ঐতিহ্যবাহী টাংগাইলের চমচম।
আজ মঙ্গলবার
১৩ জুন২০২৩
প্রিয় স্টীম বাসী সবাই কেমন আছেন? আশাকরি সবাই ভালো আছেন? আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনাদের জন্য রইলো অন্তরের অন্তস্তল থেকে ভালোবাসা ও শুভকামনা। আজকে আমি আপনাদের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন টাঙ্গাইলের চমচম সম্পর্কে বলবো এবং দেখাবো। আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে। তো দেরি কেনো চলেন শুরু করা যাক।
আমার বাসা টাংগাইল, টাংগাইল চমচম এর জন্য বিখ্যাত, টাংগাইলের চমচম এর কথা শুনেননি এমন মানুষ পাওয়া যাবে না। প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্য আমাদের টাঙ্গাইলের চমচম। টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ি চমচমের সুনাম রয়েছে বিশ্বজুড়ে। সুস্বাদু চমচম খেতে দূর দূরান্তরের লোকজন ছুটে আসে আমাদের টাঙ্গাইলে। আর এই চমচমের গুনে সারাবিশ্বে টাঙ্গাইলের অনন্য পরিচিতি।
টাঙ্গাইলে ধলেশ্বরী নদীর তীরে ছোট একটি গ্রামে টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ি চমচম বানানো হয়। গাভীর খাঁটি গরুর দুধ দিয়ে বানানো হয় এই চমচম। পোড়াবাড়ির৷ চমচমের স্বাদ নিতে হলে আপনাকে যেতে হবে পাঁচআনী বাজারে। সাম্প্রতিক সময়ে টাঙ্গাইল জেলার ভুয়াপুর উপজেলায় ভুয়াপুর বাজারে এর একটি শাখা রয়েছে। এই দোকানের নাম টাঙ্গাইল মিষ্টি ঘর । এখানে অর্জিনাল পোড়াবাড়ির চমচম পাওয়া যায়।
পোড়াবাড়ির চমচম কিনতে হলে অবশ্যই আপনাকে পোড়াবাড়ির পাঁচআনী বাজারে আসতে হবে, অন্য জায়গায় শুধু পোড়াবাড়ির নামটাই পাবেন পোড়াবাড়ির অর্জিনাল চমচম পাবেন না। পোড়াবাড়িতে যে চমচমটা বানানো হয়, সেটি খাঁটি গরুর দুধ দ্বারা তৈরি, আর আগে গরু চরের ঘাস খেত, আর এখন নানা রকম ফিট জাতীয় খাবার চাষের ঘাস খাওয়ার কারণে দুধের ঘনত্ব টা তেমন একটা নেই। এখানকার ঘোষ ভালো মানের দুধ সংগ্রহ করে থাকে মিষ্টি তৈরি করার জন্য।
সেই গরুর খাঁটি দুধ থেকেই তৈরি করা হয় চমচম। কোন প্রকার ভেজাল দ্রব্য না মেশানোর কারণে এখনো সারাবিশ্বে টাঙ্গাইলের চমচমের নাম ডাক রয়েছে। ভুয়াপুরে যে শাখাটি রয়েছে সেই শাখাটি রতন এবং রঞ্জিত নামের দুই ভাই সামলায়। তারা অনেক আন্তরিক। তাদের কাছে চাইলেই আপনি পেয়ে যাবেন খাঁটি পোড়াবাড়ির চমচম।
এই ভেজালের যুগে এখনো যে ভালো মানুষ আছে, এই দুই ভাই তার অনন্য উদাহরণ। তারা অনেক ভালো মানুষ। তারা দুই ভাই পোড়াবাড়ির পাঁচআনি বাজারের কোন এক মিষ্টির দোকানের কারিগর ছিল। সেখান থেকেই হাতেকলমে তাদের পোড়াবাড়ির অর্জিনাল চমচম বানানো শিখা। এখন তাড়া নিজেরাই এই পোড়াবাড়ির শাখা তৈরি করেছে ভুয়াপুর বাজারে।
তারা পোড়াবাড়ি চমচমের পাশাপাশি দই তৈরি করে, যা স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়। আপনি বাহিরের যেকোন দোকান থেকে ২০০ টাকা কেজি ধরে মিষ্টি পাবেন। কিন্তু পোড়াবাড়ির অর্জিনাল চমচম পেতে হলে আপনাকে গুনতে হবে প্রতি কেজি ৪৫০ টাকা। লোহার বড় বড় কড়াইয়ে তৈরি করা হয় মিষ্টির কার্যক্রম। দুধ থেকে ছানা কেটে সেইসব ছানা করাইয়ে ভেজে নেয়া হয়। প্রতিদিন তাদের ২০ থেকে ৪০ মন দুধ লাগে, মিষ্টি তৈরি করার জন্য।সাম্প্রতিক সময়ে এই টাংগাইল মিষ্টি ঘর এর মিষ্টির চাহিদা ব্যাপক।
পোড়াবাড়ি গ্রামটি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রাম। যে গ্রামের নাম সারা বিশ্বে। আপনি যদি টাঙ্গাইলের অর্জিনাল মিষ্টি খেতে চান তাহলে পোড়াবাড়ি এসে ঘুরে যাবেন আমন্ত্রণ রইল। আর তা না হলে বিকল্প হিসেবে ভুয়াপুর বাজারে টাঙ্গাইল মিষ্টি ঘরে চলে আসতে পারেন। আজ এ পর্যন্তই, আবারো লিখবো অন্য কোনো বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে। সে পযন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| মোবাইল | TECNO CAMON 16 PRO | ||
|---|---|---|---|
| ধরণ | ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইলের চমচম। | ||
| ক্যামেরা | ৬৪ মেগাপিক্সেল | ||
ফটোগ্রাফার| @aslamarfin |
অবস্থান | টাংগাইল। |
|
ঐতিহ্যবাহী টাংগাইলের চমচম নিয়ে অনেক সুন্দর একটা পোস্ট করেছেন।চমচম দেখে জিবে জল চোলে আসল। সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের কাছে সেয়ার করেছেন।ধন্যবাদ ভাই।
ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
টুইটার লিংকঃ-
https://twitter.com/Aslamarfin64366/status/1668539183382822912?t=JZaLv2-DCo7Eq_D27AJMEQ&s=19
টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী চমচম শুধু দেখাই গেলা খাওয়াবা কবে সেটা কও🧐 আসলে টাঙ্গাইলের মিষ্টি অনেক বিখ্যাত নাম শুনেছি কিন্তু কখনো খাওয়ার সৌভাগ্য হয় নি ৷ যদি আপনার মাধ্যমে সেই সৌভাগ্য হয় নিজেকে ধন্য মনে করব ৷ অবশ্য মিষ্টিগুলো অনেক লোভনীয় ছিল ৷ দারুন ফটোগ্রাফি করেছেন আপনি ধন্যবাদ৷
বস তুমি ভুল বললা এই মিষ্টি ঘরের মিষ্টি তুমি খেয়েছো😮💨 😁
🤭🤭🤭🤭
টাঙ্গাইলের এই চমচম এর নাম অনেক শুনেছি কিন্তু কখনো খাইনি জানিনা এর স্বাদ কেমন। অনেক সুন্দর হবে আপনি ব্যাখ্যা করেছেন সবকিছু। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
মিষ্টির মধ্যে চমচম বেশ মজাদার একটি মিষ্টি। চমচম গুলো বেশ লোভনীয় লাগছে। মিষ্টি নিয়ে বেশ চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ দাদা সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইলের চমচম নিয়ে অসাধারণ লেখছেন ভাই। চমচম গুলো দেখে মনে হচ্ছে এখনি খেয়ে আসি।আপনি চমচমের দারুণ ফটোগ্রাফি করছেন আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটা পোস্ট করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ি চমচম খেতে খুবই ভালো লাগে। টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সময় এই মিষ্টিটি খেয়েছিলাম প্রথমবার । ধন্যবাদ আপনাকে এই পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু, সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
টাঙ্গাইলের এই ঐতিহ্যবাহী চমচম গরুর দুধ দিয়ে তৈরি করা হয়। খেতে অনেক ভালো লাগে আমি একবার খেয়েছিলাম।আপনার ফটোগ্রাফি গুলো খুব সুন্দর হয়েছে ভাই। দারুন লিখেছেন ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আপনার তোলা ছবি গুলো দারুণ হয়েছে ভাইয়া। দেখেই খেতে ইচ্ছে করছে। লোকমুখে টাংগাইলের চমচমের কথা অনেক শুনেছি কিন্তু কখনো খাওয়া হয়নি। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।