হরিণ প্রাণী সম্পর্কে কিছু তথ্য
এই প্রাণীগুলো হলো হরিণ। হরিণ একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী। এছাড়া হরিণকে তৃণভোজী এবং চতুষ্পদী প্রাণীও বলা হয়ে থাকে। হরিণ বিভিন্ন প্রকারের আছে যেমন চিত্রা হরিণ, মায়া হরিণ ইত্যাদি। হরিণ প্রাণীরা নিরামিষভোজী , এরা ঘাস এবং লতাপাতা খেয়ে বেঁচে থাকে। এগুলোই তাদের প্রধান খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
হরিণ প্রাণীগুলো খুব দ্রুত ছুটতে পারে। এছাড়া এদের কান খুব প্রখর হয়ে থাকে, সামান্য শব্দ হলেই তারা টের পেয়ে যায়. অন্যান্য প্রাণীদের মতো হরিণ প্রাণীরাও কোনো বিপদ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আগে থেকেই জেনে যায়. বিপদের হওয়ার হাত থেকে বাঁচার জন্য তারা নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকে। হরিণ প্রাণীগুলো প্রায় সেই মধ্য যুগ থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত শিকার হিসেবে বিবেচিত।
হরিণ প্রাণীদের বিবর্তনের ধারা পরিবর্তন হতে হতে অনেক বছর লেগে গেছে তা প্রায় ২০-২৫ মিলিয়ন বছরের উপরে। যেমন এদের ইয়োসিন-অলিগোসিন-মায়োসিন ইত্যাদি আরো বিবর্তনের ধারা রয়েছে।
পুরুষ হরিণ প্রাণীদের শিংগুলো গাছের ডালপালার মতো হয়ে থাকে এবং বড়ো বড়ো হয়ে থাকে। এদের শিংগুলো বড়ো বড়ো আর আঁকাবাঁকা হওয়ার ফলে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে যেমন এরা যখন দ্রুত গতিতে দৌড়ায় তখন এদের শিংগুলো গাছের ডালপালা বা ঝোপঝাড়ে বেঁধে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আর হরিণ প্রাণীরা খুব দ্রুত গতিতে দৌড়াতে এবং লাফ দিতে পারে। লাফ দেওয়ার সাথে সাথে এরা সাঁতারও দ্রুত কাটতে পারে। হরিনের লেজ খুব ছোট হয়ে থাকে তবে এদের লেজ বিভিন্ন কালারের হয়ে থাকে যেমন সাদা, কালো, লাল ইত্যাদি। সব হরিণগুলোর চোখের সামনে বরাবর একধরণের গ্রন্থি থাকে। হরিনের পায়ের ক্ষুর খুব শক্ত আবরণ দিয়ে গঠিত হয়ে থাকে।
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
সুন্দর লিখেছেন। তবে পরিসমাপ্তিটা মন কাড়েনি।আগামীর জন্য শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ।
ভালো লিখেছেন হরিণ সম্পর্কে। যদিও এই কথাগুলো আমার জানা। তবে আবার নতুন করে পড়ে ভালোই লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপনাকেও ।
খুব সুন্দর গুছিয়ে লিখেছেন। মনে হচ্ছিল হরিণ আমার চোখের সামনে ভাসছে। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপনাকেও ।