প্রতিযোগিতার ১৪তম সপ্তাহ -পুরাতন স্কুল || ৬ এপ্রিল ২০২৩
আশা করি সকলে ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। আমি আজকে আপনাদের সাথে আমার এলাকার পুরাতন স্কুল নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করব।
|
|---|
আজকে আমি আপনাদের সাথে পুরাতন একটি প্রাইমারি স্কুল নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করব। আমার বাসার কাছে নির্মিত একটি প্রাইমারি স্কুল আছে সেই স্কুলটি বেশ পুরানো।হাবড়া প্রাইমারি স্কুলটি ১৯১২ সালে নির্মিত হয়েছে। আমাদের এলাকায় সবথেকে প্রাচীন স্কুল এইটি। আমার জানা মতো এর থেকে পুরানো আর স্কুল জানা নাই আমার কাছে। পার্বতীপুর এর সবথেকে পুরাতন স্কুল এইটি। এলাকার পুরাতন স্কুল হওয়ায় প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সময় এইখানে পড়ালেখা করাইতো বলা জানতে পারি এলাকার মানুষের কাছে থেকে। বর্তমানে এই স্কুলের পুরাতন ভবন গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। এই প্রাইমারিটি হাবড়া জমিদার বাড়ির আদলে নির্মাণ করা হয়েছিলো।কিন্তু অনেক পুরাতন হওয়ার ঝুকি বেড়ে যায় আর এই সব দালানকোঠা ভেঙ্গে নতুন করে গড়ে তোলা হয়।
স্কুলটিতে মোট তিনটি ভবন আছে। সেখানে একটি আবাসিক ভবন ও দুইটি ডে কেয়ার। প্রাইমারি আবাসিক স্কুল অনেক কম আছে আছে তাও আবার সেটা সরকারি স্কুল। সামনে একটি ছোট খেলার মাঠ আছে। স্কুলে ছোট ছেলে মেয়েদের জন্য দোলনা জুলানি সব আরো অনেক খেলার মাধ্যম আছে।স্কুলের ভিতরে অনেক পুরাতন আম গাছ ও অর্জুন গাছ রয়েছে।স্কুলটি হাবড়া হাটের সাথেই লাগানো। আর পাশেই লাগানো রয়েছে একটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়। স্কুলটিতে পুরাতন একটি তারাপাম রয়েছে। সাধারণত এখনকার স্কুলগুলোতে আমরা দেখতে পাই না।এখন এই স্কুল আমাদের নিকট একটি পুরাতন ঐতিহ্য।
এই স্কুল থেকে প্রায় প্রতিবার কোনো না কোনো প্রতিযোগিতায় জেলা পর্যায় থেকে পুরুষ্কার জিতে থাকে।স্কুলে প্রায় ৩০০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। স্কুল পরিচালনা করার জন্য রয়েছে ৫ জন শিক্ষক শিক্ষিকা। স্কুলে ছেলেমেয়েদের জন্য আলাদা আলাদ ওয়াশরুম রয়েছে। সেখানে তারা গোসল ও করতে পারে। আবাসিকে থাকার জন্য কোনো শিক্ষার্থীকে বাড়তি কোনো টাকা দিতে হয় না। খাবার সব শিক্ষার্থীদের বাসা থেকেই দেওয়া হয়ে থাকে।
পড়ালেখার পাশাপাশি বিকালবেলা সব ছাত্রদের খেলাধুলার ব্যবস্থা করে থাকে হেড শিক্ষক। সব ছেলেদের খেলাধুলার করার পর আবার গোসল করাই তারপর পড়তে বসায়। একটা কথা বলে রাখি এই স্কুলে মুসলিম ছেলেদের জন্য নামাজ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আমি ছবি তোলার সময় সবাইকে খেলতে দেখি। এরা সবাই ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিলো। তাদের একটা ছবি তোলার জন্য আমাকে বলতেছিলো তাই আমি একটা তাদের ছবি তুলে নেই।@selenediva @maulidar আমাদের কমিউনিটিতে আপনাদের স্বাগতম।
| ডিভাইস | রেডমি নোট ১০প্রো |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @mainuna |
| লোকেশন | পার্বতীপুর,দিনাজপুর |
| ছবি তোলার সময় | বিকাল ৫ টা |
১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্কুল টি নিঃসন্দেহে অনেক পুরাতন একটি স্কুল।আমি যে স্কুলে পড়াশোনা করেছি সেটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীতে সময় বানানো হয়েছিল। হাবড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি অনেক রঙিন একটি বিদ্যালয় যা শিশুদের পছন্দ হওয়ার কথা। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপু।
পূরাতন স্কুল নিয়ে অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে লিখেছেন। ছবিগুলো অসাধারণ হয়েছে। আপনার এলাকার স্কুলটি ১৯১২ সালে স্থাপিত হয়েছে দেখে অবাক হয়ে গেলাম। অনেক আগের পূরাতন একটি স্কুল।
ধন্যবাদ।
আপনার এলাকার স্কুল নিয়ে খুব সুন্দর উপস্থাপনা করেছেন ভাই। শৈশবের দুরন্ত স্মৃতিও তুলে ধরছেন, দারুন ফটোগ্রাফি করছেন ভাই, অনেক ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
আপনার এলাকার স্কুলটি নিয়ে আপনি অনেক সুন্দরভাবে লিখেছেন ভাইয়া। আমিও অতিশিগ্রই এ প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করব। আপনার তোলা ছবিগুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ ভাইয়া এতো সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ।
হাবড়া প্রাইমারি স্কুল নিয়ে অনেক সুন্দর একটা পোস্ট লিখেছেন। এটি ১৯১২ সালে নির্মান করা হয়। এই স্কুলটি আমি নিজ চোখে কখনো দেখেনি। আপনার পোস্টের মাধ্যমে আজকে প্রথম দেখলাম। সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের কাছে সেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনার এলাকার স্কুল নিয়ে খুবই সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন। ছোট বাচ্চাদের দেখে ভালো লাগল। হয়ত স্কুলের মাঠে ফুটবল খেলছিলো। সুন্দর হয়েছে।
ধন্যবাদ।
হাবরার স্কুল সম্পর্কে খুব সুন্দর তথ্য দিয়েছেন বেশ ভালো লাগলো পড়ে আপনার স্কুলটি সম্পর্কে।পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা করে শিক্ষার্থীরা শুনে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে ভাই এত সুন্দর একটি পোস্ট করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
পুরাতন স্কুল। আপনার পোস্টটি পড়ে জানতে পারলাম যে,এই স্কুলটি ১৯১২সালে নির্মিতি হয়েছে। এই রকম প্রাইমারি স্কুলে আমি ক্লাসে ৫ পযন্ত পড়াশোনা করেছি। আপনি পুরাতন স্কুল নিয়ে খুব সুন্দর একটা পোস্ট শেয়ার করছেন ভাই। ধন্যবাদ
ধন্যবাদ।
হাবড়ার স্কুলটি দেখতে অনেক সুন্দর। খুবই সুন্দর ভাবে আপনি হাবড়ার স্কুল সম্পর্কে আমাদের মাঝে ধারনা দিয়েছেন। স্কুলের দেয়ালে কাটুন আর্ট টি অসাধারণ ফটোগ্রাফি। সর্বপরি দারুণ ভাবে উপস্থাপন করেছেন।
ধন্যবাদ ভাইয়া।