গ্রাম বাংলার অন্যতম ঐতিহ্যের বাহক টং এর দোকান
গ্রাম বাংলার অন্যতম ঐতিহ্য- টং চা এর দোকান
প্রিয় স্টিমীট বন্ধুরা,
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই সুস্থ আছেন। আমিও ভাল আছি। আজকে আমি আপনাদের সাথে আপনাদের অতি পরিচিত একটি বিষয় নিয়ে লিখব। যেখানে আপনারা প্রায় সকলেই জীবনে বহুবার গিয়েছেন। যদিও মেয়েরা খুব কম গিয়ে থাকে সেখানে। আজকে আমি লিখব টং দোকান সম্পর্কে।
টং এর দোকানের বিশেষত্ব
আমরা আমরা আমাদের আশেপাশে তাকালেই অনেক টঙের দোকান দেখতে পাই। মূলত এই দোকানগুলোতে জায়গা কম থাকায় ছোট্ট একটি ঘর করে এই দোকানটি বানানো হয়। এই দোকান ঘরে খুব বেশি হলে তুই থেকে তিনজন মানুষ অবস্থান করতে পারে । আর দোকানের সামনের অংশে ক্রেতাদের বসার জন্য বেঞ্চ ফেলে রাখা হয়। অতি অল্প জায়গায় বসানো হয়ে থাকে এই দোকান ঘরগুলো। অতি অল্প পুঁজি নিয়ে টঙের দোকানের মালিকেরা ব্যবসা শুরু করে থাকে। টং এর দোকানের লোকদের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় যে তারা খুব কম পুঁজি নিয়ে এই ব্যবসায় নেমেছে। টংয়ের দোকানের মালিকের পুঁজি যেমন কম তেমনি দৈনিক আয়- রোজগারও তুলনামূলক কম।
টং এর দোকানের প্রধান বিক্রিত পণ্য
টঙের দোকানে যে জিনিসটি মূল টার্গেট নিয়ে বিক্রি করা হয় সেটি হল চা। তবে দোকানে বিভিন্ন রকমের চাওয়া পাওয়া গিয়ে থাকে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো দুধ চা, লাল চা,কালোজিরা চা, মালাই চা, তেতুল চা, মরিচ চা সহ আরো বিভিন্ন ধরনের চা।সাধারণত আমি কোনো টঙের দোকানে গেলে সেখানে আদা দিয়ে লাল চা বেশী পান করে থাকি। তবে মাঝে মাঝে পছন্দ করি দুধ চা। এই বিভিন্ন ধরনের চায়ের দামেও ভিন্নতা রয়েছে। যেমন বর্তমান বাজার মূল্য হিসেবে দুধ চায়ের মূল্য ১০ টাকা করে, লাল চা ৫ টাকা করে, মালাই চা ১৫ টাকা করে। সন্ধ্যার পর এই টঙের দোকানে ভীড় হয় সবচেয়ে বেশি। নানা পেশা, বয়স এবং ধর্মের মানুষ গিয়ে সেখানে একত্রিত হয়ে চা পান করে। এই টঙ্গের দোকান তখন হয়ে যায় একটি রমরমা গল্পের আসর। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এখানে কথা বলা হয় সন্ধ্যার পর। রাজনৈতিক বিষয় থেকে শুরু করে দেশের সার্বিক অবস্থা এই দোকান ঘরের সামনে বসেই চা পান করতে করতে আলোচনা করা হয়।
টং এর দোকানের যা যা পাওয়া যায়
টঙের দোকানে চা ছাড়াও আরো বিভিন্ন পন্য কিনতে পাওয়া যায়। তবে সকল পণ্যই খাদ্য জাতীয় হয়ে থাকে। চায়ের পাশাপাশি ধূমপানের জন্য সিগারেটও বিক্রি হয়ে থাকে এই দোকানে। তাছাড়া এই দোকানে থাকে বিভিন্ন ধরনের বিস্কিট, রুটি এবং কেক। অনেকেই চায়ের সাথে কেক বা রুটি খেয়ে সকালের নাস্তা কিংবা রাতের খাবারের চাহিদা পূরণ করে নেয়। আবার পাওয়া যায় কলা। অনেকেই কলা রুটি খেয়ে তারপর এক কাপ চা পান করে বাসায় ফিরেন।
| ডিভাইস | স্যামসাং গ্যালাক্সি এ-১২ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @pea07 |
| লোকেশন | JJHH+X6 Dinajpur |
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী টং এর দোকান এখন বিলুপ্তির পথে তেমন আর দেখা পাওয়া যায় না।তবে কিছু কিছু অঞ্চলে এই টং এর দোকানের রয়েছে। টঙের দোকান নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন আপু। আপনার জন্য শুভ কামনা রইল।
আপনার এই পোস্ট টি দেখে পুরোনো দিনের কথা মনে পড়ে গেল।আগে কতো দিন টং দোকানের চা খেয়েছি কিন্তু এখন আর চা খাওয়া হয় না। আপনার পোস্ট টি অনেক সুন্দর হয়েছে।
গ্রামের টং দোকানের সাথে আমার গভীর সম্পর্ক। কারণ এক সময় এই টং দোকানে আমাদের আড্ডা চলতো, আমাদের এলাকায় এরকম একটি দোকান এর পাশে কেরাম ছিলো সেখানে আমরা সময় কাটাতাম, আপনার পোস্ট পরে সোনালি অতীত মনে পরে গেলো। ধন্যবাদ আপু
আপনি অতি পুরাতন একধরনের দোকান নিয়ে আমাদের সাথে আলোচনা করেছেন। এমন দোকান তেমন আর দেখা যায় না। এসব দোকনের চা বেশ মজার খেতে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি বিষয় আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
কিছু কিছু জায়গায় টং এর দোকান এর চা অনেক জনপ্রিয়। আমাদের পার্বতীপুরে এমন একটি চা এর দোকান আছে খুবই জনপ্রিয়। টং এর দোকান নিয়ে সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন।
ঐতিহ্য বাহী টং এর দোকান নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন। এই টং এর দোকান আসলেই গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য । সুন্দর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন।
We expected you to be friendly and active in the Steem For Tradition Community. We appreciate your effort. Thank you for sharing your beautiful content with us ❤️.
এগুলো আমাদের এলাকায় বলা হয় মুদিখানার দোকান। এগুলো দোকানে চা, বিস্কিট এবং অনেক কিছু পাওয়া যায। ধন্যবাদ আপু আমাদের মাঝে এত সুন্দর একটি পোস্ট করার জন্। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
এরকম দোকান গ্রামে অনেক বেশি দেখা যায়, এগুলো গ্রামীন ঐতিহ্য বহন করে আসছে। এই দোকান গুলোতে মানুষ চা খেতে খেতে অনেকটা সময় সবাই মিলে আড্ডা দেয়।
টং এর দোকান নিয়ে সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন। এসব দোকানের প্রধান বিক্রিত পণ্য হল চা। আমার মালাই চা খুব পছন্দ। আপনি কি তেতুল চা কিংবা মরিচ চা পান করেছিলেন? এগুলো কখনো টেস্ট করা হয়নি। এসব দোকান আকারে ছোট হলেও সবার কাছে বেশ জনপ্রিয়।