মায়ের হাতের রান্না করা খাবার এর রিভিউ
আজ শনিবার
৩ জুন ২০২৩
প্রিয় স্টিম বাসি সবাই কেমন আছেন? আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনাদের জন্য রইল অন্তরের অন্তস্থল থেকে ভালোবাসা এবং শুভকামনা। আজকে আমি আপনাদের এমন একটি রিভিউ সম্পর্কে বলবো, যে রিভিউ এর কোন তুলনা হয় না। তো দেরি কেনো চলেন শুরু করা যাক।
মা কথাটি শুনলে অন্তরটা কেমন জানি শিহরে ওঠে। মা যার কোন তুলনা হয় না, দশ মাস দশ দিন যার গর্ভে আমাদের জন্ম। সেই মায়ের হাতের রান্না যার কোন তুলনাই হয় না। পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ হোটেল হচ্ছে মা-বাবার হোটেল। যে হোটেলে খেতে কোন পয়সা লাগে না। অথচ আমরা কত নামিদামি হোটেলে খাচ্ছি, তার রিভিউ দিচ্ছি। কখনো কি মায়ের হাতের রান্না করা খাবার এর রিভিউ দেওয়া হয়েছে? মনে হয় না।তাই আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি আমার মায়ের হাতের রান্নার রিভিউ নিয়ে। যে রান্নার স্বাদ আমার মুখে সবসময় লেগেই থাকে। হয়তো আমার মা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাঁধুনী নয়। কিন্তু আমার কাছে সে শ্রেষ্ঠ রাঁধুনী
জীবনের তাগিদে অনেক দূরে থাকতে হয়। তাই অনেকদিন মায়ের হাতে রান্না করা খাবার খাওয়া হয় না। তাই বাড়িতে গেলে ভর্তা ভাতটাই বেশি খাওয়া হয়। যান্ত্রিক শহরে মাছ মাংস খেতে খেতে মুখে স্বাদ চলে গেছে। তাই বাড়িতে চলে গেলাম, মাকে বললাম ভর্তা ভাত রান্না করার জন্য। মা কয়েক রকমের ভর্তা রেডি করে নিয়ে এসেছে আমার জন্য। আমি তো হতবাক হয়ে গেছি।
আলু ভর্তা, কাঁচা কলা ভর্তা, ডিম ভর্তা, ডাল ভর্তা , বেগুন ভর্তা এবং মরিচ ভর্তা। এবং সাথে কাঁচামরিচ পিঁয়াজ। দেখে চোখে জল এসে গেলো।এই খাবার গুলো দেখে বুকের ভিতর কেমন জানি একটা হাহাকার এসে গেল, মাগো কতদিন খাইনা তোমার হাতের খাবার। এ ভর্তা ভাত এতটাই স্বাদ যে বিশ্বের যে কোন রেস্টুরেন্ট হার মানবে বিশ্বের পাঁচ তারকা হোটেল ও হার মানবে। মনে হয় তৃপ্তি সহকারে অনেকদিন পর খেলাম।
আজ চার বছর যাবৎ মা-বাবাকে ছেড়ে সৈয়দপুর আছি, অনেক মিস করি মায়ের হাতের খাবার। তাইতো যখন ছুটি পাই, ছুটে চলে আসি। আরেকটি কথা বলাই হয়নি আপনাদের। যখন আসি তখন মায়ের হাতের যেকোনো শরবত প্রথমে খাওয়া হয়, এখন যেহেতু বেলের সিজন চলছে তাই পেয়ে গেলাম আসামাত্রই ঠান্ডা বেলের শরবত।
আসলে সে তো মা, তার কোন তুলনাই হয় না। একজন মা পরম যত্নে তার সন্তানকে আগলে রাখে,কিন্তু সন্তান কখনো কখনো সেই মায়ের খবরই নেয় না । মা যেমন তার সন্তানদের ভালোবাসে। ঠিক তেমনই যদি সন্তান ও তার মাকে ভালোবাসতো তাহলে দেশে কোন বৃদ্ধাশ্রম থাকতো না। পরিশেষে বলতে চাই অনেক ভালবাসি মা তোমায় হয়তো বলা হয়ে ওঠেনা। তোমার হাতের রান্না এ যেন স্বর্গীয় রান্না। ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মা। কেমন লাগলো আমার এই ব্যতিক্রম রিভিউ পোস্টটি তা কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মা। আজ এ পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আবার অনেক অন্য কোন বিষয় নিয়ে।
| মোবাইল | TECNO CAMON 16 PRO |
|---|---|
| ধরন | মায়ের হাতের রান্নার রিভিউ |
| ক্যামেরা | ৬৪ মেগাপিক্সেল |
| ফটোগ্রাফার | @aslamarfin |
| অবস্থান | টাংগাইল |
মায়ের হাতের খাবারের সাথে অন্যকোনো খাবারের তুলনা হয় না।আপনার তোলা মায়ের হাতের খাবারের ছবিগুলো অনেক লোভনীয়। দেখেই খেতে ইচ্ছে করছে। আম্মু ও বাসায় প্রায় এইরকম বিভিন্নধরনের ভর্তা করে থাকে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া মায়ের হাতের রান্না রিভিউ নিয়ে এতো সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
https://twitter.com/Aslamarfin64366/status/1664948332928675844?t=_awF1S6vzl8bV142f8sj-A&s=19
মা এর কোনো তুলনা হয় না। মা এর হাতের রান্না খেতে অনেক মজা লাগে। মাদ্রাসায় পড়া কালিন মায়ের হাতের রান্না অনেক মিস করতাম। খুব সুন্দর একটা পোস্ট শেয়ার করছেন ভাই। ধন্যবাদ
ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
মায়ের খাবারের কাছে অন্য কোন খাবারের তুলনা হয় না। মা মানে অনেক আদর, যত্ন আর ভালোবাসা। মায়ের হাতের ভর্তাও যেমন মাংসও তেমন। ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
মা শব্দটি শুনলেই অন্তর জুড়িয়ে যায়। মা অনেক যন্ত সহকারে রান্না করেন। মায়ের হাতের খাবারের তুলনা হয়। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ হোটেল হচ্ছে মা-বাবার হোটেল। মা-বাবার হোটেলে কোন টাকার প্রয়োজন হয় না। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো ধন্যবাদ।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
বাড়ি কবে যাও আর কবে আসো কিছুই ঠিক পাই না। তবে আন্টি অনেক সুন্দর রান্না করেছে ভাই আপনার জন্য। খাবার গুলো অবশ্য অনেক লোভনীয়। সুন্দর লিখেছেন আপনি। ধন্যবাদ
ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
মায়ের হাতের রান্নার কোন তুলনা হয় না। যাই খাই না কেন তাই অমৃত লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাই মন্তব্য করার জন্য।
টাঙ্গাইল গেলা কবে৷ ঈদের ছুটি তো এলাও মেলা দিন বাকি। মায়ের হাতের রান্না অনেক ভালো লাগে৷ মা আছে বলেই আমরা ভালো ভালো খাবার আবদার করে তৈরি করায় নিয়ে খেতে পারি।
ভাই কয়েকদিন আগে গেছিলাম, গিয়েই আবার চলে আরছি, জি ভাই ঠিক বলছেন মা আছে বলেই আমরা মায়ের হাতের রান্নার যেকোনো আবদার করি, অনেক ধন্যবাদ ভাই
👍
মায়ের হাতের রান্না নিয়ে খুব সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন ভাই। খুব সুন্দর সাজিয়ে গুছিয়ে লিখেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
অনেক ধন্যবাদ