স্টিম ব্যবহারকারী সকল ভাই ব্রাদার বন্ধুগণকে জানাই ভালবাসা এবং আন্তরিক মোবারকবাদ । আমার পক্ষ থেকে সকলকে সালাম জানাই, আসসালামু আলাইকুম। আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আমি জানি এই গরমে আল্লাহ-তাআলার অশেষ মেহেরবানিতে আপনারা সবাই ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে ঐতিহ্যবাহী মাটির চুলা নিয়ে কিছু কথা বলবো।আশা করি সকলের ভালো লাগবে। নিচে তাহলে শুরু করা যাক। |

উপরের যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি হচ্ছে মাটির চুলার ছবি।এই মাটির তৈরি চুলা আমরা সবাই চিনি। কারণ এই মাটির তৈরি চুলা আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন রান্নার কাজে ব্যবহার করে থাকি।কিন্তু কালের পরিবর্তনে হারাতে হচ্ছে এই মাটির চুলা। বর্তমানে আধুনিক যুগে রান্না কাজে ব্যবহার হচ্ছে গ্যাসের চুলা।এই গ্যাসের চুলায় রান্না করার কারণে আধুনিকতার ছোঁয়ায় মানুষের মুখের রুচি পাল্টে যাচ্ছে। এর ফলে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম অঞ্চলের মানুষের মাটির চুলা। দেশ যেমন উন্নত হচ্ছে দেশের মানুষ ও তেমনি উন্নত হচ্ছে। |
দিন দিন গ্রাম বাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির চুলা।মানুষ এখনো বুঝতে পারে না যে মাটির চুলার রান্না কেমন স্বাদ।যদি বুঝতে পারতো তাহলে মানুষ এই ভাবে কোনো জিনিস কে হারিয়ে যেতে দিত না।মানুষ এখন খুব অলস হওয়ার কারনে এই মাটির চুলা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের বাসায় এখনো মাটির চুলা আছে। আমরা সেই মাটির চুলায় রান্না করি।আর কারো কারো বাসায় তো মাটির চুলা বলতে কিছুই নাই। আগের মানুষ অনেক কষ্ট করে তারা জীবন যাপন করছে। |
এখন তো সব মানুষের জীবনে অনেক সুখ।কারণ এখন মানুষকে গরমে আর রান্না করতে হয় না। এখন কার মানুষ গ্যাসের চুলায় অথবা ম্যাজিক চুলায় রান্যনা বসিয়ে ফ্যানের নিচে বাতাস খায়।যদি আগের মানুষের মতো কষ্ট করতো তাহলে এই যুগের মানুষ বুঝতে পারতো।তবে আমি একটা কথা বলব যে গ্যাসের চুলার রান্না আর মাটির চুলার রান্নার স্বাদের মধ্যে পার্থক্য অনেক। তাই আমি আমার মাকে মাটির চুলায় রান্না করতে বলি।আমাদেরও বাসায় গ্যাসের চুলা ও ম্যাজিক চুলা আছে। |
কিন্তুু আমরা তাও মাটির চুলায় রান্না করি। আর যখন রাতে কোনো রান্না করতে হয় বা বৃষ্টির দিনে বাহিরে বের হতে না পারলে এই গ্যাসের চুলা ব্যবহার করে থাকে।তাই আমাদের উচিত মাটির তৈরি চুলা বেশি বেশি ব্যবহার করা। গ্রামঅঞ্চল থেকে যেন হারিয়ে না যায় সে দিকে খেয়াল রাখা। |
পরিশেষে সকলের সুসাস্থ কামনা করে আমি আমার বক্তব্য এখানেই শেষ করতেছি। আপনাদের মূল্যবান সময় দিয়ে আমার পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। সকলেই ভাল থাকবেন এবং পরবর্তী পোস্টে আবার দেখা হবে। |
| ডিভাইস | vivo y33s |
| ফটোগ্রাফার | @ahanaf057 |
| লোকেশন | যশাই,পার্বতীপুর |

| আসসালামুআলাইকুম,আমার নাম মোঃ আহনাফ শাহরিয়ার । আমার স্টিমিট ইউজার নেম @ahanaf057। আমি দিনাজপুর জেলার, পার্বতীপুর উপজেলার যশাই হাটের তের-আনিয়া গ্রামের একজন বাসিন্দা। আমি পার্বতীপুর সরকারি কলেজে ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়াশোনা করি।এখন পড়াশোনার পাশাপাশি স্টিমিট প্লাটফর্মে কাজ করতেছি। আমি ফটোগ্রাফি ও ভ্রমণ করতে অনেক ভালবাসি।আমার প্রিয় খেলা হচ্ছে ক্রিকেট। আমি ক্রিকেট খেলতে ভালবাসি। আর সময় পেলে যে কোন ধরনের ফটোগ্রাফি করি।সকলেই ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন। |

You can also vote for @bangla.witness witnesses
গ্রামাঞ্চলের অন্যতম একটি ঐতিহ্য হলো মাটির চুলা।মাটির চুলাতে রান্না করলে রান্নার গুনাগুন অনেক ভালো থাকে। খেতে খুব সুস্বাদু হয় তখন।দারুন লিখেছেন ভাই ফটোগ্রাফি গুলো খুব সুন্দর করেছেন চুলার। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাই
মাটির চুলা গ্রামে রান্নার প্রধান হাতিয়ার। মাটির চুলার রান্নার স্বাদ অনন্য। আর এর জ্বালানিও সহজলভ্য। মাটির চুলা নিয়ে আপনি অনেক সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু
গ্রাম অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী মাটির চুলা। মাটির চুলার রান্না অনেক সুস্বাদু হয়। গ্রামে সবার বাড়িতে মাটির চুলা পাওয়া যায়। আপনি ঐতিহ্যবাহী মাটির চুলা নিয়ে খুব সুন্দর একটা পোস্ট করেছেন ভাই। ধন্যবাদ
ধন্যবাদ ভাই
ঐতিহ্যবাহী এই মাটির চুলা গুলো এক সময় অনেক ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে অনেক কমে গিয়েছে। বেশিরভাগ বাড়িতেই এখন গ্যাসের চুলা এবং ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহার করা হয়। ভালো লিখেছেন শুভকামনা রইল
ধন্যবাদ ভাই
মাটির তৈরি চুলা নিয়ে দারুণ লেখছেন ভাই, মাটির তৈরি চুলার রান্না অনেক সুস্বাদু হয়, আগে মাটির তৈরি চুলার অনেক ব্যবহার ছিল,তবে এখন দিন দিন মাটির তৈরি চুলা হারিয়ে যাচ্ছে, আপনি দারুণ ফটোগ্রাফি করছেন ভাই, আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর একটা পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাই
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটির চেলা নিয়ে আপনি খুবই সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন। এই মাটির চুলার রান্না খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। আপনি ঠিকই বলেছেন, এই মাটির চুলায় রান্নাবান্না অনেক কঠিন কাজ ছিল তা বর্তমানে তুলনামূলক কম কষ্টকর। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপু
মাটির চুলার ব্যবহার গ্রামেই বেশি। শহরে তেমন খুব দেখা যায় না। কারণ গ্যাসের চুলা ও ইলেকট্রিক চুলার ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু মাটির চুলায় রান্নার স্বাদই আলাদা। ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাই
মাটির তৈরি চুলা নিয়ে অসাধারণ একটি পোস্ট করেছেন। মাটির তৈরি চুলার ব্যবহার গ্রাম- অঞ্চলে বেশি। শহরে তেমন একটা মাটির চুলা লক্ষ্য করা যায় না। মাটির তৈরি চুলায় রান্না খেতে অনেক সুস্বাদু ও মজাদার হয়।
@md-sajalislam.
ধন্যবাদ ভাই
একসময় রান্নার মূল উৎস ছিল এই মাটির চুলা। সবধরনের রান্নাই এই মাটির চুলায় করা হতো। কিন্তু আধুনিক যুগে অনেকেই এখন মাটির চুলার পরিবর্তে গ্যাসের চুলা ও ইলেকট্রিক চুলায় রান্না করে থাকে।আপনি মাটির চুলা নিয়ে অসাধারণ একটি পোস্ট লিখেছেন। ধন্যবাদ ভাইয়া।
ধন্যবাদ আপু