প্রচীনকালে গ্রাম অঞ্চলে মসলা বাঁটার একমাত্র মাধ্যম ছিল ঐতিহ্যবাহী শিল-পাটা।
আসসালামু আলাইকুম,প্রিয় স্টিম ফর ট্রাডিশন কমিউনিটির ব্লগারবৃন্দরা সকলে কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহ তায়ালার অশেষ কৃপায় আপনারা সকলে ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।
শিলপাটা হলো আমাদের এক পুরনো দিনের সসলা গুড়ো করার একমাত্র মাধ্যম ছিল এই পাথরের তৈরি শিলপাটা।শিল বলতে হলো যেটা আমরা কারো উপরে কিছু রেখে সেটাকে গুড়ো করি আমরা সেই গুড়ো করার জিনিস টাকে শিল বলি,আর পাটা হলো যার উপরে কোন কিছু রাখি এবং তার মধ্যে কিছু বাঁটাবাঁটি করি আমরা সেই বাঁটাবাঁটিকে পাটা বলি,দুটো মিলে হলো শিলপাটা।শিলপাটা কে অন্য গ্রাম অঞ্চল গুলোতে অন্য নামে চিনে আমাদের গ্রামে গাঁয়ে এটাকে শিলপাটা বলা হয়।
শিলপাটা হলো অনেক আগের পুরনো একটা ঐতিহ্য, এই শিলপাটা আগে সবার ঘরে ঘরে ছিল, আগের যুগের মানুষের মসলা বা মরিচ যাবতীয় জিনিস গুড়ো করার একমাত্র মাধ্যম ছিল এই পাথরের তৈরি শিলপাটা,এখর দেখা যাচ্ছে দিন দিন এই পাথরের তৈরি শিলপাটা আর আগের মত দেখা যায় না, এই শিলপাটা এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। প্রাচীনকালে প্রতিটা বাড়িতে এই শিলপাটার ব্যবহার ছিল, বর্তমান এখন আধুনিকতার ছোঁয়ায় মসলা গুড়ো করার জিনিস অনেক বের হয়েছে, বিশেষ করে এখন মানুষ ইলেকট্রনিকের মাধ্যমে মসলা বা যাবতীয় জিনিস গুড়ো করে,আগের যুগের মানুষ অনেক কষ্ট করে তারা আস্তে আস্তে পাটার উপরে মসলা বা মরিচ রেখে শিল দিয়ে তা গুড়ো করা হয়তো। আর এখন সব মানুষের অল্প সময়ের মধ্যে অল্প খাটুনির ভিতরে ইলেকট্রনিকের সাহায্যে মসলা গুলো গুড়ো করা হচ্ছে।
আগের যুগে শিলপাটা ছাড়া মা বোনদের রান্নার কাজ অসম্পূর্ণ থেকে যেতো,আগে মানুষ বিভিন্ন ধরনের জিনিস গুড়ো করতো যেমন মসলা,মরিচ, আদা,রসুন পেঁয়াজ ইত্যাদি এ সব জিনিস গুড়ো করা হয়তো। আগে শুধু মানুষ মসলায় বাঁটাবাঁটি করতো না,এই শিলপাটার মধ্যে আগে ভর্তা করে খাওয়া হতো,এই পাথরের তৈরি শিলপাটার মধ্যে ভর্তা করলে অনেক সুস্বাদু হয়। তবে শুধু ভর্তা করার কাজে নয় বিভিন্ন ধরনের বিয়ে বাড়ি বা গাঁয়ে হলুদ এই সময় গুলোতে শিলপাটা ব্যবহার হতো,যেমন আমরা গাঁয়ে হলুদ দেওয়ার সময় কাঁচা হলুদ গুলো এই শিলপাটার মধ্যে বেটে নিতাম,আবার বিয়ে বাড়ির সময় মরিচ বা মসলা গুড়ো করা হয়তো এই শিলপাটার মধ্যে। আগে প্রতিটা বাড়িতেই এই শিলপাটা দেখা যেত,কারন মা বোনদের রান্না করার কাজ সম্পুর্ণ হতো না।তাই আগে মা বোনেরা এই শিলপাটা বেশি ব্যবহার করতো।
শিলপাটা আমাদের আগেরকার যুগের নিত্য প্রয়োজনীয় সঙ্গি ছিল, এই শিলপাটার মধ্যে মা বোনেরা রান্নার যাবতীয় জিনিস গুড়ো করতো,এই শিলপাটার মধ্যে মসলা বা মরিচ গুড়ো করলে তা অনেক সুন্দর মিহি হয়।আমি আজকে এখানেই শেষ করলাম, আপনারা সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন, আবার দেখা হবে কোন একটা পোস্টে।
| ডিভাইস | Redmi S2 |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @jannatunbithi |
| লোকেশন | যশাই হাট, তেরআনিয়া,পার্বতীপুর |
We expected you to be friendly and active in the Steem For Tradition Community. We appreciate your effort. Thank you for sharing your beautiful content with us ❤️.
শিল-পাটা নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন।শিল-পাটা আমাদের গ্রাম অঞ্চলের ঐতিহ্য। এই শিল-পাটা আমাদের গ্রাম অঞ্চলে তেমন একটা দেখা যায় না। সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে সেয়ার করেছেন।সুন্দর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখেছেন ভাই। অসাধারন হয়েছে পোস্ট। ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাইয়া
শিল পাটা আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। কেননা এই শিল পাটা দিয়ে রান্নার সময় বিভিন্ন ধরনের মসলা বাটা হয়। সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন আপনি। ধন্যবাদ
ধন্যবাদ আপনাকে
প্রচীনকালে গ্রাম অঞ্চলে মসলা বাঁটার একমাত্র মাধ্যম ছিল শিলপাটা।এই শিলপাটা আমাদের গ্রামগঞ্জে প্রতিটি বাড়িতেই আছে। এই শিলপাটার মাধ্যমে মসলা বাটা হয়। শিলপাটা নিয়ে অনেক চমৎকার একটি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন।
ধন্যবাদ ভাইয়া
আপনি শিলপাটা নিয়ে অসাধারণ একটা পোস্ট করছেন আপু, প্রচীনকালে মসলা বা মরিচ গুড়ো করার জন্য একমাত্র মাধ্যম ছিল এই শিলপাটা, আগে অনেকের বাসায় এই শিলপাটা ছিল, তবে এখন আর তেমন দেখা যায় না, আপনি অনেক সুন্দর ভাবে ফটোগ্রাফি করছেন, আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
শিলপাটা আমাদের গ্রামের ঐতিহ্য। মসলা বাটার জন্য শিলপাটা ব্যবহার করা হয়। শিলপাটায় মসলা তরকারি রান্না করলে তরকারি অনেক সুস্বাদু হয়। এখন নানা রকম ইলেকট্রিক্যাল ব্লেন্ডার নামার কারণে এসব বিলুপ্তপ্রায়। আপনি অনেক সুন্দর উপস্থাপন করেছেন আপু অসংখ্য ধন্যবাদ।
এসব পাথরের তৈরি শিল্পাটা গুলোতে বিভিন্ন রকম মসলা যেমন ঝাল পেঁয়াজ ও অন্যান্য মসলা বাটা হয় তরকারিতে দেওয়ার জন্য। তবে বর্তমানে এটি দিন দিন বিলুপ্তির পথে।শুধুমাত্র গ্রাম বাংলায় দেখা যায় এটি।ফটোগ্রাফি গুলো খুব সুন্দর হয়েছে আপনার ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটা পোস্ট করার জন্য।