বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি
সবাইকে আদাব
আমি @biplobsarker
প্রিয় বন্ধুরা আশা করি সকলেই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। আমি আজকে একটি বিশেষ ঐতিহ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
|
|---|
আমাদের দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী কিছু স্থাপনা এবং স্থান এবং কিছু প্রাকৃতিক সম্পদের ভান্ডার রয়েছে। তেমনি একটি প্রাকৃতিক সম্পদ হচ্ছে কয়লা। কয়লা আমাদের দেশে এটি বিরাট অর্থনৈতিক সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আজকে আমি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি নিয়ে কিছু তথ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার এবং পার্বতীপুর শহর থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এই কয়লা খনিতে বিপুল পরিমাণ কয়লা মজুদ রয়েছে যা উত্তলনের মাধ্যমে আমাদের দেশে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এখান থেকে কয়লা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিটি অনেক বড় একটি এলাকা নিয়ে গঠিত। এখানে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ করে কয়লা উত্তোলন করে। এই খনি থেকে কয়লা উত্তোলনের জন্য প্রায় ১২০০ ফুট মাটির নিচে খনন করে কয়লা উত্তোলন করা হয়। মাটির নিচে অনেক শ্রমিক কয়লা উত্তোলন করার কাজে নিয়োজিত আছে। লিফট এর মাধ্যমে শ্রমিকরা খনির নিচে গিয়ে কাজ করে।
এই কয়লা খনিটি অনেক ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে জর্জরিত। এই কয়লা খনির প্রভাবে পাশের কিছু এলাকার মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে এবং অনেকেই তাদের ক্ষতিপূরণ পায়নি এছাড়াও জনগণের ক্ষতির জন্য কয়লা খনিকে দায়ী করা হয়। এজন্য আজ থেকে প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর আগে ফুলবাড়ি শহরে একটি বড় ধরনের আন্দোলনের সৃষ্টি হয়। এই কয়লা খনি বন্ধ করার জন্য সে সময় পুলিশের সাথে সাধারণ মানুষের সংঘর্ষে কয়েকজন মানুষ মারা যায়। এরপর থেকে এখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
এই খনি থেকে কয়লা তোলার জন্য চায়না থেকে বিশেষজ্ঞরা এসে তাদের প্রযুক্তিতে কয়লা উত্তোলন করে। বাংলাদেশ বাংলাদেশ তাদের নিজস্ব সক্ষমতায় এই কয়লা তুলতে পারে নি সেজন্য চীনের সাথে একটি চুক্তির মাধ্যমে এই কয়লা উত্তোলন করছে। এই খনি থেকে উত্তোলন করা কয়লা বেশিরভাগ অংশ চীনের কাছে ন্যায্য থাকে। চীন এই কয়ল বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা দেশ থেকে নিয়ে যায়। বাংলাদেশ কিছু পরিমাণ কয়লা এখান থেকে পায় এবং পাশেই একটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে সেখানে এই কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। বাংলাদেশ যদি নিজেই কয়লা গুলো উত্তোলন করতে পারতো তাহলে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যেত।
বন্ধুরা এই ছিল আমার আজকের আলোচনার বিষয়। আপনাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য।
| Information | Details |
|---|---|
| Topic | Tradition |
| Camera | Samsung Galaxy A52 |
| Editing | Yes |
| Location | Dinajpur, Bangladesh |
| Photografer | @biplobsarker |
বড় পুকুরিয়া কয়লার খনি আমি অনেক আগে গেছিলাম তবে অনেক সুন্দর একটা জায়গা। আপনি অনেক সুন্দর লেখছেন কয়লার খনি নিয়ে,আপনার তোলা ছবি গুলো অসাধারণ হয়েছে ভাই,আমি বেশ কয়দিন ধরে ভাবতেছি যে কয়লার খনি যাবো কিন্তু যায়তে পারতেছি না।আপনার ছবি গুলো দেখে খুব ভালো লাগলো ভাই, আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটা পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য
ধন্যবাদ
ধন্যবাদ ভাই
বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি আমাদের বাসা থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দূরে। এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অনেক লোকজন কাজ করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে সেয়ার করেছেন।সুন্দর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখেছেন ভাই। সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
ধন্যবাদ
দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লা খানির ভিতরে আমি দুবার জায়গা ঢুকতে পেরেছি। একবার অফিসিয়াল পোটোকলের মাধ্যমে আর একবার রাজনৈতিক মাধ্যমে। দুবারে ভালো সময় কেটেছে বড় পুকুরিয়া খয়লা খনিতে। ভিতরের পরিবেশটা অনেক সুন্দর। সব সাজানো গোছানো। দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। যেই শ্রমিক গুলো কাজ কয়লা খনির ভিতরে কাজ করে। তারা জীবনের ঝুকি নিয়ে কাজ করে থাকে। কয়লা আমাদের দেশের সম্পদ, দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার ভুমিকা পালন করে কয়লা। বড় পুকুরিয়া খয়লা খনিতে উত্তোলিত কয়লা তাপ বিদুৎ কেন্দ্র প্রেরনসহ মাঝে মাঝে ভারতে রপ্তানি করে অনেক বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করে বাংলাদেশ। বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিতে বিটুমিন এর পরিমান বেশী থাকায় অনেক দেশ আমাদের দেশের কয়লা কিনতে চায়। আপনার পোস্ট অনেক সুন্দর হয়েছে। আপনার উপস্থাপনা অনেক ভালো ছিল।
ধন্যবাদ
দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাখানির সামনে দিয়ে আমি বেশ কয়েকবার গিয়েছি কিন্তু এর ভেতরে ঢুকেনি এখনও। খুব দ্রুতই এই কয়লাখনিটি দেখতে যাবো ইনশাল্লাহ। আগে প্রায় সবাই এই কয়লা খনির ভিতরে ঢুকতে পারলেও এখন প্রবেশাধিকার কেয়ার সংরক্ষিত। ধন্যবাদ আপনাকে এটি নিয়ে পোস্ট করার জন্য ।
ধন্যবাদ আপু।
দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত কয়লার খনি নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনি আপনার পোস্টে তুলে ধরেছেন। কয়লার খনির ভিতরে যদিও কখনো ঢোকা হয়নি। তবে, পাশের রাস্তা দিয়ে বেশ কয়েকবার যাতা য়াত করা হয়েছে। আপনার পোস্টটি পড়ে বেশ ভালো লাগলো। এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ
অনেক অনেক সুন্দর হয়েছে আপনার পোস্টটি এবং অনেক সুন্দর হয়েছে আপনার ছবিগুলো । আপনি অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন আমাদের দেশে সম্পদ কয়লা নিয়ে।
দিনাজপুরের বড় পুকুরিয়া কয়লার খনি আমাদের উত্তর বঙ্গের গৌরব বলা যায়। কয়লা সাধারণত ১২০০ ফুট নিচে গভীর থেকে উত্তোলন করে। আমার কখনো সৌভাগ্য হয়ে ওঠেনি কয়লার খনি যাওয়ার। তবে কয়লার খনির বাহির পাশ থেকে দেখছি। আপনি অনেক সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন দাদা।
ধন্যবাদ ভাই
বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি নিয়ে সুন্দর উপস্থাপনা করেছেন। বড় পুকুরিয়া একদিকে যেমন বিদ্যুৎ উৎপন্ন করছে তেমনি অন্য দিকে কয়লা ইটের ভাটায় ও বড় বড় ফ্যাক্টরিতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি উত্তোলনকে কেন্দ্র করে ফুলবাড়িতে এক সময় মানববন্ধন হয়েছিল। এই মানববন্ধন করতে গিয়ে কয়েকজন শহীদ ও হয়েছেন।
ধন্যবাদ