হ্যালো বন্ধুরা
আমি বাংলাদেশ থেকে @mahmudul20
কেমন আছেন আপনারা, আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন, আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমত এবং আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি।

বাংলার ঐতিহ্য হলো মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিল, ৯০ দশকের মানুষেরা এই হাঁড়ি পাতিল এর গুরুত্ব বুঝবে। কারণ মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিল হলো সেই প্রাচীন যুগের ঐতিহ্য, আগের যুগের মানুষেরা মাটির তৈরি জিনিসপত্র ব্যবহার করতেন। তারা সব প্রকার কাজেই মাটির তৈরি জিনিসপত্র ব্যবহার করতেন। বিশেষ করে প্রাচীন যুগের মানুষেরা হাঁড়ির মধ্যে ভাত রান্না করতেন, এবং মাটির তৈরি থালা বাসনে খাওয়া-দাওয়া করতেন। এখন তো মাটির তৈরি জিনিসপত্রের ব্যবহার দেখাই যায় না। এখন সবাই আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিভিন্ন রকম কাচের তৈরি অথবা প্লাস্টিকের তৈরি হাঁড়ি পাতিল থালা-বাসন ব্যবহার করে থাকেন। তাই দিন দিন আমাদের ঐতিহ্য মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিল বিলুপ্ত হয়ে যাইতেছে।

প্রাচীন যুগে কুমাররা মাটির তৈরি জিনিসপত্র তৈরি করে প্রতিটি গ্রামে ভ্যানে করে নিয়ে আসতো। এবং সেখান থেকে গ্রাম অঞ্চলের মানুষরা মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিল ক্রয় করতো। কিন্তু এখন আর এমন দৃশ্য আমার চোখে পড়ে না। কারণ এখন আর কেউ মাটির তৈরি জিনিসপত্র ব্যবহার করে না। তাই কুমাররাও এখন ভ্যানে করে গ্রামের মধ্যে মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিল নিয়ে আসে না। যদি কারো একান্ত প্রয়োজন হয় তাইলে হাট-বাজারে এক দুই টা দোকান থাকে সেখান থেকে নিয়ে আসতে হয়। এখন তো এমন অবস্থা অনেক হাট বাজার রয়েছে যেখানে মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিলের দোকান দেখাই যায় না।
 |  |
প্রাচীন যুগের মানুষরা হাঁড়ি দ্বারা অনেক কাজ করে থাকতেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি কাজ হলো হাঁড়ির মধ্যে ভাত রান্না করতেন। যদিও আমি আমাদের বাসায় হাঁড়িতে ভাত রান্না করা দেখিনি, তবে হাঁড়িতে খুদি সিদ্ধ করা দেখেছি। এছাড়াও হাঁড়ির মধ্যে কোরবানির মাংস রাখার গুরুত্ব অনেক বেশি ছিলো, এবং কি সবাই এই কাজটি করত কোরবানির মাংস সিদ্ধ করে হাঁড়ির মধ্যে সংরক্ষণ করে রাখবেন। কিন্তু এখন ফ্রিজ নামের প্রযুক্তি আসার কারণে সবার কাছ থেকে প্রাচীনকালের এই পদ্ধতি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। গরিব বলেন বা ধনী ব্যক্তি বলেন সবাই এখন ফ্রিজ ব্যবহার করে। এরপরেও গ্রাম অঞ্চলে কিছু সংখ্যক লোক এখনো কোরবানির মাংস হাঁড়ির মধ্যে সংরক্ষণ করে থাকেন। তবে খুব শীঘ্রই এই এই ধারাবাহিকতা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। বর্তমানে একটা বিষয় আপনারা লক্ষ্য করবেন, মাঝারি সাইজের হাড়িগুলো মানুষ পাখির বাসা হিসেবে ব্যবহার করে, এই কারণেই আমার ফটোগ্রাফির মধ্যে দেখবেন একটি হাড়িতে ছোট্ট একটি গোল ছিদ্র রয়েছে। ওই বৃত্ত দিয়ে পাখিরা বাসায় প্রবেশ করে এবং বাইর হয।

তবে আমার জানামতে একটি মাত্র মাটির তৈরি জিনিস আমরা এখনো ব্যবহার করে থাকি, সেটিকে আমাদের গ্রামের ভাষায় বাটনা বলে থাকি। আত্মীয় স্বজনদের বাসায় গেলে এখনো বাটনার ব্যবহার দেখতে পাই। বাটনার মধ্যে মূলত আমরা কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি পিষে থাকি, যদিও এর বিকল্প প্রযুক্তি বের হয়েছে কিন্তু গ্রাম অঞ্চলে এর বিকল্প এখনো পৌঁছায়নি। তাই সকলেই প্রাচীন যুগের বাটনার ব্যবহার এখন পর্যন্ত ভুলে যাননি। আমার যতটুকু ধারনা এই মাটির তৈরি বাটনা আমাদের মধ্যে অনেক দিন যাবত থাকবে। প্রিয় বন্ধুরা এই ছিল আমার মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিল নিয়ে সংক্ষিপ্ত কিছু আলোচনা, আশা করি আপনাদের ভাল লেগেছে।

| বিষয় | মাটির তৈরি হাড়ি পাতিল |
| ক্যামেরা মডেল | Realme C55 |
| ফটোগ্রাফার | @mahmudul20 |
| লোকেশন | কিশোরগঞ্জ নীলফামারীর |

❤️🔥-আল্লাহ হাফেজ-❤️🔥


VOTE for @bangla.witness
Best Regards:-
@mahmudul20
ধন্যবাদ আপু মনি
Twitter link:-
https://twitter.com/mahmudul20m/status/1691000691094081537?s=20
মাটির তৈরি হাড়ি পাতিল আমাদের ঐতিহ্যের একটি অংশ। প্রাচীনকাল থেকেই হাডি পাতিল আমাদের মাঝে বিদ্যমান আছে। তবে এখন আর হাড়ি পাতিলের তেমন ব্যবহার দেখা যায় না। এখন রান্নাবান্না করার জন্য অনেক আধুনিক প্রযুক্তি রয়েছে। তাই মাটির তৈরি হাড়ি পাতিলের কোন গুরুত্ব নেই। হাড়ি পাতিল অনেক সুন্দর একটা পোস্ট লিখেছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাইয়া
আগে মানুষ মাটির সব জিনিসপত্রের উপর বেশি নির্ভরশীল ছিল। যেমন মাটির কলসির ভেতর পানি রাখতো , মাটির হাড়িতে ভাত রান্না করত। এরকম অসংখ্য আছে মাটির সব জিনিসপত্র ব্যবহার করত। যুগের পরিবর্তনে আধুনিকতার ছোঁয়ায় এসব মাটির হাড়ি পাতিল এখন প্রায় বিলুপ্তের পথে। ঐতিহ্যবাহী মাটির হাড়ি পাতিল নিয়ে খুব সুন্দর উপস্থাপন করেছেন ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।
ধন্যবাদ ভাইয়া
মাটির হাড়ি পাতিল নিয়ে অনেক সুন্দর উপস্থাপন করেছেন ভাই। মাটির তৈরি এই শিল্পকে মৃৎশিল্প বলে। মাটির পাতিলে রান্না অনেক সুস্বাদু হয়। আমার দাদিকে দেখতাম মাটির পাতিলে রান্না করতে। আধুনিকতার ছোঁয়াতে এখন মৃৎশিল্পের ব্যবহার কমে গেছে। মানুষ এখন মাটির তৈরি জিনিস তেমন একটা ব্যবহার করে না। মাটির তৈরি আসবাবপত্র আমাদের ঐতিহ্য। কুমারেরা অনেক পরিশ্রম করে হাড়ি পাতিল তৈরি করে। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া
আধুনিক যুগে মাটির তৈরি পাতিল প্লেট মগ বা অন্য যে কোনো জিনিস ব্যাবহার করা বিলুপ্ত প্রায়,এখন শহরে মাটির জিনিস ডিনার সেট শখের বশে কিনে।উত্তর অঞ্চলে এমন বাসা নেই বল্লেই চলে যেখানে মাটির বাটনা পাওয়া যাবেনা,সবার বাসাতে এটা আছে।যেটাতে যে কোনো মসলা বা ভর্তা মিহি করা যায়।ধন্যবাদ আপনাকে আপনার পোস্ট ও ফটোগ্রাফি সুন্দর হয়েছে।
ধন্যবাদ আপু
জ্বি ঠিক বলেছেন প্রাচীন যুগের কুমাররা মাটি দিয়ে এ হাঁড়ি পাতিল তৈরি করত এবং এগুলো আমাদের রান্নার কাজে ব্যবহার হতো কিন্তু ধীরে ধীরে এগুলোর প্রচলন এখন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সত্যি এই হাড়িতে আগের মানুষরা কুরবানির মাংস সিদ্ধ করে রাখতো। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
ধন্যবাদ আপনাকে
ধন্যবাদ ভাইয়া
মাটির তৈরি হাঁড়িপাতিল নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন। আমাদের দেশের সবচেয়ে পুরনো শিল্প হলো মাটির তৈরি শিল্প। ছোটবেলায় মাটির পাতিলে আম্মুকে রান্না করতে দেখেছি।এখনো আমাদের বাসায় একটি মাটির পাতিল রয়েছে।যেটাতে দাদি মাঝেই ডাল রান্না করে।এছাড়াও আমাদের বাসায় একটি মাটির বাটনা রয়েছে যেটা মসলা বাটার কাজে ব্যবহার করা হয়। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া মাটির হাঁড়িপাতিল নিয়ে সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু মনি
মাটি তৈরি জিনিসগুলো আমাদের ঐতিহ্য বহন করে। মৃৎশিল্পের তৈরি বিভিন্ন জিনিস এখনো মানুষ দৈনন্দিনের বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহার করে। মৃৎশিল্প নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আপনি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। ফটোগ্রাফি গুলা অনেক সুন্দর হয়েছে ভাইয়া। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু