ওলকপি দিয়ে টেংরা মাছের সুস্বাদু রেসিপি
| হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
আজকে আপনাদের সাথে একটা রেসিপি শেয়ার করে নেবো। আজকে আমি ওলকপি দিয়ে টেংরা মাছের রেসিপি তৈরি করেছিলাম। এই টেংরা মাছগুলো অনেক বড়ো বড়ো ছিল আর খেতে বেশ স্বাদেরও ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় হাঁটতে হাঁটতে আমাদের স্টেশন এর দিকে গিয়েছিলাম এবং সেখানে প্রতিদিনকার মতো একজন বিভিন্ন পদের মাছ নিয়ে এসেছিলো , আমার যদি কোনো মাছ পছন্দ হয় তাহলে কিনে নিয়ে আসি ওখান থেকে। এই টেংরাগুলোর সাইজ দেখেই কিনতে মন চাইলো আর কিনে নিয়েছিলাম ৫০০ এর মতো। এই টেংরাগুলো দেখলে মনে হবে যেন পেটে ডিম ভর্তি, কিন্তু তা না, ডিম ছাড়া মাছ। টেংরাগুলোর সাইজ দেখলেই আসলে মন ভরে যায়। এইরকম সাইজের টেংরা মাছ খেয়েও যেন মনে হয় শান্তি। ওলকপি দিয়ে টেংরা মাছ খেতে অনেক মজার হয়েছিল। যাইহোক এই রেসিপিটার এখন মূল উপকরণের দিকে চলে যাবো।
☀প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ:☀
✦এখন রেসিপিটা যেভাবে প্রস্তুত করলাম---
ꕥপ্রস্তুত প্রণালী:ꕥ

➤টেংরা মাছগুলো কাটিয়ে নিয়ে এসেছিলাম এবং আজকে রান্নার সময় একবার ভালোভাবে ধুয়ে নিয়েছিলাম। এরপর আলুগুলোর খোসা ভালোভাবে ছালিয়ে নিয়েছিলাম এবং আলু কেটে পিচ করার পরে জল দিয়ে ধুয়ে নিয়েছিলাম।
➤ওলকপিগুলোর খোসা ছালিয়ে নিয়েছিলাম। এরপর কেটে নিয়ে জল দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিয়েছিলাম।
➤পেঁয়াজ দুটির খোসা ভালোভাবে ছালিয়ে নিয়েছিলাম এবং পরে কেটে রেখেছিলাম। এরপর কাঁচা লঙ্কাগুলো সব কেটে নিয়েছিলাম।
➤কেটে রাখা টেংরা মাছগুলোতে ২ চামচ করে লবন এবং হলুদ দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর মাছের গায়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিয়েছিলাম।
➤প্যানে সরিষার তেল দিয়ে গরম করে নিয়েছিলাম এবং পরে মাছগুলো ভালোভাবে ভাজা হয়ে আসলে তুলে রেখেছিলাম।
➤অন্য আরেকটি কড়াইতে অল্প তেল দিয়ে ধুয়ে রাখা আলুর পিচগুলো দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর আলু লাল মতো ভাজা হয়ে আসলে তুলে রেখেছিলাম।
➤টেংরা মাছ ভাজার পরে ওই কড়াইতেই আরেকটু তেল দিয়ে ওলকপি দিয়ে দিয়েছিলাম এবং ভালোভাবে ভেজে নিয়েছিলাম।
➤সব ভাজা হয়ে গেলে কড়াইতে তেল দিয়ে গোটা জিরা দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর তাতে কেটে রাখা পেঁয়াজ দিয়ে দিয়েছিলাম এবং সব ভাজা করে নিয়েছিলাম।
➤জিরা এবং পেঁয়াজ ভাজা হয়ে গেলে তাতে ভেজে রাখা আলু দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর তাতে ভাজা ওলকপি দিয়ে দিয়েছিলাম।
➤সব ভাজা সবজি দেওয়ার পরে তাতে কাঁচা লঙ্কা এবং স্বাদ মতো লবন, হলুদ দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর সব একসাথে ভালোভাবে মিক্স করে নিয়েছিলাম।
➤মিক্স করার পরে তাতে জল দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর তরকারিটা ভালোভাবে ফুটিয়ে নিয়েছিলাম সবজিগুলো ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে আসার জন্য।
➤কিছু সেদ্ধ আলু একটি পাত্রে তুলে নিয়েছিলাম এবং ভালোভাবে গলিয়ে সফ্ট মতো করে নিয়েছিলাম।
➤আলু গলানোর পরে তরকারিতে ভেজে রাখা টেংরা মাছগুলো সব দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর তরকারিতে কিছুক্ষন বাদে গলিয়ে রাখা আলু দিয়ে দিয়েছিলাম এবং তরকারিটা ভালোভাবে হয়ে আসার জন্য আরেকটু সময় জ্বাল দিয়ে নিয়েছিলাম।
➤তরকারিটা ঘন হয়ে আসলে আমার তরকারিটা কমপ্লিট হয়ে এসেছিলো এবং আমি নামিয়ে নিয়ে পরে তাতে জিরা গুঁড়ো ছড়িয়ে দিয়েছিলাম। এরপর তরকারিটা পরিবেশনের জন্য একটি পাত্রে তুলে নিয়েছিলাম।
রেসিপি বাই, @winkles
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |




আপনি তো দেখছি খুবই লোভনীয় একটি রেসিপি তৈরি করে ফেলেছেন। আপনার রেসিপি গুলো কিন্তু আমার কাছে সব সময় ভালো লাগে। আজকের রেসিপিটি দেখে তো ইচ্ছে করছে খেয়ে নিতে। আপনার রেসিপির কালার কম্বিনেশন কিন্তু খুবই মনোমুগ্ধকর ছিল যা দেখে বুঝতে পারছি রেসিপিটি খুবই সুস্বাদু হয়েছে। এভাবে টেংরা মাছ রেসিপি রান্না করলে বেশি সুস্বাদু হয়। আপনার উপস্থাপনা দেখে কিন্তু যে কেউ খুবই সহজে রেসিপিটি তৈরি করে নিতে পারবে। বলতে হয় আপনার সম্পূর্ণ রেসিপি এক কথায় অসাধারণ ছিল।
দাদা ভাল আছেন আশাকরি। আজ রেসিপি শেয়ার করেছেন দেখতে লোভনীয় হয়েছে। আপনি স্টেশনে গিয়ে একজন লোকের কাছ থেকে টেংরা মাছ নিয়ে এলেন। মাছগুলো বেশ ফ্রেশ।আপনি ওলকপি,আলু দিয়ে রান্না করলেন। খেতে খুবই মজার হবার কথা।কেননা আপনি মাছ সবজি সবটাই ভেজে নিলেন। ভেজে রান্না করলে রান্নার টেস্ট বহুগুন বেড়ে যায়। আমি কখনও ওলকপি দিয়ে রান্না করিনি টেংরা মাছ।আপনার রেসিপির কালার দেখেই বুঝতে পারছি খুব মজার হয়েছে খেতে।অনেক ধন্যবাদ দাদা রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য। অনেক অভিনন্দন রইলো আপনার জন্য।
বড় বড় সাইজের টেংরা মাছ গুলো খেতে অনেক ভালো লাগে। এভাবে মজার রেসিপি শেয়ার করা কিন্তু ভারী অন্যায় দাদা🤭। আপনি এই মজার রেসিপি তৈরি করে খেয়েছেন আর আমরা শুধু দেখে আফসোস করছি দাদা। আমাদের যদি একটু দাওয়াত দিতেন তাহলে আমরাও চলে আসতাম। যেই টেংরা মাছ গুলো বড় সাইজের হয় সেগুলো অনেকটা তেল তেল থাকে। খেতেও ভালো লাগে। আর ডিমওয়ালা টেংরা মাছ আরো বেশি মজার হয়। ডিম ছাড়া কিংবা ডিমওয়ালা দুই প্রকারের টেংরা মাছ খেতেই আমি পছন্দ করি। ওলকপি দিয়ে টেংরা মাছের ঝোল ভাবতেই জিভে জল চলে আসছে দাদা 😋। যেকোনো মাছের তরকারিতে আলু দিলে খেতে আরো বেশি ভালো লাগে। দারুন একটি রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি দাদা।
আপনি ওলকপি এবং টেংরা মাছ দিয়ে খুবই সুস্বাদু একটি রেসিপি তৈরি করেছেন। আমার কাছে দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে। আর রান্নার আগে সব সবজি গুলো ভেজে নিলে সেটা খেতেও অনেক টেস্টি হয়। ধন্যবাদ দাদা সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
সন্ধ্যার দিকে হাটতে গিয়ে তো দাদা আপনার বেশ ভালই হলো। বেশ বড় বড় সাইজের কিছু টেংরা মাছ পেয়ে গেলেন। এরকম বড় সাইজের টেংরা মাছ দেখে কি না কিনে থাকা যায়। তার উপরে আবার আপনার মত ভোজন রসিক মানুষ। বড় বড় সাইজের টেংরা মাছগুলো খেতে খুবই ভালো লাগে। বিশেষ করে এভাবে ঝোল করলে তো আরো বেশি সুস্বাদু হয়। ওল কপি আমি তেমন একটা খাই না, কিন্তু আপনার ওলকপি আলু দিয়ে টেংরা মাছের রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে যে মজা হয়েছিলো। বিশেষ করে টেংরা মাছগুলোকে অনেক বেশি সুস্বাদু লাগছে। খেতে নিশ্চয়ই অনেক মজাদার ছিল।
টেংরা মাছ অনেকদিন হলো খাওয়া হয়না। টেংরা মাছ কিন্তু সত্যি খুবই সুস্বাদু। টেংরা মাছ খেতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। রেসিপির কালার কম্বিনেশনও জাস্ট অসাধারণ ছিল যা দেখে বুঝতে পারছি খুবই সুস্বাদু এবং ইয়াম্মি হয়েছে রেসিপিটি। সেই সাথে বেশ মজা করে খেলেন। যেহেতু আপনি ওলকপি দিয়ে টেংরা মাছ রান্না করেছেন তাই মনে হচ্ছে একটু বেশি সুস্বাদু হয়েছে রেসিপিটি। আমারতো জিভে জল চলে এসেছে আপনার রেসিপি দেখে। দেখে বুঝতে পারছি টেংরা মাছগুলো কিন্তু অনেক বড় বড়ই ছিল। এরকম বড় বড় টেংরা মাছগুলো খেতে ভীষণ ভালো লাগে।
আপনি ওলকপি আর টেংরা মাছের সমন্বয়ে দারুন একটা রেসিপি প্রস্তুত করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে আমার খুবই ভালো লেগেছে দাদা। ওলকপি আমার প্রিয় একটি সবজি কিন্তু আমাদের এলাকায় খুব কম পাওয়া যায়। ওলকপির সাথে আমার কাছে খুবই দারুণ লাগে। আশা করি বেশ সুস্বাদু ছিল এই রেসিপি।
আলু দিয়ে টেংরা মাছের রেসিপি চমৎকার হয়েছে। টেংরা মাছ অনেক মজার মাছ।যেহেতু টেংরা মাছের ডিম হয়নি তাহলে আরো মজা। আপনি আলু গুলো গলিয়ে সফ্ট করাতে, যেমন তরকারির স্বাদ হয় তোমনি ঘন হয়।আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুস্বাদু রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
দাদা আমার ফেবারিট মাছের মধ্যে টেংরা মাছ অন্যতম। তবে আমি কখনো ওলকপি খায় নি। ওলকপি সাধারনত আমাদের বাজারে পাওয়া যায় না। আপনার পোষ্টে প্রায় সময় ওলকপির রেসিপি দেখি। তাই ওলকপি খেতে মন চাই। যদি কখনো বাজারে দেখি তাহলে নিয়ে আসবো। মাঝে মাঝে স্টেশনের পাশে টাটকা মাছ পাওয়া যায়। আমিও আপনার মত টাটকা মাছ পেলে নিয়ে আসি। রেসিপিটা ধারুন হয়েছে দাদা, ধন্যবাদ।
দাদা আজকে আমার আর আপনার রেসিপির প্রধান বিষয় একই টেংরা মাছ।এই মাছটি যেভাবেই রান্না করা হোক না কেন খেতে ভীষণ ভালো লাগে।প্রিয় একটি মাছ আমার।আর বড় টেংরা হলে তো কথাই নেই।আপনি বড় টেংরা গুলো ওলকপি,আলু দিয়ে ঘরোয়া পরিবেশে দারুন করে রান্না করেছেন।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর রেসিপি পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।