।এই বেত ও কুটিরশিল্প আমাদের গ্রামঅঞ্চলের ঐতিহ্য। সুন্দর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে ধাপে ধাপে লিখেছেন ভাই। অনেক ভালো লাগলো আপনার পোস্টি দেখে। সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন।ধন্যবাদ ভাই।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বেতের তৈরি জিনিসপত্র আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক কাজে লাগে। বেত ও হস্তশিল্প নিয়ে আপনি অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। এই বেতশিল্প প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বেতের তৈরি ফার্নিচার গুলো দেখতে বেশ সুন্দর। ব্যক্তিগতভাবে আমার পছন্দের জিনিসগুলোর মধ্যে এগুলো একটি।আপনার বেতশিল্পের ফোটগুলো অসম্ভব সুন্দর হয়েছে। সবমিলিয়ে সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন আমাদের মাঝে। অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য 💞
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। 💞
বেতের তৈরি আসবাবপত্রগুলো দেখতে বেশ সুন্দর হয়, কিন্তু এসব জিনিসপত্রের ব্যবহার একেবারেই কমে গেছে বলা যায়। বেতশিল্পের অবস্থাও তেমন একটা ভালো না। মানুষ এখন প্লাস্টিকজাত পণ্যের দিকে বেশি আগ্রহী। ছবিগুলো সুন্দর তুলেছেন।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
বেতের তৈরি জিনিসপত্র গুলো সত্যি অসাধারণ। তবে এগুলো সচরাচর চোখে পরে না সত্যি অসাধারণ এবং মুগ্ধ হয়ে গেছি আপনার এতো সুন্দর পোস্ট দেখে। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই এতো সুন্দর পোস্ট শেয়ার করার জন্য। আপনি অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপন করছেন ভাই।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বেত ও কুঠিরশিল্প নিয়ে অসাধারণ লেখছেন ভাই, বেতের তৈরি জিনিস গুলো খুব কম দেখা যায়, তবে বেতের তৈরি জিনিস গুলো দেখতেও খুব সুন্দর হয়।আমাদের বাসায় কারো কারো ডাইনিং টেবিল আছে যাতে করে তারা সেখানে খাওয়া দাওয়া করতে পারে।আর এগুলো জিনিস হলো বাসার একটা সৌন্দর্য। আপনি খুব সুন্দর লেখছেন ভাই আপনার প্রতিটা ফোটগ্রাফি৷ অনেক সুন্দর হয়েছে। আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর একটা পোস্ট করার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমাদের এলাকায় আমি কখনও বেত চাষ দেখিনি তবে দাদা গল্প করতো আগে নাকি আশে পাশে বেত পাওয়া যেত। প্রাচীনকাল থেকেই কুটির শিল্পের অন্যতম হচ্ছে বেতশিল্প। বেত শিল্প আমাদের পুরোনে ঐতিহ্য। বেতশিল্প বাংলাদেশের অতি পুরনো ও প্রাচীন কাল থেকেই এর সুচনা। বর্তমানে আধুনিকতা উন্নতির ফলে কমে যাচ্ছে এই শিল্পের ব্যবহার। বনের রাজা সিংহ সব সময় একজনে থাকে থাকে না। আগের দিনে রাজা বাদশাদের বাসায় এর অবস্থায় থাকলেও কালের বিবর্তনে আজ এই শিল্প হারিয়ে যাওয়ার পথে। এখন ইতিহাস হয়ে বেচে থাকবে আমাদের মাঝে। ঐতিহ্যবাহী বেত ও কুটির শিল্প নিয়ে একটি সুন্দর পোস্ট করেছেন। আপনার উপস্থাপনা অনেক সুন্দর হয়েছে।
বাঁশ দিয়ে অনেক সুন্দর জিনিস বানানো হয় আগে আমি দেখেনি মামা।বাঁশের এই কুটির শিল্প আমাদের থেকে বিলিন হয়ে জাইতেছে সময়ের এই আধুনিকতার ছোয়ায়। এখন আর তেমন বাঁশ ও পাওয়া যায় না। সব মিলিয়ে এই শিল্পটি প্রায় বিলুপ্তির পথে।
একসময় বেতের তৈরি জিনিসপত্র অনেক কদর ছিল আমাদের দেশে।শুধু আমাদের দেশে না বিদেশিরা ও এইসব তৈরি জিনিস গুলো এদেশ থেকে নিয়ে যেত। কিন্তু বর্তমানে দিন দিন এসব ঐতিহ্যবাহী জিনিসগুলো হারিয়ে যাচ্ছে যার প্রধান কারণ হলো বিভিন্ন প্রকার প্লাস্টিক জাতীয় জিনিস। বেতের তৈরি জিনিস গুলো আমাদের একটি ঐতিহ্য যা আমাদের পরম্পরাকে লালন পালন করতে ও ধারণ করতে সহায়তা করে।বেতের তৈরি জিনিস গুলোর ছবিগুলো খুব সুন্দর হয়েছে উপস্থাপনা খুব সুন্দর করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য।